বুধবার ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

‘রেলে ভোগান্তি কমেছে’

জিসান তাসফিক:  |  আপডেট ৫:৫৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২০ | প্রিন্ট  | 133

‘রেলে ভোগান্তি কমেছে’

একসময় রেল ভ্রমণে টিকেট পাওয়া খুব দুষ্কর ছিল। বর্তমানে ই-সেবা চালু হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমেছে। রেলসেবা আধুনিকায়নের ফলে টিকেটের জন্য এখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না। গত ১৬ আগস্ট থেকে রেলভ্রমণে যুক্ত হয়েছিলো নতুন পদ্ধতি ‘টিকিট যার ভ্রমণ তার।’ এতে দালালদের কালোবাজারির ছোবল থেকে মুক্ত হয়েছে সাধারণ যাত্রীরা। যদিও এ নিয়ম থেকে কিছুটা সরে এসেছে কর্তৃপক্ষ।

এর আগে রেলপথ মন্ত্রণালয় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিল। ২০১১ সালে তা পৃথক করে স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। পরবর্তীতে রেল সেবায় যুক্ত হতে থাকে আধুনিক পদ্ধতি। বাংলাদেশ সরকার রেলওয়েতে ২০১২ সালের ২৯ মে চালু করে ই-সেবা। যা রেলওয়ে আধুনিকায়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। শুধু টিকেটই নয়, ই-সেবার মাধ্যমে যাত্রীরা ঘরে বসেই পাচ্ছে রেল সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য।


অনলাইনে টিকেট সংগ্রহে ব্যবহার করতে হবে রেলওয়ের নিজস্ব অ্যাপ বা ওয়েবসাইট। নিজস্ব পরিচয়পত্র বা জন্ম সনদ ব্যবহার করে একজন যাত্রী এক আইডি কার্ডে পরিবারের সর্বোচ্চ চারজন সদস্যের টিকেট সংগ্রহ ও ট্রেন ভ্রমণ করতে পারবে।

রেল পথের যাত্রা শুরু ব্রিটিশ আমল থেকে। এই উপমহাদেশে ১৮৪৯ সালে রেল পথের যাত্রা শুরু হয়। ব্রিটিশ সরকার ধীরে ধীরে ভারতবর্ষ জুড়ে রেলপথ স্থাপন করে। বাংলাদেশ ভূখণ্ডে রেলপথ আসার অন্যতম রাজনৈতিক কারণ ছিল বার্মার (বর্তমানে মায়ানমার) সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮৬২ সালে কলকাতা থেকে ঢাকায় সংযোগ স্থাপনের কাজ শুরু হয়।

বাংলাদেশের প্রথম রেলওয়ে স্টেশন কুষ্টিয়ার জগতি রেলওয়ে স্টেশন। এরপর ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন স্থানে রেলপথ চালু হয়। রেলওয়ে বরাবরই সরকারি প্রতিষ্ঠান। কোনো ব্যক্তি মালিকানাধীন নয়।

রেলওয়েতে সরকার প্রদত্ত কোনো নিয়মকানুন ভঙ্গ করা আইনত অপরাধ। যা ফৌজদারি আইনের অন্তর্গত। তবে ক্ষেত্র বিশেষ দেওয়ানি আইন হিসেবে কার্যকর হয়। রেলওয়ে আইন পরিচালিত হয় রেলওয়ে আইন ১৮৯০-এর মাধ্যমে। আইন প্রয়োগকারি সংস্থা হিসেবে কাজ করছে রেলওয়ে পুলিশ।

বর্তমানে সংযুক্ত নতুন পদ্ধতিতে অন্যের টিকেটে কোনো ব্যক্তি ভ্রমণ করলে জালিয়াতি ও অগ্রহণযোগ্য হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে রেলওয়ে বিভাগের জন্য সরকার প্রদত্ত নিয়ম ও আধুনিক প্রযুক্তিগত সেবা গ্রহণ করা সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য।

লেখক: শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

Source link

শেয়ার করুন..

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
ঘোষনা : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া খবরা খবর জানাতে আমাদের ফোন করুন-০১৭১৩৫৭৩৫০২ এই নাম্বারে ☎ গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সমূহ : ☎ জরুরী সেবা : ৯৯৯ ☎ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২☎ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ☎ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০☎ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ☎ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮☎ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ☎ শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র : ০১৩২০১০৪৩৩৩ ☎ ওসি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা : ০১৩২০১৮২৮২৬ ☎ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, পূর্বধলা: ০১৭০০৭১৭২১২/০৯৫৩২৫৬১০৬ ☎ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮৩৮৭৫৮৭/০১৭০৮৪১৫০২২ ☎ উপজেলা মৎস্য অফিসার, পূর্বধলা : ০১৫১৫-৬১৪৯২১ ☎ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পূর্বধলা : ০১৯৯০-৭০৩০২০ ☎ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮-৭২৮২৯৪ ☎ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্বধলা :০১৭০৮-১৬১৪৫৭ ☎ উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৯১৪-৯১৯৯৩৮ ☎ উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, পূর্বধলা : ০১৯১৬-৮২৬৬৬৮ ☎ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১১-৭৮৯৭৯৮ ☎ উপজেলা কৃষি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৬-৭৯৮৯৪৬ ☎ উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৫-৪৭৪২৯৬ ☎ উপজেলা সমবায় অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৭-০৪৩৬৩৯ ☎ সম্পাদক পূর্বকন্ঠ ☎ ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ☎
মোঃ শফিকুল আলম শাহীন সম্পাদক ও প্রকাশক
পূর্বকণ্ঠ ২০১৬ সালে তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা।

হেল্প লাইনঃ +৮৮০৯৬৯৬৭৭৩৫০২

E-mail: info@purbakantho.com