বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ১০:২৩ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English
ঘোষনা :
৥ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আপনিও চাইলে পূর্বকন্ঠ অনলাইন প্রকাশনায় লিখতে পারেন কলাম অথবা মতামত ৥ আপনার গঠনমূলক লেখা ছাপা হবে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে ৥ অবশ্যই সম্পাদনা সহকারে ৥ প্রয়োজনে : ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ৥
ঘুরে আসুন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের সীমান্তঘেঁষা গজনী অবকাশ
/ ৬৩ বার পড়া হয়েছে।
আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

একবার ঘুরে আসুন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের সীমান্তঘেঁষা গজনী অবকাশ কেন্দ্রে। শেরপুর জেলার সীমান্তঘেঁষা ছোট-বড় পাহাড়, শাল, গজারি, সেগুন আর লতাপাতার অপূর্ব বিন্যাস, প্রকৃতি প্রেমীদের বারবার আকর্ষণ করে, নৈসর্গিক সৌন্দর্যের আধার গজনী অবকাশ।

শীত মৌসুমে দেশের অনেক জায়গা থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা ভিড় করেন গজনী অবকাশ কেন্দ্রে।



শেরপুর শহর থেকে ৩০ কিলোমটারি দূরে, ১৯৯৩ সালে শেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবকাশ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। ঝিনাইগাতি উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের প্রায় ৯০ একর পাহাড়ি এলাকা নিয়ে এ অবকাশ কেন্দ্রটি গঠিত।

ইট, কাঠ, কংক্রিট আর পাথরে গড়া নগর জীবনের কোলাহল ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পারেন গজনী অবকাশ কেন্দ্র । প্রতি বছর হাজারও পযটক এখানে ভিড় করেন। কেন্দ্রটি আকর্ষণীয় করতে বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে কিছু স্থাপনা ও ভাস্কর্য।

গজনীর প্রবেশ মুখেই রয়েছে মৎস্যকন্যা, ড্রাগন, জিরাফ ও হাতির প্রতিকৃতি। আগে এখানে ছোট একটি চিড়িয়াখানা ছিল। এখন এতে নতুন করে যোগ করা হয়েছে মেছো বাঘ, হরিণ, অজগর সাপ, ভালুকসহ ৪০ প্রজাতির প্রাণি। যা বিনোদনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।



‘গারো মা ভিলেজেও’ ছোঁয়া লেগেছে নতুনত্বের। মাশরুম ছাতার নিচে বা পাখি বেঞ্চে বসে পাহাড়ের ঢালে আদিবাসীদের জীবনযাত্রা, দিগন্তজোড়া ধানক্ষেত আর পাহাড়ি জনপদের ভিন্ন জীবনমান উপভোগ করা যাবে খুব সহজেই। শিশুদের জন্য চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্কের পাশাপাশি এবার নতুন যুক্ত হচ্ছে শিশুকর্নার।



বৈশ্বিক মহামারী করোনার বিপর্যয় মোকাবিলা করে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে গারো পাহাড়খ্যাত ‘গজনী অবকাশ’ গত শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উচ্ছ্বাস আর আনন্দে মেতে উঠতে দেখা যায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভ্রমণপিপাসুদের। অনেকদিন পর পর্যটক দেখে দারুণ খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে দর্শনার্থীদের সিংহভাগই মানছে না কোনো স্বাস্থ্যবিধি।গজনীর মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব সহজেই আকৃষ্ট করে পর্যটকদের। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন করে পাহাড়ের বুকজুড়ে তৈরি হয়েছে সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে। পায়ে হেঁটে পাহাড়ের স্পর্শ নিয়ে লেকের পাড় ধরে হেঁটে যাওয়া যাবে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে।



পর্যটকদের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব সহজেই আকৃষ্ট করে । জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন করে পাহাড়ের বুকজুড়ে তৈরি হয়েছে সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে। পায়ে হেঁটে পাহাড়ের স্পর্শ নিয়ে লেকের পাড় ধরে হেঁটে যাওয়া যাবে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে। পড়ন্ত বিকালে ছোট ছোট নৌকায় করে ঘুরার জন্য রয়েছে লেক। এর বুকে নৌকায় চড়ে পাহাড়ের পাদদেশে কফি আড্ডা আর গান এখানে আগত দর্শণার্থীদের জন্য অন্য রকম অভিজ্ঞতা অজন্র্ তৈরি করবে।

Print Friendly, PDF & Email
আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও সংবাদ
আমাদের ফেসবুক পেইজ