নেত্রকোনা ০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গামাটিতে গুর্খা জনগোষ্টীর গোরখালী ভাষা, সংস্কৃতি ও শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

  • আপডেট : ০৬:২১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২০
  • ১১৮৬ বার পঠিত

মহুয়া জান্নাত মনি,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:
রাঙ্গামাটিতে গুর্খা জনগোষ্টীর গোরখালী ভাষা, সংস্কৃতি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট শীর্ষক সেমিনার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা এবং রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের আয়োজনে শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের পরিচালক রুনেল চাকমা, রাঙ্গামাটির বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিক ও লেখক শিশির চাকমা, রাঙ্গামাটি মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ম্যানাজার রনজিত বাহাদুর রায়, গুর্খা কালচারাল ফোরামের সদস্য সুজিত নেওয়ার, রুপশ্রী নেওয়ার’সহ গুর্খা জনগোষ্টীর নের্তবৃন্দরা।

১৮৭১ সনে পার্বত্য চট্টগ্রামে গুর্খা জনগোষ্ঠির আগমন, গুর্খা রেজিমেন্ট, ভাষা, সংস্কৃতি কৃষ্টি কালচার ও পূর্ব ইতিহাস নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ পাঠ করেন সাংস্কৃতিক সংগঠন সুর নিকেতন ও গুর্খা কালচারাল ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মনোজ বাহাদুর গুর্খা।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, প্রত্যেক জাতির নিজেদের ঐতিহ্য, ভাষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হবে। অন্য কেউ এসে সেগুলো টিকিয়ে রাখবেনা। আর এই সকল বিষয়গুলো বাঁচিয়ে রাখতে হলে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যেতে হবে। বক্তরা বলেন, অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর তুলানায় শিক্ষাদীক্ষায় গুর্খা জনগোষ্ঠীরা অনেক অনেক পিছিয়ে। তাই আমাদের নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। বক্তরা বলেন, গুর্খা জনগোষ্টীর যে সমস্ত ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি কর্মকান্ড রয়েছে সেগুলো উপস্থাপনের মাধ্যমেও জনপ্রীয়তা অর্জন ও পরিচিতি লাভ করা সম্ভব। তাই সংস্কৃতিগুলোকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সকল সম্প্রদায়ের প্রতি আন্তরিক। তাই অন্যান্য নৃ-গোষ্ঠির ন্যয় গুর্খা সম্প্রদায়কেও নৃ-গোষ্ঠির তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। তাই সরকার প্রদত্ত সকল সুযোগ সুবিধাগুলোকে কাজে লাগিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
উল্লেখ, বর্তমান সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ২৩ মার্চ ২০১৯ তারিখের প্রকাশিত গেজেটে বাংলাদেশের মোট ৫০ টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির তালিকায় গুর্খাদের ৩০ নম্বর ক্রমিকে অন্তভুক্ত করা হয়েছে। গুর্খাদের কাছে এ স্বীকৃতি এক অনন্য আর্শিবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

রাঙ্গামাটিতে গুর্খা জনগোষ্টীর গোরখালী ভাষা, সংস্কৃতি ও শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আপডেট : ০৬:২১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২০

মহুয়া জান্নাত মনি,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:
রাঙ্গামাটিতে গুর্খা জনগোষ্টীর গোরখালী ভাষা, সংস্কৃতি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট শীর্ষক সেমিনার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা এবং রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের আয়োজনে শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের পরিচালক রুনেল চাকমা, রাঙ্গামাটির বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিক ও লেখক শিশির চাকমা, রাঙ্গামাটি মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ম্যানাজার রনজিত বাহাদুর রায়, গুর্খা কালচারাল ফোরামের সদস্য সুজিত নেওয়ার, রুপশ্রী নেওয়ার’সহ গুর্খা জনগোষ্টীর নের্তবৃন্দরা।

১৮৭১ সনে পার্বত্য চট্টগ্রামে গুর্খা জনগোষ্ঠির আগমন, গুর্খা রেজিমেন্ট, ভাষা, সংস্কৃতি কৃষ্টি কালচার ও পূর্ব ইতিহাস নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ পাঠ করেন সাংস্কৃতিক সংগঠন সুর নিকেতন ও গুর্খা কালচারাল ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মনোজ বাহাদুর গুর্খা।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, প্রত্যেক জাতির নিজেদের ঐতিহ্য, ভাষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হবে। অন্য কেউ এসে সেগুলো টিকিয়ে রাখবেনা। আর এই সকল বিষয়গুলো বাঁচিয়ে রাখতে হলে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যেতে হবে। বক্তরা বলেন, অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর তুলানায় শিক্ষাদীক্ষায় গুর্খা জনগোষ্ঠীরা অনেক অনেক পিছিয়ে। তাই আমাদের নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। বক্তরা বলেন, গুর্খা জনগোষ্টীর যে সমস্ত ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি কর্মকান্ড রয়েছে সেগুলো উপস্থাপনের মাধ্যমেও জনপ্রীয়তা অর্জন ও পরিচিতি লাভ করা সম্ভব। তাই সংস্কৃতিগুলোকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সকল সম্প্রদায়ের প্রতি আন্তরিক। তাই অন্যান্য নৃ-গোষ্ঠির ন্যয় গুর্খা সম্প্রদায়কেও নৃ-গোষ্ঠির তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। তাই সরকার প্রদত্ত সকল সুযোগ সুবিধাগুলোকে কাজে লাগিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
উল্লেখ, বর্তমান সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ২৩ মার্চ ২০১৯ তারিখের প্রকাশিত গেজেটে বাংলাদেশের মোট ৫০ টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির তালিকায় গুর্খাদের ৩০ নম্বর ক্রমিকে অন্তভুক্ত করা হয়েছে। গুর্খাদের কাছে এ স্বীকৃতি এক অনন্য আর্শিবাদ।