বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ১১:৩৮ অপরাহ্ন বাংলা বাংলা English English
ঘোষনা :
৥ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আপনিও চাইলে পূর্বকন্ঠ অনলাইন প্রকাশনায় লিখতে পারেন কলাম অথবা মতামত ৥ আপনার গঠনমূলক লেখা ছাপা হবে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে ৥ অবশ্যই সম্পাদনা সহকারে ৥ প্রয়োজনে : ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ৥
পূর্বধলায় একই পরিবারে নিহত ৫ জনের দাফন সম্পন্ন
/ ৬২৪ বার পড়া হয়েছে।
আপডেট : সোমবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২১, ২:০৬ অপরাহ্ন
দাফন

এক সঙ্গে পাঁচটি লাশ দাফন সম্পন্নের আগে পরিবারের স্বজনদের সান্তনা দেওয়ার ভাষা পাচ্ছিলেন না কেউ। শুধুই কান্না আর কান্না। কারণ এক সঙ্গে এতগুলো লাশের জানাযা, যারা পড়তে এসেছেন তারাও স্তব্ধ ।

আজ সোমবার (৪ জানুয়ারি) নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের ফেচুয়ালঞ্জি গ্রামে নিহতদের বাড়িতে গিয়ে একই পরিবারের নিহত ৬জনের মধ্যে একসাথে ৫জনের জানাজা ও দাফন সম্পনের আগে দেখা যায় এমন দৃশ্য।
আজ বেলা সাড়ে ১১টায় ওই ফেচুয়ালঞ্জি গ্রামেই নিহতদের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।



জানাজায় পূর্বধলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম সুজন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ রাজু আহমেদ রাজ্জাক সরকার, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম রুবেল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও আগিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ মৌলভী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফয়জুর সিরাজ জুয়েল, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ তালুকদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সানোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়।
পরে তাদের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

যে ৫জনের লাশ একসঙ্গে দাফন হয়, তারা হলেন, মাওলানা ফারুক মিয়া (২৫), তার স্ত্রী মাসুমা আক্তার (২০), তাদের ৩ দিন বয়সের নবজাতক শহিদুল্লাহ, নিহত ফারুকের বড় ভাই নিজাম উদ্দিন (২৭), আরেক বড় ভাই আজিম উদ্দিনের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম (২৫)।



অপর দিকে ফারুকের বড় বোন তামান্না আক্তার জুলেখা’র (৩২) লাশ তার স্বামীর বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সিধলা গ্রামে দাফন করা হয়েছে বলে নিহতের স্বজনরা জানান। কারণ দুর্ঘটনার পর তার লাশ পুলিশের কাছ থেকে তার স্বামীর বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিল।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার মাওলানা ফারুকের স্ত্রী মাসুমার প্রসব ব্যাথা শুরু হলে প্রথমে তাকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে নেওয়া হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে স্বাভাবিক প্রসব হয় ফুটফুটে এক ছেলে শিশুর। রবিবার (৩ডিসেম্বর) দুপুরে হাসপাতাল থেকে তারা ছাড়পত্র পেয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। সঙ্গে ছিলেন অন্যরা।



সময় নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের তারাকান্দা উপজেলার গাছতলা নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা শাহজালাল নামক একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হয়। পরে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ও পরে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।

পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উম্মে কুলসুম জানান, ইতোমধ্যেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবাকে একলক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি রবিবার রাতেই নিহতদের বাড়িতে গিয়ে ওই বরাদ্দকৃত টাকা থেকে তাৎক্ষণিক নগদ ২০হাজার টাকা নিহতের বড়ভাই আজিম উদ্দিনের হাতে তুলেদেন ।


Print Friendly, PDF & Email
আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও সংবাদ
আমাদের ফেসবুক পেইজ