নেত্রকোনা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শ্রীবরদীতে কাজে আসছে না ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ

  • আপডেট : ০৩:০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১২৬৯ বার পঠিত

মো. আব্দুল বাতেন,শ্রীবরদী (শেরপুর) সংবাদদাতা:

শ্রীরবদী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কাজে আসছে না ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ। শিক্ষা অধিদপ্তর উপজেলার প্রায় ১৪৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, মডেম, সিমকাডসহ নানা সরঞ্জাম বিতরণ করলেও তা শিক্ষার্থীদের কাজে আসছে না। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষক ও সরঞ্জামাদি থাকার পরেও মাল্টিমিডিয়ায় ক্লাস নেওয়া হচ্ছে না। এ সব সরঞ্জামের অধিকাংশই শিক্ষকরা তাদের বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। এছাড়াও নিরাপত্তা ঘাটতি, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষের অভাব সহ নানা সংকট থাকায় এ সব সরঞ্জামাদি ব্যবহার হচ্ছে কমই।

জানা গেছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণের পাশাপাশি সহজ পাঠদানের লক্ষ্যে ল্যাপটপের সহযোগিতায় বড় পর্দায় (প্রজেক্টরে) পাঠদান তুলে ধরতে এ সব সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, পিইডিপি-৩ ও ৪ প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলা ১৯৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ১৪৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, মডেম, সিমকাড সহ নানা সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হয়। কিন্তু ল্যাপটপের সহযোগিতায় বড় পর্দায় (প্রজেক্টরে) পাঠদান না হওয়ায় এ সব সরঞ্জামাদি শিক্ষার্থীদের কাজে আসছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর বাক্সবন্দি অবস্থায় রয়েছে। শালমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ল্যাপটপ প্রজেক্টর কোনটায় বিদ্যালয়ে নেই। জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুন নাহার বলেন, আমি বিদ্যালয়ে যোগদান করে ল্যাপটপ পাইনি, তবে আমি যোগদানের পূর্বে অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইয়াকুব আলী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন, তাহার কাছেই ল্যাপটপ আছে। আমি বারবার বলার পরেও তিনি ল্যাপটপ বিদ্যালয়ে আনেননি। প্রজেক্টর সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচনের সময় প্রজেক্টর অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি জুব্বার এর বাড়িতে রাখা হয়েছে। ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর এর মাধ্যমে বড় পর্দায় পাঠদান করা হয় কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিদ্যালয়ে বড় পর্দায় কোন ক্লাস নেওয়া হয় না।

শালমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি জুব্বারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, প্রজেক্টর তার রান্না ঘরের মিটসেফের উপর এবং বড় পর্দা (স্ক্রীন) বাক্সবন্দি অবস্থায় বসত ঘরের বাঁশের আড়ার উপর রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের সরঞ্জাম কেন আপনার বাসায়? এমন প্রশ্নের জবাবে সভাপতি জুব্বার বলেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় এটা আমার বাড়িতে রাখা হয়েছে। ছনকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রজেক্টর আলমিরাতে বাক্সবন্দি অবস্থায় আছে। তবে ল্যাপটপ প্রধান শিক্ষক সালমা বেগমের বাড়িতে। প্রধান শিক্ষক সালমা বেগম জানান, নিরাপত্তার অভাবে ল্যাপটপ বাসায় রাখা হয়েছে। ল্যাপটপের মাধ্যমে প্রজেক্টর দিয়ে পাঠদান করা হয় কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিক্ষকের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষক স্বল্পতাসহ নানা সমস্যার কারণে নিয়মিত ক্লাস নেয়া হয় না।

ছনকান্দা পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, ল্যাপটপ বন্ধ হয়ে আছে এবং প্রজেক্টর সম্পূর্ণরূপে ইনটেক (খোলা হয়নি)। তবে এ বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক, শ্রেণি কক্ষ, বিদ্যুৎ সহ সকল সরঞ্জামাদি থাকার পরেও মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদান করা হচ্ছে না। সকল সুযোগ সুবিধা থাকার পরেও কেন মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদান করা হচ্ছে না? জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক রুবিনা পন্নি বলেন, আমার এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক এর গাফিলতির কারণে পাঠদান হচ্ছে না। তবে আপনার আসায় আগামীকাল থেকে মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদান করার চেষ্টা করব।

পোড়াগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকন আরা বেগম রাব্বী বলেন, ৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে প্রজেক্টর এবং ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে ল্যাপটপ পেয়েছি। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক না থাকায় মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদান করা সম্ভব হয়নি। তবে স¤প্রতি একজন শিক্ষক প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এখন থেকে সপ্তাহে দু’এক দিন মাল্টিমিডিয়ায় ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। শংকরঘোষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন জানান, শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে ল্যাপটপের মাধ্যমে প্রজেক্টর দিয়ে প্রতিদিন ক্লাস নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও অধিকাংশ বিদ্যালয়ের সরেজমিনে গিয়ে একই চিত্র দেখা যায়।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুশ শিহার মুঠোফোনে বলেন, ল্যাপটপের মাধ্যমে প্রজেক্টর দিয়ে পাঠদান হচ্ছে কিনা এটা জানার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠির উত্তর পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

শ্রীবরদীতে কাজে আসছে না ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ

আপডেট : ০৩:০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মো. আব্দুল বাতেন,শ্রীবরদী (শেরপুর) সংবাদদাতা:

শ্রীরবদী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কাজে আসছে না ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ। শিক্ষা অধিদপ্তর উপজেলার প্রায় ১৪৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, মডেম, সিমকাডসহ নানা সরঞ্জাম বিতরণ করলেও তা শিক্ষার্থীদের কাজে আসছে না। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষক ও সরঞ্জামাদি থাকার পরেও মাল্টিমিডিয়ায় ক্লাস নেওয়া হচ্ছে না। এ সব সরঞ্জামের অধিকাংশই শিক্ষকরা তাদের বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। এছাড়াও নিরাপত্তা ঘাটতি, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষের অভাব সহ নানা সংকট থাকায় এ সব সরঞ্জামাদি ব্যবহার হচ্ছে কমই।

জানা গেছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণের পাশাপাশি সহজ পাঠদানের লক্ষ্যে ল্যাপটপের সহযোগিতায় বড় পর্দায় (প্রজেক্টরে) পাঠদান তুলে ধরতে এ সব সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, পিইডিপি-৩ ও ৪ প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলা ১৯৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ১৪৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, মডেম, সিমকাড সহ নানা সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হয়। কিন্তু ল্যাপটপের সহযোগিতায় বড় পর্দায় (প্রজেক্টরে) পাঠদান না হওয়ায় এ সব সরঞ্জামাদি শিক্ষার্থীদের কাজে আসছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর বাক্সবন্দি অবস্থায় রয়েছে। শালমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ল্যাপটপ প্রজেক্টর কোনটায় বিদ্যালয়ে নেই। জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুন নাহার বলেন, আমি বিদ্যালয়ে যোগদান করে ল্যাপটপ পাইনি, তবে আমি যোগদানের পূর্বে অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইয়াকুব আলী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন, তাহার কাছেই ল্যাপটপ আছে। আমি বারবার বলার পরেও তিনি ল্যাপটপ বিদ্যালয়ে আনেননি। প্রজেক্টর সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচনের সময় প্রজেক্টর অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি জুব্বার এর বাড়িতে রাখা হয়েছে। ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর এর মাধ্যমে বড় পর্দায় পাঠদান করা হয় কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিদ্যালয়ে বড় পর্দায় কোন ক্লাস নেওয়া হয় না।

শালমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি জুব্বারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, প্রজেক্টর তার রান্না ঘরের মিটসেফের উপর এবং বড় পর্দা (স্ক্রীন) বাক্সবন্দি অবস্থায় বসত ঘরের বাঁশের আড়ার উপর রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের সরঞ্জাম কেন আপনার বাসায়? এমন প্রশ্নের জবাবে সভাপতি জুব্বার বলেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় এটা আমার বাড়িতে রাখা হয়েছে। ছনকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রজেক্টর আলমিরাতে বাক্সবন্দি অবস্থায় আছে। তবে ল্যাপটপ প্রধান শিক্ষক সালমা বেগমের বাড়িতে। প্রধান শিক্ষক সালমা বেগম জানান, নিরাপত্তার অভাবে ল্যাপটপ বাসায় রাখা হয়েছে। ল্যাপটপের মাধ্যমে প্রজেক্টর দিয়ে পাঠদান করা হয় কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিক্ষকের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষক স্বল্পতাসহ নানা সমস্যার কারণে নিয়মিত ক্লাস নেয়া হয় না।

ছনকান্দা পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, ল্যাপটপ বন্ধ হয়ে আছে এবং প্রজেক্টর সম্পূর্ণরূপে ইনটেক (খোলা হয়নি)। তবে এ বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক, শ্রেণি কক্ষ, বিদ্যুৎ সহ সকল সরঞ্জামাদি থাকার পরেও মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদান করা হচ্ছে না। সকল সুযোগ সুবিধা থাকার পরেও কেন মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদান করা হচ্ছে না? জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক রুবিনা পন্নি বলেন, আমার এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক এর গাফিলতির কারণে পাঠদান হচ্ছে না। তবে আপনার আসায় আগামীকাল থেকে মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদান করার চেষ্টা করব।

পোড়াগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকন আরা বেগম রাব্বী বলেন, ৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে প্রজেক্টর এবং ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে ল্যাপটপ পেয়েছি। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক না থাকায় মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদান করা সম্ভব হয়নি। তবে স¤প্রতি একজন শিক্ষক প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এখন থেকে সপ্তাহে দু’এক দিন মাল্টিমিডিয়ায় ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। শংকরঘোষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন জানান, শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে ল্যাপটপের মাধ্যমে প্রজেক্টর দিয়ে প্রতিদিন ক্লাস নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও অধিকাংশ বিদ্যালয়ের সরেজমিনে গিয়ে একই চিত্র দেখা যায়।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুশ শিহার মুঠোফোনে বলেন, ল্যাপটপের মাধ্যমে প্রজেক্টর দিয়ে পাঠদান হচ্ছে কিনা এটা জানার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠির উত্তর পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।