নেত্রকোনা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোণায় চালের বস্তার উপর জাত উৎপাদন ও মিলগেট মুল্যসহ মুদ্রিতকরণ উদ্বোধন

নেত্রকোণায় চালের বস্তার উপর জাত উৎপাদন ও মিলগেট মুল্যসহ মুদ্রিতকরণ উদ্বোধন

নেত্রকোণায় অটোমেটিক ও হাস্কিং রাইস মিল থেকে পাইকারী ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহকৃত চালের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং “উৎপাদন ও সরবরাহ” মুল্যসহ সকল প্রকার বস্তা অথবা প্যাকেটের উপর মুদ্রিতকরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে নেত্রকোণা সদর উপজেলার আমতালা ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর মেসার্স মজুমদার অটো রাইস মিলে নেত্রকোণা খাদ্য বিভাগ এ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

নেত্রকোণা খাদ্য বিভাগের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শাহেদ পারভেজ।,

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রাফিকুজ্জামান,অটোমেটিক ও হাস্কিং রাইস মিল এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী এইচ আর খান পাঠান সাখি, ‘মেসার্স মজুমদার অটো রাইস মিলের সত্বাধিকারী সুজিত মজুমদারসহ অন্যান্যরা।,

প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক শাহেদ পারভেজ বলেন, সম্প্রতি চালের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় চাল উৎপাদনকারী মিলগুলো পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এক শ্রেণির অসাধু ব্যাবসায়ী একই জাতের ধান হতে বিভিন্ন নামে চাল উৎপাদন করে বিভিন্ন দামে বিক্রি করছে। চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে মিল মালিক পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা একে অপরকে দোষারোপ করে। এতে ভোক্তাগণ ন্যায্যমুল্যে তাদের পছন্দ মতো চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন, ‘প্রতারণা এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

এই অবস্থা থেকে পরিত্রানের লক্ষ্যে চালের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে, ধানের নামেই যাতে বাজারজাত করা হয়, তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিং এর সুবিধার্থে ধানের জাতের নাম, প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, নিট ওজন, উৎপাদনের তারিখ ও মিল গেটের মূল্য উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ‘এতে সাধারণ জনগণ প্রতারণা এবং অধিক মূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা পাবে।,’

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি।

পূর্বধলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালিত

নেত্রকোণায় চালের বস্তার উপর জাত উৎপাদন ও মিলগেট মুল্যসহ মুদ্রিতকরণ উদ্বোধন

আপডেট : ০২:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

নেত্রকোণায় অটোমেটিক ও হাস্কিং রাইস মিল থেকে পাইকারী ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহকৃত চালের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং “উৎপাদন ও সরবরাহ” মুল্যসহ সকল প্রকার বস্তা অথবা প্যাকেটের উপর মুদ্রিতকরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে নেত্রকোণা সদর উপজেলার আমতালা ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর মেসার্স মজুমদার অটো রাইস মিলে নেত্রকোণা খাদ্য বিভাগ এ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

নেত্রকোণা খাদ্য বিভাগের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শাহেদ পারভেজ।,

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রাফিকুজ্জামান,অটোমেটিক ও হাস্কিং রাইস মিল এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী এইচ আর খান পাঠান সাখি, ‘মেসার্স মজুমদার অটো রাইস মিলের সত্বাধিকারী সুজিত মজুমদারসহ অন্যান্যরা।,

প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক শাহেদ পারভেজ বলেন, সম্প্রতি চালের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় চাল উৎপাদনকারী মিলগুলো পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এক শ্রেণির অসাধু ব্যাবসায়ী একই জাতের ধান হতে বিভিন্ন নামে চাল উৎপাদন করে বিভিন্ন দামে বিক্রি করছে। চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে মিল মালিক পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা একে অপরকে দোষারোপ করে। এতে ভোক্তাগণ ন্যায্যমুল্যে তাদের পছন্দ মতো চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন, ‘প্রতারণা এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

এই অবস্থা থেকে পরিত্রানের লক্ষ্যে চালের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে, ধানের নামেই যাতে বাজারজাত করা হয়, তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিং এর সুবিধার্থে ধানের জাতের নাম, প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, নিট ওজন, উৎপাদনের তারিখ ও মিল গেটের মূল্য উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ‘এতে সাধারণ জনগণ প্রতারণা এবং অধিক মূল্য বৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা পাবে।,’