নেত্রকোনা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

উত্তাল বুয়েট ক্যাম্পাস, ভিসি বললেন আমি তোমাদের সব দাবি মেনে নিয়েছি

  • আপডেট : ১১:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯
  • ১২৬৪ বার পঠিত

চাঞ্চল্যকর ফাহাদ হত্যায় উত্তাল বুয়েট ক্যাম্পাস। হত্যার জবাব চেয়ে উপাচার্য (ভিসি) কে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

নানা টালবাহানার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যা প্রায় ৬ টার সময় শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হন তিনি। কথা বলতে এলে ভিসি ভবনের নিচেই অবরুদ্ধ করে রাখা হয় তাকে।

ভিসি বলেন, ‘আমি তোমাদের অভিভাবক, তোমরা আমার সন্তান। আবরারের ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত।’ চিরাচরিত এ শান্তির বাণীতে শিক্ষার্থীরা আরো ফুঁসে ওঠে।

তারা বলেন, ‘এটা একটা খুন, আপনাকে স্বীকার করতে হবে।’ এ সময় শিক্ষার্থীদের শান্ত হয়ে কথা শুনতে বলেন ভিসি সাইফুল ইসলাম। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শান্ত হলে ভিসি বলেন, ‘আমি শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি।

তারা দেশের বাইরে আছেন। সেখান থেকে তারা যেভাবে নির্দেশনা দিচ্ছেন আমি তা পালন করছি। আমি তোমাদের দাবিগুলো দেখেছি। এসব নিয়ে তোমাদের শিক্ষকদের সাথে কথা হয়েছে।

আমি সব দাবি মেনে নিয়েছি।’ এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী উত্তেজিত হয়ে ভিসিকে বলেন, ‘আবরার খুন হওয়ার পর আপনি কই ছিলেন? গতকাল কেন এখানে আসেননি?’

ভিসি বলেন, ‘আমি এখানেই ছিলাম। আমি রাত দেড়টা পর্যন্ত কাজ করেছি।’

এই বলে ভিসি চলে যেতে চাইলে শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর শিক্ষার্থীরা ভিসি ভবনের নিচে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

ভিসির সাথে বুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের ডিন ও শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

উত্তাল বুয়েট ক্যাম্পাস, ভিসি বললেন আমি তোমাদের সব দাবি মেনে নিয়েছি

আপডেট : ১১:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯

চাঞ্চল্যকর ফাহাদ হত্যায় উত্তাল বুয়েট ক্যাম্পাস। হত্যার জবাব চেয়ে উপাচার্য (ভিসি) কে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

নানা টালবাহানার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যা প্রায় ৬ টার সময় শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হন তিনি। কথা বলতে এলে ভিসি ভবনের নিচেই অবরুদ্ধ করে রাখা হয় তাকে।

ভিসি বলেন, ‘আমি তোমাদের অভিভাবক, তোমরা আমার সন্তান। আবরারের ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত।’ চিরাচরিত এ শান্তির বাণীতে শিক্ষার্থীরা আরো ফুঁসে ওঠে।

তারা বলেন, ‘এটা একটা খুন, আপনাকে স্বীকার করতে হবে।’ এ সময় শিক্ষার্থীদের শান্ত হয়ে কথা শুনতে বলেন ভিসি সাইফুল ইসলাম। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শান্ত হলে ভিসি বলেন, ‘আমি শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি।

তারা দেশের বাইরে আছেন। সেখান থেকে তারা যেভাবে নির্দেশনা দিচ্ছেন আমি তা পালন করছি। আমি তোমাদের দাবিগুলো দেখেছি। এসব নিয়ে তোমাদের শিক্ষকদের সাথে কথা হয়েছে।

আমি সব দাবি মেনে নিয়েছি।’ এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী উত্তেজিত হয়ে ভিসিকে বলেন, ‘আবরার খুন হওয়ার পর আপনি কই ছিলেন? গতকাল কেন এখানে আসেননি?’

ভিসি বলেন, ‘আমি এখানেই ছিলাম। আমি রাত দেড়টা পর্যন্ত কাজ করেছি।’

এই বলে ভিসি চলে যেতে চাইলে শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর শিক্ষার্থীরা ভিসি ভবনের নিচে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

ভিসির সাথে বুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের ডিন ও শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।