নেত্রকোনা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পূর্বধলায় চোরের ভিটা এখন আলোর ভুবন

  • আপডেট : ০৪:২৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১০৫০ বার পঠিত

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা :

গ্রামের নাম চোরেরভিটা। তাই গ্রামের নামে বিদ্যালয়ের নামকরণ হয় চোরের ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের এমন শ্রæতিকটু নামে বিব্রত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

দাবি ওঠে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের। এরই প্রেক্ষিতে নাম পরিবর্তন হলো নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়েনের চোরেরভিটা গ্রামের “চোরেরভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। গত ৩০আগস্ট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিদ্যালয়টির নাম “আলোর ভুবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই নামকরণে খুশি সবাই।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে এলাকাবাসীর উদ্যোগে চোরেরভিটা রেজি: বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০১৩ সালে সরকারিকরণ হলে বিদ্যালয়টির নাম হয়“চোরেরভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”। বিদ্যালয়ের এমন শ্রæতিকট ুনামে বিব্রত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব পাঠানো হয় মন্ত্রণালয়ে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক বলেন, চোরেরভিটা নামটি বলতে লজ্জা লাগতো। শিক্ষার্থীরা হীনমন্যতায় ভোগতো। তাই বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন হওয়ায় আমরা সবাই খুশি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো.মফিজুল হক বলেন, মন্ত্রণালয়ের সভায় নতুন নাম গৃহীত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। এখনও কোনো কাগজ পাইনি। বিদ্যালয়ের এমন উদ্ভট নাম পরিবর্তন হওয়ায় সবার মধ্যে স্বস্থি এসেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স বলেন, চলতি বছরের শুরুর দিকে বিদ্যালয়টির নাম“আলোর ভুবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”প্রস্তাব করে জেলার প্রশাসকের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয় উক্ত প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে নতুন নামকরণ করেছে। আশা করছি নতুন নামকরণে শিক্ষার্থীসহ সকলে নতুন উদ্যোমে এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াবে।

আরও পড়ুন...উচ্চমাধ্যমিকে দুই বছরে ঝরে পড়েছে ৪১ শতাংশ শিক্ষার্থী

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

পূর্বধলায় চোরের ভিটা এখন আলোর ভুবন

আপডেট : ০৪:২৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা :

গ্রামের নাম চোরেরভিটা। তাই গ্রামের নামে বিদ্যালয়ের নামকরণ হয় চোরের ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের এমন শ্রæতিকটু নামে বিব্রত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

দাবি ওঠে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের। এরই প্রেক্ষিতে নাম পরিবর্তন হলো নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়েনের চোরেরভিটা গ্রামের “চোরেরভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। গত ৩০আগস্ট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিদ্যালয়টির নাম “আলোর ভুবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই নামকরণে খুশি সবাই।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে এলাকাবাসীর উদ্যোগে চোরেরভিটা রেজি: বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০১৩ সালে সরকারিকরণ হলে বিদ্যালয়টির নাম হয়“চোরেরভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”। বিদ্যালয়ের এমন শ্রæতিকট ুনামে বিব্রত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব পাঠানো হয় মন্ত্রণালয়ে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক বলেন, চোরেরভিটা নামটি বলতে লজ্জা লাগতো। শিক্ষার্থীরা হীনমন্যতায় ভোগতো। তাই বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন হওয়ায় আমরা সবাই খুশি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো.মফিজুল হক বলেন, মন্ত্রণালয়ের সভায় নতুন নাম গৃহীত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। এখনও কোনো কাগজ পাইনি। বিদ্যালয়ের এমন উদ্ভট নাম পরিবর্তন হওয়ায় সবার মধ্যে স্বস্থি এসেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স বলেন, চলতি বছরের শুরুর দিকে বিদ্যালয়টির নাম“আলোর ভুবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”প্রস্তাব করে জেলার প্রশাসকের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয় উক্ত প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে নতুন নামকরণ করেছে। আশা করছি নতুন নামকরণে শিক্ষার্থীসহ সকলে নতুন উদ্যোমে এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াবে।

আরও পড়ুন...উচ্চমাধ্যমিকে দুই বছরে ঝরে পড়েছে ৪১ শতাংশ শিক্ষার্থী