নেত্রকোনা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পূর্বধলায় নৌকার সমর্থক সাবেক ছাত্র লীগ নেতা গ্রেপ্তার

  • আপডেট : ১০:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৪
  • ২০৮৯ বার পঠিত

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা :  নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, কর্মী সমর্থকদের মারধর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামী নৌকার সমর্থক মুকুল কায়সার আকন্দকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে নেত্রকোনা ডিবি পুলিশ। আজ বুধবার সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মুকুল কায়সার পূর্বধলা হাসপাতাল রোড এলাকার মৃত কামাল কুদ্দুস আকন্দের ছেলে ও নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র ও বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক।

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে মুকুলকে আদালতে পাঠানো হবে। এই মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। সুষ্ঠু নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাদেপুটিকা ও ইচুলিয়া বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম সোহেল ফকিরের অস্থায়ী কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর ও তার সমর্থকদের ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাংচুর ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নৌকার প্রার্থী আহমদ হোসেনের সমর্থকরা। এ সময় তারা মাজহারুল ইসলাম সোহেল ফকিরের ১০/১৫ জন কর্মী-সমর্থকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে।

এদের মধ্যে গুরুতর আহত ভিতরগাঁও গ্রামের বোরহান উদ্দিন (৪৫), একই গ্রামের মোস্তফা (৩০) ও বাদেপুটিকা গ্রামের মঈন উদ্দিনকে (২৫) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম সোহেল ফকিরের সমর্থক উপজেলা সদরের কালাম মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়াা বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় কেন্দ্রীয় নেতা আহমদ হোসেনের ভাতিজা ধলা গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২৮) আবির (৩১), অপূর্ব (২৬), আল মামুন (২৮), আল আমিন (৩৫), মোজাম্মেল (২৫), সাগর (২৬), বাসার মন্ডল (৪৫), মোঃ মাসুদ (৩৫), সাইদুল (৩০), রাকিব (২৫), মাহবুবুর রহমান (৫২), আহনাফ হোসেন (২৯), সাব্বির (২০), কালাম তালুকদার (৪৮), তরিকুল ইসলাম (৩১), মুকুল কায়সার আকন্দ (৩৫), শাহজাহান (২৮) মাসুদ আলম তালুকদার টিপু (৫৩), শওকত তালুকদার (৪৪) ও মানিক মিয়া (৫৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

পূর্বধলায় নৌকার সমর্থক সাবেক ছাত্র লীগ নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট : ১০:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৪

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা :  নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, কর্মী সমর্থকদের মারধর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামী নৌকার সমর্থক মুকুল কায়সার আকন্দকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে নেত্রকোনা ডিবি পুলিশ। আজ বুধবার সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মুকুল কায়সার পূর্বধলা হাসপাতাল রোড এলাকার মৃত কামাল কুদ্দুস আকন্দের ছেলে ও নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র ও বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক।

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে মুকুলকে আদালতে পাঠানো হবে। এই মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। সুষ্ঠু নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাদেপুটিকা ও ইচুলিয়া বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম সোহেল ফকিরের অস্থায়ী কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর ও তার সমর্থকদের ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাংচুর ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নৌকার প্রার্থী আহমদ হোসেনের সমর্থকরা। এ সময় তারা মাজহারুল ইসলাম সোহেল ফকিরের ১০/১৫ জন কর্মী-সমর্থকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে।

এদের মধ্যে গুরুতর আহত ভিতরগাঁও গ্রামের বোরহান উদ্দিন (৪৫), একই গ্রামের মোস্তফা (৩০) ও বাদেপুটিকা গ্রামের মঈন উদ্দিনকে (২৫) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম সোহেল ফকিরের সমর্থক উপজেলা সদরের কালাম মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়াা বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় কেন্দ্রীয় নেতা আহমদ হোসেনের ভাতিজা ধলা গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২৮) আবির (৩১), অপূর্ব (২৬), আল মামুন (২৮), আল আমিন (৩৫), মোজাম্মেল (২৫), সাগর (২৬), বাসার মন্ডল (৪৫), মোঃ মাসুদ (৩৫), সাইদুল (৩০), রাকিব (২৫), মাহবুবুর রহমান (৫২), আহনাফ হোসেন (২৯), সাব্বির (২০), কালাম তালুকদার (৪৮), তরিকুল ইসলাম (৩১), মুকুল কায়সার আকন্দ (৩৫), শাহজাহান (২৮) মাসুদ আলম তালুকদার টিপু (৫৩), শওকত তালুকদার (৪৪) ও মানিক মিয়া (৫৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়।