নেত্রকোনা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

যেসব যুদ্ধাপরাধী বিচারের আওতায় আসেনি তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে-কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষন ও নতুন প্রজন্মকে পাকিস্থানী বাহিনীর নির্মমতা জানানোর জন্যে বধ্যভুমি সংস্কার ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা।

তিনি বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইলের জেলা সদর পানির ট্যাংক সংলগ্ন বধ্যভুমির সংস্কার ও নবনির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেয়ার আগে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলমান আছে। যারা বিচারের আওতায় আসেনি তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

টাঙ্গাইলের প্রশাসক শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেনÑ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সংসদ সদস্য আলহাজ ছানোয়ার হোসেন ও তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার উল আলম শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফউজ্জামান স্মৃতি প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার কাজী গোলাম আহাদ।

এ সময় শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী রাজাকারদের সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী বীর বাঙ্গালীদের ধরে এনে নির্যাতন করে হত্যা করে তাদের লাশ টাঙ্গাইল জেলা সদর পানির ট্যাংক সংলগ্ন স্থানের জঙ্গলে ফেলে দিত। এই বধ্যভূমিটি দীর্ঘদিন অযতœ-অবহেলায় পড়ে ছিল। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই বধ্যভূমির স্থান সংস্কার করে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

যেসব যুদ্ধাপরাধী বিচারের আওতায় আসেনি তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে-কৃষিমন্ত্রী

আপডেট : ০৭:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষন ও নতুন প্রজন্মকে পাকিস্থানী বাহিনীর নির্মমতা জানানোর জন্যে বধ্যভুমি সংস্কার ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা।

তিনি বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইলের জেলা সদর পানির ট্যাংক সংলগ্ন বধ্যভুমির সংস্কার ও নবনির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেয়ার আগে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলমান আছে। যারা বিচারের আওতায় আসেনি তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

টাঙ্গাইলের প্রশাসক শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেনÑ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সংসদ সদস্য আলহাজ ছানোয়ার হোসেন ও তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার উল আলম শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফউজ্জামান স্মৃতি প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার কাজী গোলাম আহাদ।

এ সময় শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী রাজাকারদের সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী বীর বাঙ্গালীদের ধরে এনে নির্যাতন করে হত্যা করে তাদের লাশ টাঙ্গাইল জেলা সদর পানির ট্যাংক সংলগ্ন স্থানের জঙ্গলে ফেলে দিত। এই বধ্যভূমিটি দীর্ঘদিন অযতœ-অবহেলায় পড়ে ছিল। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই বধ্যভূমির স্থান সংস্কার করে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।