রবিবার ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শেরপুর সীমান্তে বেদখল হয়ে যাচ্ছে বনবিভাগের শতশত একর জমি

খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী (শেরপুর) :  |  আপডেট ১০:০২ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | প্রিন্ট  | 74

শেরপুর সীমান্তে বেদখল হয়ে যাচ্ছে বনবিভাগের শতশত একর জমি

শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকাগুলোতে বনের জমি দখল করে অবৈধভাবে সবজি চাষ দিনেদিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা প্রতিদিন শতশত একর পাহাড়ি বনের জমি দখল করে অবৈধভাবে সবজি আবাদ করে আসছে। তবে এসব বেদখলীয় বনের জমি উদ্ধার প্রক্রিয়ায় বনবিভাগ একেবারেই গতিহীন। শতশত একর পাহাড়ি বনের জমি বেদখল হলেও বন বিভাগের পক্ষ থেকে গত প্রায় তিন বছরে উদ্ধার দেখানো হয়েছে শতাধিক একর জমি।

ফলে বেদখল হয়ে যাচ্ছে বনবিভাগের শতশত একর সরকারী জমি। বন বিভাগের মতে লোকবলের অভাবসহ নানা প্রতিবন্ধকতায় বেদখলীয় বনের জমি উদ্ধারে তাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে। শেরপুরের ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ি ও শ্রীবরদী উপজেলার পাহাড়ি এলাকাগুলোতে এখন বনের জমি বেদখলের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। স্থানীয় প্রভাবশালীরা পাহাড়ি বনের জমি দখল করে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি নির্মান করে বসবাসের পাশাপাশি শতশত একর জমিতে চাষাবাদ করে আসছে। বনবিভাগ সুত্রে জানা গেছে, শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বনের জমি রয়েছে। শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার সীমান্তের নাকুগাঁও থেকে শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তের ধানুয়া কামালপুর পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে বনভুমি। এসব জমি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তিনটি রেঞ্জ অফিস ও ১১টি ফরেষ্ট অফিস রয়েছে। রেঞ্জ অফিসগুলো হচ্ছে, জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া, শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি ও নালিতাবাড়ি উপজেলার মধুটিলা রেঞ্জ। এ তিনটি রেঞ্জ এলাকায় ১১টি ফরেস্ট বিট অফিস রয়েছে।


এসব ফরেস্ট বিট অফিসগুলো হচ্ছে, ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া রেঞ্জের আওতায় রাংটিয়া সদর বিট, গজনী ও তাওয়াকোচা বিট অফিস। শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি রেঞ্জের আওতায় বালিজুরি সদর বিট, মালাকোচা, কর্ণঝুড়া ও ডুমুরতলা বিট। নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা রেঞ্জের আওতায় সন্ধ্যাকুড়া, সমশ্চুড়া ও বাতকুচি বিট। এসব ফরেস্ট বিট অফিসের আওতায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বনভ‚মি রয়েছে। শেরপুর জেলা সদরে রয়েছে সহকারি বন সংরক্ষকের কার্যালয়। শেরপুর জেলায় পুরো বনবিভাগে রয়েছে কর্মকর্তাসহ ৩৪ জন বন কর্মচারি। এ বিশাল এলাকা জুরে বনভুমি রক্ষায় তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানান বনবিভাগ। এক সময় বনবিভাগ একটি শক্তিশালী অবস্থানে ছিলো। বর্তমানে লোকবলের অভাবসহ নেই আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। দপ্তরগুলোতে লাগেনি আধুনিকতার ছোঁয়া। ৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বন ও বনভুমি রক্ষায় নেই কোন একটি পিকাপ ভ্যান পর্যন্ত। ফলে দিনেদিনে বনবিভাগ কার্যক্ষমতা হারাতে বসেছে। শেরপুরের বনভ‚মিতে এক সময় শাল গজারীসহ দেশী বিভিন্ন প্রজাতীর বৃক্ষেভরা গভীর অরন্য ছিলো।

কিন্তু দিনেদিনে উজাড় হয়ে গেছে এসব বৃক্ষ। এককালে যেখানে গভীর অরণ্য ছিলো এখন সেখানে বাড়িঘর গড়ে উঠেছে। গভীর অরণ্য এখন জনবস্তি। বনের শতশত একর জমিতে এখন পুরোদমে চাষাবাদ হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, অতিতে স্থানীয় এক শ্রেনীর অসাধু বন কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজশে এসব জমি বেদখল হয়ে গেছে। বর্তমানে ও থেমে নেই বনের জমি বেদখলের প্রতিযোগিতা। স্থানীয় প্রভাবশালীরা বনের জমি দখল করে চাষাবাদ করে আসছেন। সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা গেছে, পাহাড়ি টিলায় শতশত একর জমিতে সবজির আবাদ করা হচ্ছে। এসব জমি দখলের বিষয়ে সামাজিক বনায়নের অংশিদারদের ভুমিকাটি প্রধান বলে জানা গেছে।

অংশিদারা সামাজিক বন পাহাড়া দেয়ার অজুহাতে প্রথমে বনের ভিতরে ছোট একটি ঘর নির্মাণ করছে। পরে ওই ঘরের চারপাশে সুপারিসহ বিভিন্ন দেশী প্রজাতির বৃক্ষের চারা ও সবজি বাগান গড়ে তুলেন। আর রোপিত চারাগুলো বেড়ে উঠলে অংশিদাররা কৌশলে বাগানসহ জমিগুলো প্রভাবশালীদের নিকট বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, বনের জমি বেদখলের পিছনে সবচেয়ে বড়ো ভুমিকা রয়েছে সামাজিক বনায়নের অংশিদারদের। বনের অংশিদারদের কারনে বনের জমি বেদখল হচ্ছে বেশি। বনবিভাগ সুত্রে জানা গেছে, গত তিন বছরে শতাধিক একর বেদখলীয় জমি উদ্ধার করা হয়েছে। আর এসব জমি উদ্ধার করতে গিয়ে বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলাসহ হামলার ও শিকার হতে হয়েছে। মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল করিম বলেন বনের বেদখলীয় জমি উদ্ধার করতে গিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন মুসলিমদের দখলে থাকা জমি উদ্ধার করতে গেলে বন কর্মচারিদের নামে দেয়া হয় মিথ্যা নারী নির্যাতন ও মানহানি মামলা।

আবার খ্রিস্ট স¤প্রদায়ের লোকদের দখলীয় জমি উদ্ধার করতে গেলেই শুরু হয় বন কর্মচারিদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল। এদের পিছনে মদদযোগান স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা। এমন অভিযোগ বনকর্মচারিদের। বনবিভাগের হিসাব মতে শেরপুরে ৩ হাজার জবরদখলকারি রয়েছে। তবে বেসরকারি হিসেবে তার চেয়ে দিগুণ হবে। শুধু শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ির পাশাপাশি শতশত একর পাহাড়ি জমিতে অবাধে সবজির আবাদ করা হচ্ছে। এ উপজেলায় পুরো বনের জমি এখন সবজি চাষিদের দখলে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন সবজি চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে প্রতি মৌসুমে বনের জমিতে সবজি আবাদ করতে বন কর্মচারিদের নির্দিষ্ট হারে নজরানা দিতে হয়। টাকার পরিমান কম হলেই কেটে দেয়া হয় সবজির বাগান। তবে বালিজুরি ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেছেন এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন । তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি বলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বনের বেদখলীয় জমি উদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বনবিভাগ। ইতিমধ্যেই জবরদখলকারিদের তালিকা পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে। আর এঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকার শতশত জবরদখলদার এখন বনকর্মচারিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

ফলে বনের জমি বেদখল ঠেকাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে বন বিভাগকে। পুরো পাহাড়ি এলাকায় বনের বেদখলীয় জমি দখলদারদের তালিকা করতে গিয়ে জবরদখলদারদের তুপের মুখে রয়েছেন বন কর্মচারীরা। গত আগষ্ট শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি খ্রিস্টান পাড়ায় বনের জমি থেকে ৫ পরিবারের সবজির মাচা গুড়িযে দেয় বন কর্মচারিরা। আর এঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ গারোছাত্র সংগঠন (বাগাছাস) ৫ দফা দাবিতে আন্দোলনে মাঠে নেমেছে।

তাদের দাবি কোন আদিবাসিকে বনের জমি থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। ঝিনাইগাতী উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা ও নবেশ খকশী বলেন আদিকাল থেকেই আমাদের আদিবাসী স¤প্রদায়ের গারো, হাজং, কোচ, বানাইসহ বিভিন্ন স¤প্রদায়ের লোকজন পাহাড়ে বসবাস করেন। জমিগুলো বনবিভাগের হলেও বাপ দাদার আমল থেকে তারা বসবাস করে আসছেন।

তাদের এ জমি থেকে উচ্ছেদ করা হলে তারা যাবে কোথায়? শেরপুরের সহকারী বন সংরক্ষক ড. প্রান্তোষ চন্দ্র রায় বলেন আমরা কাউকে উচ্ছেদের পক্ষে নয়। তিনি বলেন একটি পরিবারের বসবাসের জন্য ১০/২০ শতাংশ জমি হলেই যথেষ্ট। কিন্তু তারা ৫/৭ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে বেদখল করে রেখেছে। দিনেদিনে টিলা কেটে পরিধি বাড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। কোন বাধা নিষেধও মানছেন না তাড়া।

তিনি বলেন তারা সরকারি কর্মচারি সরকারের নীতিমালা অনুসরণ করে তাদের কাজ করতে হয়। সরকার বেদখলীয় বনের জমি উদ্ধারের কাজ হাতে নিয়েছে। সরকারের নির্দেশে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সরকার যদি বলে বেদখলীয় জমি উদ্ধারের প্রযোজন নেই। তাহলে আমাদের কোন মাথাব্যথা থাকবে না।

ঘোষনা : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া খবরা খবর জানাতে যোগাযোগ করুন ০১৭১৩৫৭৩৫০২এই নাম্বারে। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আপনিও চাইলে পূর্বকন্ঠ অনলাইন প্রকাশনায় লিখতে পারেন কলাম/ মতামত। আপনার গঠনমূলক লেখা ছাপা হবে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে ( অবশ্যই সম্পাদনা সহকারে)। আপনি কি আপনার নিউজপেপার অথবা অনলাইন টিভি, ই-পেপার, ই-কমার্স, কর্পোরেট, বিজনেস, পার্সোনাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রিমিয়াম থিম খুজছেন? আমাদের রয়েছে ১০০+ প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস থিম। আমাদের রয়েছে নিউজপেপার, অনলাইন টিভি, ই-কমার্স, কর্পোরেট, বিজনেস, পার্সোনাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের থিম। আপনি কি অনলাইন রেডিও কিংবা অনলাইল লাইভ টিভি চ্যানেল বানাতে চান ? অনলাইন টিভিতে আপনি আপনার মনের মতো কনটেন্ট সম্প্রচার করতে পারবেন। আপনার এলাকার সংবাদ, প্রামান্য প্রতিবেদন দিয়ে সাজিয়ে নিন আপনার দৈনিক প্লেলিষ্ট। আপনি চাইলে ইউটিউব/ভিডিও বা সরাসরি কোন লিংক দিয়ে প্লেলিষ্ট বানিয়ে ২৪ ঘন্টা সম্প্রচার করতে পারেন। তাই আজই যোগাযোগ করুন ☎ ০১৭১৩৫৭৩৫০২ এই নাম্বারে।

শেয়ার করুন..

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
এক ক্লিকে বিভাগের খবর

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
ঘোষনা : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া খবরা খবর জানাতে আমাদের ফোন করুন-০১৭১৩৫৭৩৫০২ এই নাম্বারে ☎ গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সমূহ : ☎ জরুরী সেবা : ৯৯৯ ☎ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২☎ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ☎ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০☎ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ☎ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮☎ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ☎ শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র : ০১৩২০১০৪৩৩৩ ☎ ওসি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা : ০১৩২০১৮২৮২৬ ☎ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, পূর্বধলা: ০১৭০০৭১৭২১২/০৯৫৩২৫৬১০৬ ☎ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮৩৮৭৫৮৭/০১৭০৮৪১৫০২২ ☎ উপজেলা মৎস্য অফিসার, পূর্বধলা : ০১৫১৫-৬১৪৯২১ ☎ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পূর্বধলা : ০১৯৯০-৭০৩০২০ ☎ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮-৭২৮২৯৪ ☎ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্বধলা :০১৭০৮-১৬১৪৫৭ ☎ উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৯১৪-৯১৯৯৩৮ ☎ উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, পূর্বধলা : ০১৯১৬-৮২৬৬৬৮ ☎ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১১-৭৮৯৭৯৮ ☎ উপজেলা কৃষি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৬-৭৯৮৯৪৬ ☎ উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৫-৪৭৪২৯৬ ☎ উপজেলা সমবায় অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৭-০৪৩৬৩৯ ☎ সম্পাদক পূর্বকন্ঠ ☎ ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ☎
মোঃ শফিকুল আলম শাহীন সম্পাদক ও প্রকাশক
পূর্বকণ্ঠ ২০১৬ সালে তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা।

হেল্প লাইনঃ +৮৮০৯৬৯৬৭৭৩৫০২

E-mail: info@purbakantho.com