নেত্রকোনা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে অবৈধভাবে পাচার কালে দেড় টন মাছ উদ্ধার

  • আপডেট : ০৭:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ১২৪৭ বার পঠিত

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙামাটি প্রতিনিধি:
রাঙামাটিতে অবৈধভাবে পাচার কালে দেড় টন মাছ উদ্ধার করেছে বাংলাদশে মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। বৃষ্পতিবার ভোর রাতে কয়লারমুখ ফারি এলাকা থেকে এ মাছ উদ্ধার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাঙামাটি কয়লারমুখ ফারি এলাকায় অভিযানে নামে বাংলাদশে মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের রাঙামাটি জেলা ব্যবস্থাপক লে. কমান্ডার এম. তৌহিদুল ইসলাম। এসময় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের প্রায় দেড় টন মাছ অবৈধভাবে পাচারের জন্য একটি ছোট ট্ট্রাক (পিকআপ) করে নিয়ে যাচ্ছিল। এসময় রাঙামাটি বিএফডিসি কর্মকর্তারা গাড়িটি আটক করে এবং দেড়টন মাছ জব্দ করেন। এসময় ট্টাক মালিক ও চালককে আটক করে জেলা মৎস্য উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়ে আসা হয়।

এব্যাপারে বাংলাদশে মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের রাঙামাটি জেলা ব্যবস্থাপক লে. কমান্ডার এম. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মাত্র ৬০০ কেজি মাছের শুল্ক দিয়ে অবৈধ পথে দেড়টন মাছ পাচার করতে চেষ্টা করছিল একটি চক্র। কিন্তু গোপনে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমরা মাছগুলো উদ্ধার করতে পেরেছি। জব্দকৃর্ত মাছ পরে নিলাম করা হবে। অভিযান চলাকালে চালক ও ট্টাক মালিকে মুছলেখা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের মাছের সুরক্ষার জন্য এটি একটি নিয়মিত অভিযান। একই সাথে যারা শুল্ক ফাকি দিবে, তাদের সব মাছ বাজপ্ত করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অসাধু মাছ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিশেষ নজড়দাড়ি রাখা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

রাঙামাটিতে অবৈধভাবে পাচার কালে দেড় টন মাছ উদ্ধার

আপডেট : ০৭:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙামাটি প্রতিনিধি:
রাঙামাটিতে অবৈধভাবে পাচার কালে দেড় টন মাছ উদ্ধার করেছে বাংলাদশে মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। বৃষ্পতিবার ভোর রাতে কয়লারমুখ ফারি এলাকা থেকে এ মাছ উদ্ধার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাঙামাটি কয়লারমুখ ফারি এলাকায় অভিযানে নামে বাংলাদশে মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের রাঙামাটি জেলা ব্যবস্থাপক লে. কমান্ডার এম. তৌহিদুল ইসলাম। এসময় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের প্রায় দেড় টন মাছ অবৈধভাবে পাচারের জন্য একটি ছোট ট্ট্রাক (পিকআপ) করে নিয়ে যাচ্ছিল। এসময় রাঙামাটি বিএফডিসি কর্মকর্তারা গাড়িটি আটক করে এবং দেড়টন মাছ জব্দ করেন। এসময় ট্টাক মালিক ও চালককে আটক করে জেলা মৎস্য উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়ে আসা হয়।

এব্যাপারে বাংলাদশে মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের রাঙামাটি জেলা ব্যবস্থাপক লে. কমান্ডার এম. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মাত্র ৬০০ কেজি মাছের শুল্ক দিয়ে অবৈধ পথে দেড়টন মাছ পাচার করতে চেষ্টা করছিল একটি চক্র। কিন্তু গোপনে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমরা মাছগুলো উদ্ধার করতে পেরেছি। জব্দকৃর্ত মাছ পরে নিলাম করা হবে। অভিযান চলাকালে চালক ও ট্টাক মালিকে মুছলেখা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের মাছের সুরক্ষার জন্য এটি একটি নিয়মিত অভিযান। একই সাথে যারা শুল্ক ফাকি দিবে, তাদের সব মাছ বাজপ্ত করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অসাধু মাছ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিশেষ নজড়দাড়ি রাখা হয়েছে।