নেত্রকোনা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পূর্বধলায় ছাত্রলীগের সভাপতির ওপর হামলা, দুই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

নেত্রকোনার পূর্বধলায় মহান স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি পালনের সময় ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন হাসিবসহ চার ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলার ঘটনায় হৃদয় খান নাঈম ও জাহিদুল আলম প্রভাত নামের দুই ছাত্রলীগ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাতে নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল আওয়াল শাওন ও সাধারণ সম্পাদক সোবায়েল আহম্মেদ খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদেরকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়।

হৃদয় খান নাঈম পূর্বধলা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও জাহিদুল আলম প্রভাত উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ২৬মার্চ বেলা ১২টার দিকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করতে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন হাসিবের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পত্বক অর্পণ করেন। ফেরার পথে পরিষদ চত্বরেই পূর্বধলা সরকারি কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি হৃদয় খান নাঈম ও উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহিদুল আলম প্রভাতের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন হাসিব (২৮), উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি বেপারী (২৫), দপ্তর সম্পাদক সালমান হাসান (২৫) ও ছাত্রলীগ নেতা রহুল আমীনের (২৬) ওপর অতকীর্ত হামলা করে।

হামলার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি বেপারীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন হাসিব বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্লোগান সহকারে ফেরার পথে উপজেলা চত্বরেই উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃংঙ্খলাবাহীনীর সামনেই পূর্বধলা সরকারি কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি হৃদয় খান নাঈম,উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহিদুল আলম প্রভাত ও সাব্বীর আহমেদের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি দল আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায়। কেন কি কারণে আমাদের ওপর হামলা করেছে তা আপাদের জানা নেই।

ব্যাপারে সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাজনীন আখতার বলেন, উপজেলা প্রশাসনের সামনে কোনো ঝগড়া বা মারা মারির ঘটনা ঘটেনি। আমি আমার ব্যবহৃত গাড়ি নিয়ে উপজেলা পরিষদের মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করেই স্মৃতি স্তম্ভের পাশেই লোকজনের ঝটলা দেখতে পাই। তখন জানতে পারি সেখানে হামলার ঘটনা ঘটছিল।

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর অতকীর্তভাবে একটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমাদের প্রকাশনা “পূর্বকন্ঠ” স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব।

ইরাকে সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, হতাহত ৯

পূর্বধলায় ছাত্রলীগের সভাপতির ওপর হামলা, দুই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

আপডেট : ০৪:১০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

নেত্রকোনার পূর্বধলায় মহান স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি পালনের সময় ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন হাসিবসহ চার ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলার ঘটনায় হৃদয় খান নাঈম ও জাহিদুল আলম প্রভাত নামের দুই ছাত্রলীগ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাতে নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল আওয়াল শাওন ও সাধারণ সম্পাদক সোবায়েল আহম্মেদ খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদেরকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়।

হৃদয় খান নাঈম পূর্বধলা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও জাহিদুল আলম প্রভাত উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ২৬মার্চ বেলা ১২টার দিকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করতে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন হাসিবের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পত্বক অর্পণ করেন। ফেরার পথে পরিষদ চত্বরেই পূর্বধলা সরকারি কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি হৃদয় খান নাঈম ও উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহিদুল আলম প্রভাতের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন হাসিব (২৮), উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি বেপারী (২৫), দপ্তর সম্পাদক সালমান হাসান (২৫) ও ছাত্রলীগ নেতা রহুল আমীনের (২৬) ওপর অতকীর্ত হামলা করে।

হামলার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি বেপারীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন হাসিব বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্লোগান সহকারে ফেরার পথে উপজেলা চত্বরেই উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃংঙ্খলাবাহীনীর সামনেই পূর্বধলা সরকারি কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি হৃদয় খান নাঈম,উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহিদুল আলম প্রভাত ও সাব্বীর আহমেদের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি দল আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায়। কেন কি কারণে আমাদের ওপর হামলা করেছে তা আপাদের জানা নেই।

ব্যাপারে সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাজনীন আখতার বলেন, উপজেলা প্রশাসনের সামনে কোনো ঝগড়া বা মারা মারির ঘটনা ঘটেনি। আমি আমার ব্যবহৃত গাড়ি নিয়ে উপজেলা পরিষদের মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করেই স্মৃতি স্তম্ভের পাশেই লোকজনের ঝটলা দেখতে পাই। তখন জানতে পারি সেখানে হামলার ঘটনা ঘটছিল।

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর অতকীর্তভাবে একটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।