নেত্রকোনা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শ্রীবরদী শহিদ মিনারের সামনে গড়ে উঠেছে গোশতের দোকান

  • আপডেট : ১০:১২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০১৯
  • ১২০৬ বার পঠিত

মো. আব্দুল বাতেন, শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি:

শ্রীবরদী পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে শেরপুর জেলা পরিষদের মালিকানাধীন খালি জায়গায় গড়ে উঠেছে গোশতের দোকান। শ্রীবরদী পৌরসভা কর্তৃক শহরের নির্ধারিত স্থানে গোশত বিক্রয়ের জন্য কয়েক লক্ষ টাকা ব্যায়ে পাকা স্যাট নির্মাণ করে দেওয়া হলেও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের নাম ভাঙ্গিয়ে দীর্ঘদিন যাবত পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্র বলে পরিচিত চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন শহিদ মিনারের সামনে গড়ে উঠেছে গোশতের দোকান।

এতে করে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্টের পাশাপাশি পঁচা দূর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। ফলে ব্যস্ততম সড়কের পাশে গোশতের দোকান গড়ে উঠায় প্রায় সময়ই দেখা দিচ্ছে তীব্র যানজট। এতেকরে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা। এবিষয়ে জানতে চাইলে গোশতের দোকানদার সেলিম মিয়া জানান উপর মহলের নির্দেশেই এখানে দোকান দিয়েছি।

শ্রীবরদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম বলেন, শহিদ মিনারের সামনে গোশতের দোকান গড়ে উঠায় ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের চরম অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। ৫২ ভাষা আন্দোলন ও ৭১ মহান মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত শহিদ মিনারের পরিবেশ রক্ষায় উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় গোশতের দোকান উচ্ছেদের লক্ষ্যে আলোচনা করা হলেও দীর্ঘ দিনেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ প্রসঙ্গে শ্রীবরদীর ইউএনও সেঁজুতি ধর বলেন, এর আগেও দু’বার গোশতের দোকান উচ্ছেদ করা হলেও ফের বাসানো হয়েছে। অচিরেই আবার তা উচ্ছেদ করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

শ্রীবরদী শহিদ মিনারের সামনে গড়ে উঠেছে গোশতের দোকান

আপডেট : ১০:১২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০১৯

মো. আব্দুল বাতেন, শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি:

শ্রীবরদী পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে শেরপুর জেলা পরিষদের মালিকানাধীন খালি জায়গায় গড়ে উঠেছে গোশতের দোকান। শ্রীবরদী পৌরসভা কর্তৃক শহরের নির্ধারিত স্থানে গোশত বিক্রয়ের জন্য কয়েক লক্ষ টাকা ব্যায়ে পাকা স্যাট নির্মাণ করে দেওয়া হলেও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের নাম ভাঙ্গিয়ে দীর্ঘদিন যাবত পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্র বলে পরিচিত চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন শহিদ মিনারের সামনে গড়ে উঠেছে গোশতের দোকান।

এতে করে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্টের পাশাপাশি পঁচা দূর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। ফলে ব্যস্ততম সড়কের পাশে গোশতের দোকান গড়ে উঠায় প্রায় সময়ই দেখা দিচ্ছে তীব্র যানজট। এতেকরে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা। এবিষয়ে জানতে চাইলে গোশতের দোকানদার সেলিম মিয়া জানান উপর মহলের নির্দেশেই এখানে দোকান দিয়েছি।

শ্রীবরদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম বলেন, শহিদ মিনারের সামনে গোশতের দোকান গড়ে উঠায় ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের চরম অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। ৫২ ভাষা আন্দোলন ও ৭১ মহান মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত শহিদ মিনারের পরিবেশ রক্ষায় উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় গোশতের দোকান উচ্ছেদের লক্ষ্যে আলোচনা করা হলেও দীর্ঘ দিনেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ প্রসঙ্গে শ্রীবরদীর ইউএনও সেঁজুতি ধর বলেন, এর আগেও দু’বার গোশতের দোকান উচ্ছেদ করা হলেও ফের বাসানো হয়েছে। অচিরেই আবার তা উচ্ছেদ করা হবে।