নেত্রকোনা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু কাশ্মীর, ঢাকা

  • আপডেট : ০৭:২৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯
  • ১১৭১ বার পঠিত

পূর্বকন্ঠ ডেস্ক : গতকাল বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ও স্বায়ত্তশাসনে যে পরিবর্তন এসেছে সে বিষয়টিকে ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু’ বলছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার বিভাগের সহকারী সচিব মো. মাসুদ পারভেজ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মনে করে, ভারতীয় সংবিধানে ৩৭০ ধারা বাতিল দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশ নীতিগতভাবে সব সময়ই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী।

একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা এই অঞ্চলের সব দেশের জন্য অগ্রাধিকার।

এদিকে গত সোমবার রাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশ সফরে আসেন। মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে দেখা করেন তিনি। এ সময় অক্টোবরে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারতে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিঠি তুলে দেন। গতকাল বুধবার সকালে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এরপরই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিজ্ঞপ্তি দিল।

৩৭০ ধারা হলো ভারতীয় সংবিধানের একটি অস্থায়ী বিধান (‘টেম্পোরারি প্রভিশন’)। এই ধারার আওতায় জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছিল। ৩৭০ ধারা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালের ১৭ অক্টোবর।

এই ধারার আওতায় জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতীয় সংবিধানের আওতামুক্ত রাখা হয় (অনুচ্ছেদ ১ ব্যতিরেকে) এবং ওই রাজ্যকে নিজস্ব সংবিধানের খসড়া তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়।

৩৭০ ধারা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, অর্থ এবং যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে জম্মু-কাশ্মীরে হস্তক্ষেপের অধিকার ছিল না কেন্দ্রীয় সরকারের। এমনকি কোনো আইন প্রণয়নের অধিকার ছিল না কেন্দ্র বা সংসদেরও। আইন প্রণয়ন করতে হলে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের সম্মতি নিতে হতো। গত ৫ আগস্ট সেই ৩৭০ নম্বর ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু কাশ্মীর, ঢাকা

আপডেট : ০৭:২৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯

পূর্বকন্ঠ ডেস্ক : গতকাল বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ও স্বায়ত্তশাসনে যে পরিবর্তন এসেছে সে বিষয়টিকে ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু’ বলছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার বিভাগের সহকারী সচিব মো. মাসুদ পারভেজ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মনে করে, ভারতীয় সংবিধানে ৩৭০ ধারা বাতিল দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশ নীতিগতভাবে সব সময়ই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী।

একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা এই অঞ্চলের সব দেশের জন্য অগ্রাধিকার।

এদিকে গত সোমবার রাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশ সফরে আসেন। মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে দেখা করেন তিনি। এ সময় অক্টোবরে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারতে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিঠি তুলে দেন। গতকাল বুধবার সকালে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এরপরই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিজ্ঞপ্তি দিল।

৩৭০ ধারা হলো ভারতীয় সংবিধানের একটি অস্থায়ী বিধান (‘টেম্পোরারি প্রভিশন’)। এই ধারার আওতায় জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছিল। ৩৭০ ধারা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালের ১৭ অক্টোবর।

এই ধারার আওতায় জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতীয় সংবিধানের আওতামুক্ত রাখা হয় (অনুচ্ছেদ ১ ব্যতিরেকে) এবং ওই রাজ্যকে নিজস্ব সংবিধানের খসড়া তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়।

৩৭০ ধারা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, অর্থ এবং যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে জম্মু-কাশ্মীরে হস্তক্ষেপের অধিকার ছিল না কেন্দ্রীয় সরকারের। এমনকি কোনো আইন প্রণয়নের অধিকার ছিল না কেন্দ্র বা সংসদেরও। আইন প্রণয়ন করতে হলে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের সম্মতি নিতে হতো। গত ৫ আগস্ট সেই ৩৭০ নম্বর ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।