নেত্রকোনা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা কি যথার্থ ?

ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্ররুয়ারী, যা বাঙ্গালীকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে করেছে গর্বিত,সেই সংগ্রামী আন্দোলনের অসাম্প্রদায়িক চেতনা বাঙ্গালীকে করেছিলো জাগ্রত,সেখান থেকেই স্বায়ত্বশাসন আর স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে ধাবিত।

ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই সম্ভবত বাঙ্গালিরা সবচাইতে বেশী পরিচিত হয়েছিলো ১৪৪ ধারা নামক জন নিরাপত্তার আইনটির সাথে, যদিও বৃটিশ শাসনামলেও বাকস্বাধীনতাকে হরন বা গনতান্ত্রিক চেতনার বিকাশকে রোধ করার জন্য এই আইনটি ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছিলো।

আইনের প্রায়োগিক ব্যাখা বা সীমিত ধারনার মধ্যে থেকে যতটুকু বুঝি তাতে মনে হয আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের সম্ভাবনায় এই আইনটির প্রযোগ যথার্থ, কিন্তু যেখানে শান্তির ধর্ম ইসলাম প্রচার বা প্রচারের উদ্দেশ্যে আয়োজিত হয সমাবেশ, আমরা নিঃসন্দেহে ধরে নেই এটার উদ্দেশ্য মহৎ।

তাহলে এমন কেন হলো যে ১৪৪ ধারা প্রয়োগের মাধ্যমে সেই রকম একটি সমাবেশ ভেঙ্গে দিয়ে প্রমান করতে হলো সেখানেও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের সম্ভাবনা বিদ্যমান ছিল ? যেখানে অসম্প্রদাযিক চেতনায সৃষ্ট এই বাংলাদেশে বর্তমানে সাম্প্রদায়িক শক্তি বারবার মাথাচাড়া দিয়ে সরকারকে ব্যতিব্যাস্ত করে তুলছে সেখানে আমাদের মনে রাখা উচিত স্পর্শকাতর বিষয় গুলো এদেশের মানুষকে সহসাই আবেগতাড়িত করে তুলে, এতে অনেক সময় সরকারকেই বিব্রত হতে হয়।

তাই প্রয়োগিক সংস্হাকেই এইরকম সভার আয়োজকদের উদ্দেশ্যের প্রতি নজর রেখে অনুমতি প্রদান বান্চনীয় নয় কি ?

লেখক: মো. এমদাদুল হক বাবুল, প্রভাষক-পূর্বধলা সরকারি কলেজ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২
জনপ্রিয়

প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা কি যথার্থ ?

আপডেট : ০৭:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্ররুয়ারী, যা বাঙ্গালীকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে করেছে গর্বিত,সেই সংগ্রামী আন্দোলনের অসাম্প্রদায়িক চেতনা বাঙ্গালীকে করেছিলো জাগ্রত,সেখান থেকেই স্বায়ত্বশাসন আর স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে ধাবিত।

ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই সম্ভবত বাঙ্গালিরা সবচাইতে বেশী পরিচিত হয়েছিলো ১৪৪ ধারা নামক জন নিরাপত্তার আইনটির সাথে, যদিও বৃটিশ শাসনামলেও বাকস্বাধীনতাকে হরন বা গনতান্ত্রিক চেতনার বিকাশকে রোধ করার জন্য এই আইনটি ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছিলো।

আইনের প্রায়োগিক ব্যাখা বা সীমিত ধারনার মধ্যে থেকে যতটুকু বুঝি তাতে মনে হয আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের সম্ভাবনায় এই আইনটির প্রযোগ যথার্থ, কিন্তু যেখানে শান্তির ধর্ম ইসলাম প্রচার বা প্রচারের উদ্দেশ্যে আয়োজিত হয সমাবেশ, আমরা নিঃসন্দেহে ধরে নেই এটার উদ্দেশ্য মহৎ।

তাহলে এমন কেন হলো যে ১৪৪ ধারা প্রয়োগের মাধ্যমে সেই রকম একটি সমাবেশ ভেঙ্গে দিয়ে প্রমান করতে হলো সেখানেও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের সম্ভাবনা বিদ্যমান ছিল ? যেখানে অসম্প্রদাযিক চেতনায সৃষ্ট এই বাংলাদেশে বর্তমানে সাম্প্রদায়িক শক্তি বারবার মাথাচাড়া দিয়ে সরকারকে ব্যতিব্যাস্ত করে তুলছে সেখানে আমাদের মনে রাখা উচিত স্পর্শকাতর বিষয় গুলো এদেশের মানুষকে সহসাই আবেগতাড়িত করে তুলে, এতে অনেক সময় সরকারকেই বিব্রত হতে হয়।

তাই প্রয়োগিক সংস্হাকেই এইরকম সভার আয়োজকদের উদ্দেশ্যের প্রতি নজর রেখে অনুমতি প্রদান বান্চনীয় নয় কি ?

লেখক: মো. এমদাদুল হক বাবুল, প্রভাষক-পূর্বধলা সরকারি কলেজ।