কলেজ

পূর্বধলা সরকারি কলেজে করোনাকালীন পরীক্ষার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

  পূর্বকন্ঠ ডেস্ক : আপডেট ২৭ এপ্রিল ২০২১ , ২:০৩ অপরাহ্ণ ১৮ অনলাইন সংস্করণ

পূর্বধলা

মোঃ জায়েজুল ইসলামঃ

সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নেত্রকোনার পূর্বধলা সরকারি কলেজে করোনা পরিস্থিতিতেও পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। পরীক্ষার ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে মোটা অংকের টাকা। আদায়কৃত টাকা কলেজের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে বিধি বহির্ভুত ভাবে খরচের অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনার কারণে সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এরই মধ্যে চলতি বছরের ফেব্রæয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে পূর্বধলা সরকারি কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রথম সাময়িক ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বর্ষ পরিবর্তন পরীক্ষা নেওয়া হয়।

পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৪০০ টাকা জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহের জন্য জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ দেওয়া হয়। ২ ও ৩ ফেব্রæয়ারি প্রশ্ন বিতরণ এবং ৪ ফেব্রæয়ারি উত্তরপত্র জমাদানের নির্ধারিত তারিখ ছিল। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কলেজের ফেইসবুক পেইজে ও মুঠোফোনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। নির্ধারিত তারিখে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে প্রতি বিষয়ে ৫০ নম্বরের নৈর্ব্যত্তিক ১ সেট প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়।

সরবরাহকৃত প্রশ্নেই উত্তর শিক্ষার্থীরা বাড়ি থেকে চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছে নির্ধারিত তারিখে জমা দেয়। ওই দুই পরীক্ষায় কলেজের সাধারণ ও বি.এম শাখার দুই শিক্ষাবর্ষের প্রায় ১৬শতাধিকেরও অধিক শিক্ষার্থীর কাছ থকে ৪০০টাকা করে আদায় করা হয়। আদায়কৃত টাকা কলেজ একাউন্টে জমা দেওয়া হয়নি বলে কলেজের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। আর এই কারণেই সম্প্রতি বিষয়টি প্রকাশ পায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের একাধিক শিক্ষক ও কর্মচারি করোনার মধ্যে পরীক্ষা গ্রহণ, ফি আদায় ও আদায়কৃত টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা না দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ওই টাকা নিজে হাতে রেখেছেন।

এ ব্যাপারে পূর্বধলা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকা উপাধ্যক্ষ আনোয়ারুল হক রতন বলেন, নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। প্রথমে পরীক্ষার ফিস ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছে দাবি করলেও পরে আবার বলেন পরীক্ষার ফি ব্যাংকে জমা দেওয়া হয় না।

এছাড়া অন্য সকল অর্থ তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কলেজের ব্যাংকের হিসেবে জমা রাখা হয়। করোনার কারণে সারা দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কীভাবে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি এ প্রক্রিয়াকে প্রথমে পরীক্ষা না বলে এস্যাইনমেন্টর কথা বললেও পরে পরীক্ষার কথা স্বীকার করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পূর্বধলা সরকারি কলেজের কো-সিগনেটর উম্মে কুলসুম জানান, জিও জারি হওয়ার পর থেকে কলেজের পরীক্ষাসহ সমুদয় টাকা কলেজের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব নাম্বারে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

☎ জরুরী নাম্বার সমূহ : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আমাদের নিয়মিত আপডেট খবর পেতে এখনই নিচের ডান পাশে বেল বাটনে ক্লিক করে ওয়েব পেজটি সাবস্ক্রাইব করুন। জরুরী সেবা : ☎ ৯৯৯ ☎ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২ ☎ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ☎ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০ ☎ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ☎ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮ ☎ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ☎ শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র : ০১৩২০১০৪৩৩৩ ☎ওসি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা : ০১৩২০১৮২৮২৬ ☎