শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন বাংলা বাংলা English English
জরুরী নাম্বার সমূহ :
৥ জরুরী সেবা : ৯৯৯ ৥ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২ ৥ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ৥ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০ ৥ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ৥ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮ ৥ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ৥ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আপনিও চাইলে পূর্বকন্ঠ অনলাইন প্রকাশনায় লিখতে পারেন কলাম অথবা মতামত ৥ আপনার গঠনমূলক লেখা ছাপা হবে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে ৥ অবশ্যই সম্পাদনা সহকারে ৥ প্রয়োজনে : ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ৥
পূর্বধলায় মসজিদের বারান্দায় শহীদ মিনার,দেওয়া হয় না ফুল
শফিকুল আলম শাহীনঃ
/ ৪১৫ বার পড়া হয়েছে।
আপডেট : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
শহীদ মিনার

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা সদরের কাচারী জামে মসজিদের বারান্দায় অযত্ন-অবহেলায় দাঁড়িয়ে আছে একটি শহীদ মিনার। দীর্ঘদিন যাবত এই শহীদ মিনারে শহীদদের স্মরণে দেওয়া হয় না ফুল । এতে একদিকে যেমন শহীদ মিনারের অবমাননা হচ্ছে অন্যদিকে মসজিদের ভিতরে পড়ে যাওয়ার মুসল্লীদের নামাজ আদায় করতেও সমস্যা হচ্ছে।

জানা গেছে, ১৯৬৮ সালে ভাষা সৈনিক আলহাজ্ব ইউনুছ আলী মন্ডল, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আইয়ুব আলী, প্রয়াত প্রিন্সিপাল সিরাজুল ইসলাম, প্রয়াত মাহফুজুল হক, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ হেলিম তাং ও মুঞ্জুরুল হকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপজেলা সদরের জামতলায় বর্তমান ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংলগ্ন সরকারি জায়গায় এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করেন।

পরে ১৯৭৪ সালে ওই শহীদ মিনারটিকে সংস্কার করে আরও বড় করা হয়। তখন থেকে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের লোকজন, বিভিন্ন রাজনীতিবিদ, বেসরকারী সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী এই শহীদ মিনারেই ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেন। এ সময় ওই শহীদ মিনারের পাশেই স্থানীয় লোকজন একটি নামাজ খানা তৈরী করে। ধীরে ধীরে নামাজের জায়গা বড় হয়ে শহীদ মিনারকে ঘিরে নির্মিত হয় একটি বড় মসজিদ। এতে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিড়ম্বনার সৃষ্টি হলে গত ২০০০ সালে সরকারিভাবে উপজেলা সদরের স্টেশন রোড এলাকায় আরও একটি শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়। এরপর থেকে পুরোনো শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া বন্ধ হয়ে যায় ও শহীদ মিনারটি অযত্ন, অবহেলায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে।

এ ব্যাপারে ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইউনুছ আলী মন্ডল বলেন, শহীদদের স্মরণে নির্মিত শহীদ মিনারে ফুল না দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি আরও বলেন, এখানে শহীদ মিনারটির প্রয়োজন না থাকলে পরিত্যক্ত অবস্থায় না ফেলে রেখে এখান থেকে সরিয়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিলে এর মর্যাদা রক্ষা পাবে।

মসজিদ কমিটির সভাপতি ও নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এটিএম ফয়জুর সিরাজ জুয়েল জানান, বর্তমানে এই শহীদ মিনারটি পরিত্যক্ত ঘোষিত না হলেও দীর্ঘদিন ধরে এখানে ফুল দেওয়া হয় না। তাই মসজিদের মুসল্লিদের অসুবিধার কথা চিন্তা করে ইতি পূর্বে শহীদ মিনারটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসন বরাবরে আবেদন করা হয়েছিল।

মসজিদের মুসল্লী ও এলাকার বাসিন্দা শহীদ মিয়া এবং ডা. আলীম উদ্দিন জানান, স্থানীয় লোকজন স্বাধীনতার পূর্ব থেকে এই মসজিদে নামাজ আদায় করে আসছে। বর্তমানে মুসল্লী বৃদ্ধি পাওয়ায় মসজিদ সম্প্রসারিত করা হয়েছে। এতে শহীদ মিনারটি মসজিদের বারান্দার ভিতরে পড়ে গেছে। তাই শহীদ মিনারটি স্থানান্তরিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবী জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে কুলসুম জানান, শহীদ মিনারটির বর্তমান অবস্থান মসজিদের বারান্দায় হওয়ায় এতে ফুল দেওয়া হয় না। মসজিদ এবং শহীদ মিনার বিষয় দুটি স্পর্শকাতর হওয়ায় উপর মহলকে জানিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন..
এ জাতীয় আরও সংবাদ
আমাদের ফেসবুক পেইজ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

SatSunMonTueWedThuFri
  12345
6789101112
13141516171819
2728     
       
     12
3456789
31      
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
       

গুগল ম্যাপে পূর্বকন্ঠ