নেত্রকোনা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৫ বালু ব্যবসায়ীকে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা

  • আপডেট : ০৯:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৩২৭ বার পঠিত

এ কে এম আব্দুল্লাহ, নেত্রকোনা ঃ নেত্রকোনা সদর উপজেলার মেদনী ইউনিয়নের বড়ওয়ারী এলাকায় কংশ নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে পাঁচ বালু ব্যবসায়ীকে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সদর ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বুলবুল আহমেদ এবং সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ শাহীন মাহমুদ আজ রবিবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত পৃথক ভাবে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

সহকারী কমিশনার মোঃ শাহীন মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ‘ওই ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কংশ নদী থেকে অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে করে কংশ নদীর ওপর বড়ওয়ারী সেতুসহ আশপাশের এলাকা নদী ভাঙ্গণের হুমকির মুখে পড়েছে।

রবিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৬টা থেকে বেলা ২টা পযন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে পাঁচজন বালু ব্যবসায়ীকে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ ধারায় বর্ণিত অপরাধে ১৫ ধারা মতে মোট ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে বালু ব্যবসায়ীরা জরিমানার টাকা পরিশোধ করে ছাড়া পান।

জরিমানা পরিশোধকারী ব্যবসায়ীরা হলেন, মোঃ নাজিম উদ্দিন, মোঃ আবুল মিয়া, মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ শামীম মিয়া ও মামুন মিয়া। তাঁদের মধ্যে নাজিম ও আবুলকে ৫ লাখ করে ১০ লাখ, জাহাঙ্গীর ও শামিমকে ৩ লাখ করে ৬ লাখ ও মামুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় নদী থেকে উত্তোলিত প্রচুর পরিমাণ বালু জব্দ করা হয়। জব্দ করা বালু নিলামে বিক্রির প্রস্তুতি চলছে। একই সাথে জব্দ করা একটি ড্রেজার মেশিনসহ বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিকের পাইপ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

নেত্রকোনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৫ বালু ব্যবসায়ীকে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট : ০৯:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

এ কে এম আব্দুল্লাহ, নেত্রকোনা ঃ নেত্রকোনা সদর উপজেলার মেদনী ইউনিয়নের বড়ওয়ারী এলাকায় কংশ নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে পাঁচ বালু ব্যবসায়ীকে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সদর ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বুলবুল আহমেদ এবং সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ শাহীন মাহমুদ আজ রবিবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত পৃথক ভাবে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

সহকারী কমিশনার মোঃ শাহীন মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ‘ওই ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কংশ নদী থেকে অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে করে কংশ নদীর ওপর বড়ওয়ারী সেতুসহ আশপাশের এলাকা নদী ভাঙ্গণের হুমকির মুখে পড়েছে।

রবিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৬টা থেকে বেলা ২টা পযন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে পাঁচজন বালু ব্যবসায়ীকে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ ধারায় বর্ণিত অপরাধে ১৫ ধারা মতে মোট ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে বালু ব্যবসায়ীরা জরিমানার টাকা পরিশোধ করে ছাড়া পান।

জরিমানা পরিশোধকারী ব্যবসায়ীরা হলেন, মোঃ নাজিম উদ্দিন, মোঃ আবুল মিয়া, মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ শামীম মিয়া ও মামুন মিয়া। তাঁদের মধ্যে নাজিম ও আবুলকে ৫ লাখ করে ১০ লাখ, জাহাঙ্গীর ও শামিমকে ৩ লাখ করে ৬ লাখ ও মামুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় নদী থেকে উত্তোলিত প্রচুর পরিমাণ বালু জব্দ করা হয়। জব্দ করা বালু নিলামে বিক্রির প্রস্তুতি চলছে। একই সাথে জব্দ করা একটি ড্রেজার মেশিনসহ বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিকের পাইপ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।