শনিবার ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সেঞ্চুরি না করেও যে ইনিংসটি হাবিবুল বাশারের কাছে সেরা

পূর্বকন্ঠ ডেস্ক:  |  আপডেট ৮:৪৩ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০৬ মে ২০২০ | প্রিন্ট  | 164

সেঞ্চুরি না করেও যে ইনিংসটি হাবিবুল বাশারের কাছে সেরা

[ad_1]

ঢাকা, ০৬ মে – ৫০ টেস্টে তার সেঞ্চুরি মোটে তিনটি। ৯৯ ইনিংসে দুই ডজন হাফ সেঞ্চুরি। প্রথম সেঞ্চুরি দেশের মাটিতে, ২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে (২৮৩ মিনিটে ২০৯ বলে ১৫ বাউন্ডারিতে ১০৮)। দ্বিতীয় শতরানটি করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০০৩ সালে (২০ আগস্ট, ২১৮ বলে ১১ বাউন্ডারিতে ১০৮)। আর তৃতীয় ও সর্বশেষ টেস্ট সেঞ্চুরিটি করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০৪ সালের ২৮ মে, সেন্ট লুসিয়ায় (১৩১ বলে ১১৩)।


খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে এই তিন সেঞ্চুরিই বুঝি খুব প্রিয় হাবিবুল বাশারের কাছে। হ্যাঁ, তিনটি সেঞ্চুরিই তার স্মৃতিতে উজ্জ্বল। এর মধ্যে দেশের বাইরে করা দুটি সেঞ্চুরির কথা খুব বেশি মনে পড়ে এবং তার নিজের ক্যারিারের অন্যতম সেরা ইনিংস বলেও মনে করা হয়। এক সেন্ট লুসিয়ায় ক্যারিয়বীয়দের বিপক্ষে। আর দুই করাচিতে পাকিস্তানের সাথে করা সেঞ্চুরিটিও অনেক প্রিয় বাশারের।

কিন্তু অবাক করা সত্য হলো, ওই তিন টেস্ট সেঞ্চুরির কোনটাই সবচেয়ে প্রিয় নয় বাশারের। ওই তিন শতক বিশেষ করে সেন্ট লুসিয়ার ‘হান্ড্রেড’ আর করাচির সেঞ্চুরি ছাপিয়ে টেস্টে জাতীয় দলের এই সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান নির্বাচকের সবচেয়ে প্রিয় ইনিংস হলো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০১ সালে হারারে মাঠে করা ৭৬ রানের (২১২ মিনিট, ১৩২ বলে ৯ বাউন্ডারিতে) ইনিংসটি।

(মঙ্গলবার) একান্ত আলাপে হাবিবুল বাশার নিজের ক্যারিয়ারে সেরা তিন ইনিংসের বর্ননা দিতে গিয়ে বলে ওঠেন, ‘আমার কাছে হারারের ওই ৭৬ রানের ইনিংসটিই বেশি প্রিয়। আমার স্মরণীয় তিন ইনিংস যদি বলেন, তাহলে সেন্ট লুসিয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচিতে করা সেঞ্চুরি অবশ্যই থাকবে। তবে প্রথম হলো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারে টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে খেলা ৭৬ রানের ইনিংসটি।’

গল্প বলে যান হাবিবুল বাশার। তিনি বলেন, ‘তখন আমার টেস্ট ক্যারিয়ারে কোন সেঞ্চুরি ছিল না। তবে সেঞ্চুরি করতে না পারলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে করা এ ৭০ প্লাস রানের ইনিংসটি অনেক কারণেই আমার কাছে স্পেশাল। প্রথম কথা, টেস্ট জগতে পা রাখার পর সেটাই ছিল আমাদের প্রথম বিদেশ সফর ও টেস্ট সিরিজ। কন্ডিশন সম্পূর্ন ভিন্ন। যার সঙ্গে আমাদের কোনই পরিচয় ছিল না। একদমই অনভ্যস্ত পরিবেশ। প্রচুর ঠান্ডা আবহাওয়া। খেলা হয়েছে সবুজ ঘাসের আচ্ছাদিত ‘গ্রিন টপে’। বল সুইং করতো সাপের মত। তখনকার জিম্বাবুইয়ান পেস বোলাররাও জোরে বল করতো। জোরে বলের চেয়েও কন্ডিশনটা ছিল টোটালি ডিফারেন্ট। টু বি অনেস্ট, ওই কন্ডিশনে তার আগে আমি কেন আমরা কেউই ব্যাটিং করিনি। হারারের উইকেটে বল সুইং করছিল প্রচুর। সেজন্যই ওই ইনিংসটি চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রথম ইনিংসে ৬৪ করেছিলাম। পরের ইনিংসে করেছিলাম ৭৬। সেটাই বেশ্রি প্রিয়। কারণ, উইকেট ও কন্ডিশন দুই’ই ছিল নতুন। বেশ চ্যালেঞ্জিং। যার সঙ্গে আমাদের কোনই অভ্যস্ততা ছিল না। সেখানে বিগ ফিফটিও আমার মনে হয় তখনকার অবস্থায় কম ছিল না। তাই ওই ইনিংসটি স্পেশাল।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরিটির কথা বলতে গিয়ে হাবিবুল বাশার বলেন, ‘সেন্ট লুসিয়ার ইনিংসটিকেও পিছিয়ে রাখতে চাই না। ওয়েস্ট ইন্ডিজে প্রথমবার খেলতে যাওয়া এবং গিয়েই ক্যারিবীয় সব দ্রুত গতির বোলার পেড্রো কলিন্স, ফিদেল এডওয়ার্ডস, জারমেইন লসন আর টিনো বেস্ট- এই চার ফাস্ট বোলারের মুখোমুখি হয়ে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে সেঞ্চুরি অবশ্যই পুলক জাগানো অনুভুতি। তাই সেন্ট লুসিয়ার ইনিংসটিকেও পিছিয়ে রাখার কোনই সুযোগ নেই। সেটাও আমার নিজের খেলা খুব প্রিয় ইনিংস।’

এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজে খেলা দুর্দান্ত পেস বোলিং অ্যাটাক। ওই দিনের ব্যাটিংটা মন মত হচ্ছিল। সেদিন ছিল এমন এক দিন, যেদিন সব কিছু মন মত হয়ে যায়। আমার সেন্ট লুসিয়ার ইনিংসটিও ছিল ঠিক তেমনি। আমি যা করতে চেয়েছি। করতে পেরেছি। তাই হয়েছে।

সেবার পাকিস্তানে গিয়ে আমি রান করেছিলাম। করাচিতে সেঞ্চুরির পর পেশোয়ারে আমি আরও একটি ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছিলাম; কিন্তু সেঞ্চুরির কথাই বেশি মনে হয়। যদিও করাচির উইকেটি ফ্ল্যাট ছিল; কিন্তু তার মধ্যেও শোয়েব আখতার বেশ জোরের ওপর রিভার্স সুইং করাচ্ছিল।

লেগস্পিনার দানিশ কানিরিয়ার বলও ঘুরছিল বেশ। খুব সম্ভবত ওমর গুল আর সাব্বির আহমেদও ওই টেস্টে বেশ সমীহ জাগানো বোলিং করেছিলেন। এমন এক সাঁড়াসি বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে শতরান সহজ ছিল না। এখনো মনে আছে, প্রথম ইনিংসে আমি ৭১ রানে আউট হয়ে গিয়েছিলাম; কিন্তু পরের ইনিংসে ঠিক শতরান করেই সাজঘরে ফেরত আসি।’

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ০৬ মে

[ad_2]

Source link

শেয়ার করুন..

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
এক ক্লিকে বিভাগের খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
ঘোষনা : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া খবরা খবর জানাতে আমাদের ফোন করুন-০১৭১৩৫৭৩৫০২ এই নাম্বারে ☎ গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সমূহ : ☎ জরুরী সেবা : ৯৯৯ ☎ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২☎ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ☎ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০☎ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ☎ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮☎ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ☎ শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র : ০১৩২০১০৪৩৩৩ ☎ ওসি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা : ০১৩২০১৮২৮২৬ ☎ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, পূর্বধলা: ০১৭০০৭১৭২১২/০৯৫৩২৫৬১০৬ ☎ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮৩৮৭৫৮৭/০১৭০৮৪১৫০২২ ☎ উপজেলা মৎস্য অফিসার, পূর্বধলা : ০১৫১৫-৬১৪৯২১ ☎ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পূর্বধলা : ০১৯৯০-৭০৩০২০ ☎ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮-৭২৮২৯৪ ☎ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্বধলা :০১৭০৮-১৬১৪৫৭ ☎ উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৯১৪-৯১৯৯৩৮ ☎ উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, পূর্বধলা : ০১৯১৬-৮২৬৬৬৮ ☎ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১১-৭৮৯৭৯৮ ☎ উপজেলা কৃষি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৬-৭৯৮৯৪৬ ☎ উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৫-৪৭৪২৯৬ ☎ উপজেলা সমবায় অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৭-০৪৩৬৩৯ ☎ সম্পাদক পূর্বকন্ঠ ☎ ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ☎
মোঃ শফিকুল আলম শাহীন সম্পাদক ও প্রকাশক
পূর্বকণ্ঠ ২০১৬ সালে তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা।

হেল্প লাইনঃ +৮৮০৯৬৯৬৭৭৩৫০২

E-mail: info@purbakantho.com