নেত্রকোনা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে- আল-ইমরান রুহুল ইসলাম

  • আপডেট : ০৮:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১২৮৭ বার পঠিত

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি ঃ

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদের উপদেষ্টা আল-ইমরান রুহুল ইসলাম বলেছেন, সমাজে যত বেশি সাহিত্য সংস্কৃতির সংগঠন হবে, তত বেশি সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চাও বাড়বে। সব সংগঠনগুলো চলবে যার যার মত করে তবে সব সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে মাসে অন্তত একবার এক সঙ্গে কথা বলা মত বিনিময় করা খুবই দরকার।

একসঙ্গে বসতে চাইলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনেও বসা যেতে পারে। তিনি বলেন, কেন্দুয়া সাহিত্য সংস্কৃতির উর্বর এলাকা থাকলেও বাস্তবে এখন শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি অনেক পিছিয়ে পড়েছে। তাই নতুন প্রজন্মকে জানার জন্যে শেখার জন্যে সম্মিলিত প্রচেষ্ঠার মাধ্যমে সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। লোক সাহিত্য সংস্কৃতির শেকড় সন্ধানে গঠিত কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় তিনি উপদেষ্টা হিসেবে তার মতামত উপস্থাপন করে এ কথাগুলো বলেন তিনি।

কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদের সভাপতি গীতিকার, নাট্যকার ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সোমবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বক্তব্য রাখছিলেন। গণসাহিত্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মার পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, গণসাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি গীতিকার মোঃ ফজলুর রহমান, সহ-সভাপতি কথা সাহিত্যিক হাবিব আল-আজাদ, সহ-সভাপতি কবি নেহাল হাফিজ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ছড়াকার ও সাংবাদিক জিয়াউর রহমান জীবন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মেহেরুন্নেছা নেলী, কার্যনির্বাহী সদস্য দিলুয়ারা আনসারী, জুলফিকার ইজদানি ভুট্টু ও কার্যনির্বাহী সদস্য হুমায়ুন কবীর পুতুল।

সভাপতির বক্তব্যে গীতিকার মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, অতিথ ঐতিহ্যকে খুঁজে বের করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা শেকড়ের সন্ধানে যেতে কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদ গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটা কোন রাজনৈতিক সংগঠন না রাজনীতির কোন চাল নেই। এখানে শুধু সাহিত্য আর সংস্কৃতির চর্চার লালন বিকাশ ঘটানো যায় সে লক্ষ্যেই আমরা সকলকে নিয়ে কাজ করতে চাই।

লোকজ সাহিত্য সংস্কৃতিকে মূল ধারা থেকে বিকৃতি পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে দাবী করে মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা যদি সাহিত্য সংস্কৃতির লালন ও চর্চার সঠিক পরিবেশ তৈরি করতে না পারি তাহলে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। আমাদের সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতি আমাদেরকেই লালন ও চর্চা করতে হবে। তিনি কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদ সহ সকল সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসার আহŸান জানান।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে- আল-ইমরান রুহুল ইসলাম

আপডেট : ০৮:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি ঃ

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদের উপদেষ্টা আল-ইমরান রুহুল ইসলাম বলেছেন, সমাজে যত বেশি সাহিত্য সংস্কৃতির সংগঠন হবে, তত বেশি সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চাও বাড়বে। সব সংগঠনগুলো চলবে যার যার মত করে তবে সব সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে মাসে অন্তত একবার এক সঙ্গে কথা বলা মত বিনিময় করা খুবই দরকার।

একসঙ্গে বসতে চাইলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনেও বসা যেতে পারে। তিনি বলেন, কেন্দুয়া সাহিত্য সংস্কৃতির উর্বর এলাকা থাকলেও বাস্তবে এখন শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি অনেক পিছিয়ে পড়েছে। তাই নতুন প্রজন্মকে জানার জন্যে শেখার জন্যে সম্মিলিত প্রচেষ্ঠার মাধ্যমে সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। লোক সাহিত্য সংস্কৃতির শেকড় সন্ধানে গঠিত কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় তিনি উপদেষ্টা হিসেবে তার মতামত উপস্থাপন করে এ কথাগুলো বলেন তিনি।

কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদের সভাপতি গীতিকার, নাট্যকার ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সোমবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বক্তব্য রাখছিলেন। গণসাহিত্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মার পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, গণসাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি গীতিকার মোঃ ফজলুর রহমান, সহ-সভাপতি কথা সাহিত্যিক হাবিব আল-আজাদ, সহ-সভাপতি কবি নেহাল হাফিজ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ছড়াকার ও সাংবাদিক জিয়াউর রহমান জীবন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মেহেরুন্নেছা নেলী, কার্যনির্বাহী সদস্য দিলুয়ারা আনসারী, জুলফিকার ইজদানি ভুট্টু ও কার্যনির্বাহী সদস্য হুমায়ুন কবীর পুতুল।

সভাপতির বক্তব্যে গীতিকার মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, অতিথ ঐতিহ্যকে খুঁজে বের করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা শেকড়ের সন্ধানে যেতে কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদ গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটা কোন রাজনৈতিক সংগঠন না রাজনীতির কোন চাল নেই। এখানে শুধু সাহিত্য আর সংস্কৃতির চর্চার লালন বিকাশ ঘটানো যায় সে লক্ষ্যেই আমরা সকলকে নিয়ে কাজ করতে চাই।

লোকজ সাহিত্য সংস্কৃতিকে মূল ধারা থেকে বিকৃতি পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে দাবী করে মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা যদি সাহিত্য সংস্কৃতির লালন ও চর্চার সঠিক পরিবেশ তৈরি করতে না পারি তাহলে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। আমাদের সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতি আমাদেরকেই লালন ও চর্চা করতে হবে। তিনি কেন্দুয়া গণসাহিত্য পরিষদ সহ সকল সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসার আহŸান জানান।