নেত্রকোনা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনা ১ বছরে ৪৮টি খুন, ১৫০টি ধর্ষণ ও ২৩৭টি নারী নির্যাতন

২০১৯ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত গত ১ বছরে নেত্রকোনা জেলায় ৪৮টি খুন, ১৫০টি ধর্ষণ ও ২৩৭টি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটায় অভিভাবকদের মাঝে আতংক এবং জনমনে এক ধরণের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলার ১০ থানায় জমি-জমা, জল-মহাল, বালু মহাল, প্রেম নিবেদন, দাম্পত্য জীবনে অশান্তি, পারিবারিক কলহ, পরকীয়া, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, আর্থিক লেনদেন, গ্যাং কালচার, মামলা মোকাদ্দমা সংক্রান্ত ঘটনায় ৪৮টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও জেলায় ১৫০টি ধর্ষণ, ২৩৭টি নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধ সংগঠিত হওয়ায় থানায় ৩ হাজার ৯৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নেত্রকোনার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জনউদ্যোগ-এর ফেলো প্রেসক্লাব সম্পাদক প্রবীন সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল বলেন, যে কোন ধরণের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি শুনা মাত্রই দ্রæত কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া, রাজনৈতিক তদবির, দ্রæততম সময়ে ও যথাযত চার্জশীট প্রদানে গরিমসি, মামলার বিচার কার্যে বিলম্ব ও বিচার হীনতা এবং আইনের ফাক ফোঁকর গলে আসামীদের বেড়িয়ে যাওয়ার কারণে জেলায় অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক সাংবাদিক আলপনা বেগম জানান, পুরুষদের মন মানসিকতার পরিবর্তন ও ধর্ষক এবং নারী নির্যাতনকারীদের দ্রæততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে সমাজ থেকে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বন্ধ হবে না।

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী বলেন, নেত্রকোনায় কোন রাজনৈতিক হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়নি। পুলিশ আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। আইন শৃংখলা রক্ষায় পুলিশের সেবা প্রদানের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগনকে এ কাজে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। অপরাধী যত বড়ই হোক তাকে গ্রেফতার করে আইনের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

নেত্রকোনা ১ বছরে ৪৮টি খুন, ১৫০টি ধর্ষণ ও ২৩৭টি নারী নির্যাতন

আপডেট : ০৭:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২০

২০১৯ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত গত ১ বছরে নেত্রকোনা জেলায় ৪৮টি খুন, ১৫০টি ধর্ষণ ও ২৩৭টি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটায় অভিভাবকদের মাঝে আতংক এবং জনমনে এক ধরণের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলার ১০ থানায় জমি-জমা, জল-মহাল, বালু মহাল, প্রেম নিবেদন, দাম্পত্য জীবনে অশান্তি, পারিবারিক কলহ, পরকীয়া, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, আর্থিক লেনদেন, গ্যাং কালচার, মামলা মোকাদ্দমা সংক্রান্ত ঘটনায় ৪৮টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও জেলায় ১৫০টি ধর্ষণ, ২৩৭টি নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধ সংগঠিত হওয়ায় থানায় ৩ হাজার ৯৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নেত্রকোনার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জনউদ্যোগ-এর ফেলো প্রেসক্লাব সম্পাদক প্রবীন সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল বলেন, যে কোন ধরণের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি শুনা মাত্রই দ্রæত কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া, রাজনৈতিক তদবির, দ্রæততম সময়ে ও যথাযত চার্জশীট প্রদানে গরিমসি, মামলার বিচার কার্যে বিলম্ব ও বিচার হীনতা এবং আইনের ফাক ফোঁকর গলে আসামীদের বেড়িয়ে যাওয়ার কারণে জেলায় অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক সাংবাদিক আলপনা বেগম জানান, পুরুষদের মন মানসিকতার পরিবর্তন ও ধর্ষক এবং নারী নির্যাতনকারীদের দ্রæততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে সমাজ থেকে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বন্ধ হবে না।

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী বলেন, নেত্রকোনায় কোন রাজনৈতিক হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়নি। পুলিশ আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। আইন শৃংখলা রক্ষায় পুলিশের সেবা প্রদানের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগনকে এ কাজে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। অপরাধী যত বড়ই হোক তাকে গ্রেফতার করে আইনের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে।