নেত্রকোনা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাবি’র হলে স্বাধীনতা দিবসে খাবারের সর্বজনীন ব্যবস্থার দাবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আবাসিক হলসমূহে স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ খাবারের সর্বজনীন ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলো। বুধবার (২০ মার্চ) এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানায় তারা।

যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রশাসন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কেবল আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্যে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করে থাকে। যদিও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের আবাসিকতা না পাওয়াটাও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেরই ব্যর্থতা। বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসনের এমন বৈষম্যমূলক আচরণ প্রশ্ন তৈরি করে তাহলে স্বাধীনতা দিবস কি শুধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ? এই বৈষম্য প্রমাণ করে, এই প্রশাসন মুখে স্বাধীনতার কথা বললেও অধিকারে স্বাধীনতা সর্বজনীন হোক এটা চায় না। ‘প্রতিবছর ইন্টারনেট ফি থেকে শুরু করে হলের যাবতীয় ফি অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের পরিশোধ করতে হয়।,’

বিজ্ঞপ্তিতে তারা আরও বলেন, একদিকে যেমন বিপুল সংখ্যক অনাবাসিক ছাত্রদের নিয়ম-মাফিক আবাসন দিতে ব্যর্থ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার উপর বিভিন্ন বিষয়ে এইধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ,শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার তৈরি করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার তীব্র নিন্দা জানাই। এই অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, সকল প্রকার মূল্যমান পরিহার করে ভর্তুকি দিয়ে অবিলম্বে স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ খাবারে সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার।,

যৌথ এই বিবৃতিতে বিবৃতি প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি শাকিল হোসেন, ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক জান্নাতুল নাঈম, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেহেদী হাসান মুন্না, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক তারেক আশরাফ, ‘বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সমু চাকমা এবং ছাত্র গণমঞ্চের সমন্বয়ক নাসিম সরকার।,’

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমাদের প্রকাশনা “পূর্বকন্ঠ” স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব।

ইরাকে সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, হতাহত ৯

রাবি’র হলে স্বাধীনতা দিবসে খাবারের সর্বজনীন ব্যবস্থার দাবি

আপডেট : ০৯:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আবাসিক হলসমূহে স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ খাবারের সর্বজনীন ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলো। বুধবার (২০ মার্চ) এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানায় তারা।

যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রশাসন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কেবল আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্যে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করে থাকে। যদিও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের আবাসিকতা না পাওয়াটাও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেরই ব্যর্থতা। বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসনের এমন বৈষম্যমূলক আচরণ প্রশ্ন তৈরি করে তাহলে স্বাধীনতা দিবস কি শুধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ? এই বৈষম্য প্রমাণ করে, এই প্রশাসন মুখে স্বাধীনতার কথা বললেও অধিকারে স্বাধীনতা সর্বজনীন হোক এটা চায় না। ‘প্রতিবছর ইন্টারনেট ফি থেকে শুরু করে হলের যাবতীয় ফি অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের পরিশোধ করতে হয়।,’

বিজ্ঞপ্তিতে তারা আরও বলেন, একদিকে যেমন বিপুল সংখ্যক অনাবাসিক ছাত্রদের নিয়ম-মাফিক আবাসন দিতে ব্যর্থ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার উপর বিভিন্ন বিষয়ে এইধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ,শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার তৈরি করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার তীব্র নিন্দা জানাই। এই অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, সকল প্রকার মূল্যমান পরিহার করে ভর্তুকি দিয়ে অবিলম্বে স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ খাবারে সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার।,

যৌথ এই বিবৃতিতে বিবৃতি প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি শাকিল হোসেন, ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক জান্নাতুল নাঈম, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেহেদী হাসান মুন্না, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক তারেক আশরাফ, ‘বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সমু চাকমা এবং ছাত্র গণমঞ্চের সমন্বয়ক নাসিম সরকার।,’