নেত্রকোনা ১০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ

  • আপডেট : ০৬:৪০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩
  • ১১৬০ বার পঠিত

শিক্ষকতার আঠাশ পেরিয়ে গন্তব্যের দ্বারে পৌঁছে স্বসম্মানে অবসরের প্রহর গুনছি। এই বিশাল সময়ে দু’টি রাজনৈতিক দলের শাসনামলকে অবলোকন করেছি ।মূল সংগঠনের অঙ্গ সংগঠনগুলোর বিচরণ দেখেছি কখনো দৃশ্যপটে কখনো অদৃশ্যপটে যেখানে আদর্শিক চিন্তার বিস্তরণের বিস্তৃতির বড়ই অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে।

এটির মূল কারন আমাদের চেতনা বিকাশের ভিন্নতা।বাংলাদেশ একটি রক্তাক্ত ইতিহাস হওয়া সত্যেও এই ইতিহাসের যথার্থতা বিশ্লেষণে না যেয়ে যে বা যারা নতুন ইতিহাস গড়তে চায় তারা কখনো ব্যক্তি বা দলের আদর্শের পতাকা বহন করতে পারবে না।

মেধাভিত্তিক রাজনীতির অসারতা প্রমানে তারাই কাজ করে যায়,যারা রাজনীতিকে জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।এদেরকে নির্লিপ্ত করতে না পারলে মেধাভিত্তিক রাজনীতির প্রসার ঘটবে না। এতে স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমান শুধু ফটোসেশান আর বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।

আজ এটির জন্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশাল অর্জন ক্ষনিকের জন্য হলেও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।আমরা চাই মেধাভিত্তিক রাজনীতির বিকাশ যা অনাদর্শিক রাজনীতিকে পরাভুত করবে।

লেখক : মোঃ এমদাদুল হক বাবুল, সহকারী অধ্যাপক পূর্বধলা সরকারি কলেজ ও সভাপতি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, পূর্বধলা উপজেলা শাখা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ

আপডেট : ০৬:৪০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩

শিক্ষকতার আঠাশ পেরিয়ে গন্তব্যের দ্বারে পৌঁছে স্বসম্মানে অবসরের প্রহর গুনছি। এই বিশাল সময়ে দু’টি রাজনৈতিক দলের শাসনামলকে অবলোকন করেছি ।মূল সংগঠনের অঙ্গ সংগঠনগুলোর বিচরণ দেখেছি কখনো দৃশ্যপটে কখনো অদৃশ্যপটে যেখানে আদর্শিক চিন্তার বিস্তরণের বিস্তৃতির বড়ই অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে।

এটির মূল কারন আমাদের চেতনা বিকাশের ভিন্নতা।বাংলাদেশ একটি রক্তাক্ত ইতিহাস হওয়া সত্যেও এই ইতিহাসের যথার্থতা বিশ্লেষণে না যেয়ে যে বা যারা নতুন ইতিহাস গড়তে চায় তারা কখনো ব্যক্তি বা দলের আদর্শের পতাকা বহন করতে পারবে না।

মেধাভিত্তিক রাজনীতির অসারতা প্রমানে তারাই কাজ করে যায়,যারা রাজনীতিকে জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।এদেরকে নির্লিপ্ত করতে না পারলে মেধাভিত্তিক রাজনীতির প্রসার ঘটবে না। এতে স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমান শুধু ফটোসেশান আর বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।

আজ এটির জন্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশাল অর্জন ক্ষনিকের জন্য হলেও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।আমরা চাই মেধাভিত্তিক রাজনীতির বিকাশ যা অনাদর্শিক রাজনীতিকে পরাভুত করবে।

লেখক : মোঃ এমদাদুল হক বাবুল, সহকারী অধ্যাপক পূর্বধলা সরকারি কলেজ ও সভাপতি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, পূর্বধলা উপজেলা শাখা।