রবিবার ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ব্রিজের মাঝের অংশ ধ্বসে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাত গ্রামের মানুষ

মামুন সরকার, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:  |  আপডেট ১২:২৮ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২১ জুন ২০২০ | প্রিন্ট  | 310

ব্রিজের মাঝের অংশ ধ্বসে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাত গ্রামের মানুষ

টাঙ্গাইলের গোপালপুল উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের পাকুটিয়া গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে চলেছে ঝিনাই নদী। ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সাত গ্রামের মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে ২০০৪ সালে নদীর ওপর নির্মাণ করা হয় এই ব্রিজটি।

কিন্তু ২০১৪ সালে হঠাৎ ব্রিজটির মাঝের অংশ ধ্বসে পড়ে। এতে দুই গ্রামের মানুষের একমাত্র যোগাযোগের পথ বন্ধ হয়ে যায়। এই দীর্ঘ সময়ে ব্রিজটি মেরামত না করায় ওই দুই এলাকার মানুষেরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।


সরেজমিনে দেখা যায়, গোপালপুল উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের পূর্ব ও পশ্চিম পাকুটিয়া গ্রামের ঝিনাই নদীর দু’পাশে ব্রিজটির কিছু অংশ রয়েছে। শুধু মাঝখানের অংশ ভেঙে ব্রিজটির দু’পাশের অংশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে নদীর এক পাড় হতে আরেক পাড়ে যাওয়ার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

জানা যায়, নদীর পশ্চিম পাড়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্ব পাড়ে উচ্চবিদ্যালয় ও বাজার রয়েছে। এই ব্রিজটি ব্যবহার করে গোপালপুল উপজেলার ঝাওয়াইল ও হাদিরা ইউনিয়নের সাত গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু ২০১৪ সালে ব্রিজটির মাঝের অংশ ভেঙে গেলেও দীর্ঘ ছয় বছরেও সেটি পুনর্নির্মাণ করা হয়নি। এতে সাত গ্রামের মানুষেরা পড়েছে চরম দুর্ভোগে।

ওই গ্রামের স্কুল শিক্ষক আব্দুল লতিফ জানান, ব্রিজটি দিয়ে সাত গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ নিয়মিত পণ্য পরিবহণ ও যাতায়াত করতেন। কিন্তু সেটি ভেঙে যাবার পর এখন খেয়া নৌকাই একমাত্র ভরসা। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা নৌকায় পাড় স্কুলে অাসতে চায়না। এমনকি তাদের বাবা মা বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পায়। তিনি দাবি করেন যত দ্রুত সম্ভব ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের।

এ বিষয়ে ঝাওয়াইল ইউপি সদস্য শরীফ হোসেন জানান, এলজিইডি দ্রুত সংস্কার না করায় ২০১৫ সালের মে মাসে মাঝখানের গার্ডারসহ সেতুটির ৫৪ ফিট নদীতে ভেঙ্গে পড়ে। তখন থেকেই ব্রিজটি বন্ধ রয়েছে। বর্ষার মৌসুমে অনেক ঝুঁকি নিয়ে লোকজন নদী পাড় হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটে থাকে।

ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এলাকার মানুষের দুর্ভোগের চিত্র দেখানো হয়েছে। এলজিইডি কারিগরি জরিপ করে গেছেন। কিন্তু ব্রিজ পুনর্নির্মাণের কোনো লক্ষণ নেই।

আর এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদ হোসেন জানান, এলজিইডির ‘টাঙ্গাইল প্রকল্প’-এর আওতায় আরসিসি গার্ডার ব্রিজ করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে কাজ করা হবে।

শেয়ার করুন..

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
এক ক্লিকে বিভাগের খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
ঘোষনা : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া খবরা খবর জানাতে আমাদের ফোন করুন-০১৭১৩৫৭৩৫০২ এই নাম্বারে ☎ গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সমূহ : ☎ জরুরী সেবা : ৯৯৯ ☎ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২☎ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ☎ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০☎ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ☎ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮☎ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ☎ শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র : ০১৩২০১০৪৩৩৩ ☎ ওসি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা : ০১৩২০১৮২৮২৬ ☎ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, পূর্বধলা: ০১৭০০৭১৭২১২/০৯৫৩২৫৬১০৬ ☎ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮৩৮৭৫৮৭/০১৭০৮৪১৫০২২ ☎ উপজেলা মৎস্য অফিসার, পূর্বধলা : ০১৫১৫-৬১৪৯২১ ☎ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পূর্বধলা : ০১৯৯০-৭০৩০২০ ☎ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮-৭২৮২৯৪ ☎ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্বধলা :০১৭০৮-১৬১৪৫৭ ☎ উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৯১৪-৯১৯৯৩৮ ☎ উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, পূর্বধলা : ০১৯১৬-৮২৬৬৬৮ ☎ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১১-৭৮৯৭৯৮ ☎ উপজেলা কৃষি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৬-৭৯৮৯৪৬ ☎ উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৫-৪৭৪২৯৬ ☎ উপজেলা সমবায় অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৭-০৪৩৬৩৯ ☎ সম্পাদক পূর্বকন্ঠ ☎ ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ☎
মোঃ শফিকুল আলম শাহীন সম্পাদক ও প্রকাশক
পূর্বকণ্ঠ ২০১৬ সালে তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা।

হেল্প লাইনঃ +৮৮০৯৬৯৬৭৭৩৫০২

E-mail: info@purbakantho.com