নেত্রকোনা ১১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পূর্বধলায় ৩মাসের শিশু কন্যাকে হত্যার দায়ে চাচি আটক

  • আপডেট : ১১:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২
  • ১৫৯৮ বার পঠিত

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা :  নেত্রকোনার পূর্বধলায় পুকুরের পানিতে ফেলে ৩ মাাসের শিশু জনি আক্তারকে হত্যার ঘটনায় শিশুটির চাচি হেনা আক্তারকে (১৪) আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত হেনা আক্তার উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের কৈলাটি গ্রামের স্বাধীন মিয়ার স্ত্রী ও নিহত জনি আক্তার ওই গ্রামের এখলাছ মিয়ার কন্যা।,

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সোমবার বিকেলে তার কার্যালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।,

তিনি জানান, গত শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে কৈলাটি গ্রামের মো. এখলাস মিয়ার স্ত্রী নাছিমা খাতুন তাদের ৩মাসের শিশু কন্যা জনি আক্তারকে তার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি শ্বশুড়ের কাছে রেখে কিছু সময়ের জন্য গৃহস্থালীর কাজ করতে যান। ফিরে এসে দেখেন শশুরের কোলে শিশু নেই। জিজ্ঞেস করলে তার শশুর জানান, কেউ একজন তার কাছ থেকে শিশুটিকে নিয়ে গেছে।,

পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পাশে একটি পুকুরে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।,

ওসি আরও জানান, স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এমন রহস্যজনক তথ্য জানতে পেরে তিনি ঘটনার অনুসন্ধানে নামলে বেরিয়ে আসে হত্যা রহস্য। সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে আটক হয় শিশুটির ঘাতক চাচি হেনা আক্তার।

 

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত হেনা আক্তার হত্যার দায় স্বীকার করে জানান, তিনি তার শ্বশুরের কোল থেকে শিশুটিকে কোলে নিয়ে তার ঘরে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘরের দরজার চৌকাটে হোচট খেলে শিশুটি তার কোল থেকে পড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে শিশুটি মারা গেছে ভেবে তিনি শিশুটিকে পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।’

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

পূর্বধলায় ৩মাসের শিশু কন্যাকে হত্যার দায়ে চাচি আটক

আপডেট : ১১:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা :  নেত্রকোনার পূর্বধলায় পুকুরের পানিতে ফেলে ৩ মাাসের শিশু জনি আক্তারকে হত্যার ঘটনায় শিশুটির চাচি হেনা আক্তারকে (১৪) আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত হেনা আক্তার উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের কৈলাটি গ্রামের স্বাধীন মিয়ার স্ত্রী ও নিহত জনি আক্তার ওই গ্রামের এখলাছ মিয়ার কন্যা।,

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সোমবার বিকেলে তার কার্যালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।,

তিনি জানান, গত শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে কৈলাটি গ্রামের মো. এখলাস মিয়ার স্ত্রী নাছিমা খাতুন তাদের ৩মাসের শিশু কন্যা জনি আক্তারকে তার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি শ্বশুড়ের কাছে রেখে কিছু সময়ের জন্য গৃহস্থালীর কাজ করতে যান। ফিরে এসে দেখেন শশুরের কোলে শিশু নেই। জিজ্ঞেস করলে তার শশুর জানান, কেউ একজন তার কাছ থেকে শিশুটিকে নিয়ে গেছে।,

পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পাশে একটি পুকুরে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।,

ওসি আরও জানান, স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এমন রহস্যজনক তথ্য জানতে পেরে তিনি ঘটনার অনুসন্ধানে নামলে বেরিয়ে আসে হত্যা রহস্য। সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে আটক হয় শিশুটির ঘাতক চাচি হেনা আক্তার।

 

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত হেনা আক্তার হত্যার দায় স্বীকার করে জানান, তিনি তার শ্বশুরের কোল থেকে শিশুটিকে কোলে নিয়ে তার ঘরে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘরের দরজার চৌকাটে হোচট খেলে শিশুটি তার কোল থেকে পড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে শিশুটি মারা গেছে ভেবে তিনি শিশুটিকে পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।’