নেত্রকোনা ০২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বারহাট্টায় স্বামীর আঘাতে স্ত্রী নিহত, আটক স্বামী

  • আপডেট : ০৭:১৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ২৪২

কে. এম. সাখাওয়াত হোসেন, নেত্রকোনা :

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের প্রেমনগর কান্দাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী নাজমা আক্তার (২২) পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর টর্চ লাইটের আঘাতে বুধবার রাতে খুন হয়েছেন। নাজমা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের চাট্টা গ্রামের কিতাব আলীর মেয়ে। এলাকাবাসী রফিকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের চাট্টা গ্রামের কিতাব আলীর মেয়ে নাজমা আক্তারের সাথে প্রায় চার বছর আগে একই উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের প্রেমনগর কান্দাপাড়া গ্রামের আক্তার উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর তাদের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হলে নাজমাকে প্রায়শই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত তার স্বামী।

সম্প্রতি নাজমা বাবার বাড়িতে চলে আসলে গত বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রফিকুল ইসলাম শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসে এবং স্ত্রী নাজমাকে তার সাথে বাড়ি যাবার কথা বলে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বুধবার গভীর রাতে বাড়ির সামনের পুকুর পাড়ে টর্চ লাইট দিয়ে নাজমার মাথায় আঘাত করে রফিকুল ইসলাম। এতে নাজমা আক্তার ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বদরুল আলম খান বলেন, বৃহস্পতিবার বিকাল দিকে বারহাট্টা থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে ও স্বামী রফিকুলকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমাদের প্রকাশনা “পূর্বকন্ঠ” স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব।

ইরাকে সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, হতাহত ৯

বারহাট্টায় স্বামীর আঘাতে স্ত্রী নিহত, আটক স্বামী

আপডেট : ০৭:১৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কে. এম. সাখাওয়াত হোসেন, নেত্রকোনা :

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের প্রেমনগর কান্দাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী নাজমা আক্তার (২২) পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর টর্চ লাইটের আঘাতে বুধবার রাতে খুন হয়েছেন। নাজমা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের চাট্টা গ্রামের কিতাব আলীর মেয়ে। এলাকাবাসী রফিকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের চাট্টা গ্রামের কিতাব আলীর মেয়ে নাজমা আক্তারের সাথে প্রায় চার বছর আগে একই উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের প্রেমনগর কান্দাপাড়া গ্রামের আক্তার উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর তাদের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হলে নাজমাকে প্রায়শই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত তার স্বামী।

সম্প্রতি নাজমা বাবার বাড়িতে চলে আসলে গত বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রফিকুল ইসলাম শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসে এবং স্ত্রী নাজমাকে তার সাথে বাড়ি যাবার কথা বলে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বুধবার গভীর রাতে বাড়ির সামনের পুকুর পাড়ে টর্চ লাইট দিয়ে নাজমার মাথায় আঘাত করে রফিকুল ইসলাম। এতে নাজমা আক্তার ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বদরুল আলম খান বলেন, বৃহস্পতিবার বিকাল দিকে বারহাট্টা থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে ও স্বামী রফিকুলকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি।