নেত্রকোনা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পূর্বধলা হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে চুরির মামলা

নেত্রকোনা পূর্বধলা উপজেলা সদরের হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার পুরাতন ভবনের ইট, টিন, রড, সিমেন্টের পিলার ও  দরজা জানালা চুরির অপরাধে ওই মাদ্রাসার তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত সোমবার (২০ জানুয়ারী) নেত্রকোণা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মাদ্রাসার নির্মাণ সামগ্রি ও আসবাবপত্র চুরির অভিযোগে এই মামলা করেন উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবদুস সবুর মহসিন।

মামলার বিবরনে জানা যায়, পূর্বধলার হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসাটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। নয়াপাড়া গ্রামের আঃ মজিদ ২৪ শতাংশ ভূমি দলিল মূলে মাদ্রাসার কাছে বিক্রি করেন।

মাদ্রাসার জায়গা সংকুলান না হওয়ায় গত ৭-৮ মাস আগে আবদুল মজিদের ছেলে ও পরিবারের অন্যরা সদস্যরা আরও ১৬ শতাংশ জায়গা মাদ্রাসার নামে দান করেন।

এরই মধ্যে মাদ্রাসায় ৪র্থ তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। নতুন ভবন নির্মাণের আগে তিনটি পুরাতন বিল্ডিংয়ের একটি হাফ বিল্ডিং, অপর একটি হাফ বিল্ডিংয়ের আংশিক ও একটি টিনশেড ঘর ভেঙ্গে আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ইট, টিন, রড, সিমেন্টের পিলার, দরজা জানালাসহ প্রায় ২ লাখ ১৬ হাজার টাকার মালামাল হেন্ডট্রলি দিয়ে নিয়ে যায়। এ ছাড়া প্রায় ৫০ হাজার টাকার বিভিন্ন মালামালের ক্ষতি সাধন করে।

এসব বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মো. আবদুস সবুর ওরফে মহসিন বাদী হয়ে নেত্রকোণা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম (৪৮), মাদ্রাসার শরীরচর্চা শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান ওরফে নাইম (৫২) ও মাদ্রাসার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক আবুল কাশেম খানের (৪০) বিরুদ্ধে এই মামলা করেন।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

পূর্বধলা হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে চুরির মামলা

আপডেট : ০৮:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

নেত্রকোনা পূর্বধলা উপজেলা সদরের হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার পুরাতন ভবনের ইট, টিন, রড, সিমেন্টের পিলার ও  দরজা জানালা চুরির অপরাধে ওই মাদ্রাসার তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত সোমবার (২০ জানুয়ারী) নেত্রকোণা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মাদ্রাসার নির্মাণ সামগ্রি ও আসবাবপত্র চুরির অভিযোগে এই মামলা করেন উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবদুস সবুর মহসিন।

মামলার বিবরনে জানা যায়, পূর্বধলার হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসাটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। নয়াপাড়া গ্রামের আঃ মজিদ ২৪ শতাংশ ভূমি দলিল মূলে মাদ্রাসার কাছে বিক্রি করেন।

মাদ্রাসার জায়গা সংকুলান না হওয়ায় গত ৭-৮ মাস আগে আবদুল মজিদের ছেলে ও পরিবারের অন্যরা সদস্যরা আরও ১৬ শতাংশ জায়গা মাদ্রাসার নামে দান করেন।

এরই মধ্যে মাদ্রাসায় ৪র্থ তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। নতুন ভবন নির্মাণের আগে তিনটি পুরাতন বিল্ডিংয়ের একটি হাফ বিল্ডিং, অপর একটি হাফ বিল্ডিংয়ের আংশিক ও একটি টিনশেড ঘর ভেঙ্গে আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ইট, টিন, রড, সিমেন্টের পিলার, দরজা জানালাসহ প্রায় ২ লাখ ১৬ হাজার টাকার মালামাল হেন্ডট্রলি দিয়ে নিয়ে যায়। এ ছাড়া প্রায় ৫০ হাজার টাকার বিভিন্ন মালামালের ক্ষতি সাধন করে।

এসব বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মো. আবদুস সবুর ওরফে মহসিন বাদী হয়ে নেত্রকোণা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম (৪৮), মাদ্রাসার শরীরচর্চা শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান ওরফে নাইম (৫২) ও মাদ্রাসার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক আবুল কাশেম খানের (৪০) বিরুদ্ধে এই মামলা করেন।