নেত্রকোনা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছেই, হুমকির মুখে পরিবেশের ভারসাম্য

  • আপডেট : ০৪:০০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ১২০০ বার পঠিত

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের কালঘোষা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় বালু দস্যুরা অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছে। জানাগেছে, বালু দস্যুরা কালঘোষা নদীর ফুলহারী, বাকাকুড়া, গাঁন্ধিগাওসহ বিভিন্ন স্থানে ৫/৭ টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু লুটপাট চালিয়ে আসছে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।

অবাধে বালু উত্তোলন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে।বর্তমানে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা মূল্যের বালু উত্তোলন ও ট্রাক, ট্রলি যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। সরকারী নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বেপরোয়াভাবে বালু লুটপাট করায় নদীর দুপার ভেঙ্গে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে পড়েছে।প্রশাসনের নাকের ডগায় অবাধে এসব বালু লুটপাট করা হলেও তা দেখার যেন কেউ নেই। অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। অপরদিকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় থেকে।

কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিভিন্ন সময় আলোচনায় হয়েছে। কিন্তু অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। তিনি বলেন, এখন এ বিষয়ে কিছু বলতে ইচ্ছে করেনা। এটা প্রশাসনের ব্যাপার তারা দেখলে দেখুক, না দেখলে না দেখুক।১৯ ফেব্রæয়ারী বুধবার উত্তোলনকৃত বালু ভর্তি ৬টি ট্রলি আটক করে গজনী বিট কর্মকর্তা।

এসময় বালু দস্যুরা ওই বিট কর্মকর্তাকে জিম্মি করে ট্রলি ৬টি ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে জানান শেরপুরের সহকারী বন সংরক্ষক ডঃপ্রাণতোষ রায়।অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদের সাথে কথা হলে তিনি বালু উত্তোলন বন্ধের ব্যাপারে অভিযান করবেন বলে জানান।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছেই, হুমকির মুখে পরিবেশের ভারসাম্য

আপডেট : ০৪:০০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের কালঘোষা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় বালু দস্যুরা অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছে। জানাগেছে, বালু দস্যুরা কালঘোষা নদীর ফুলহারী, বাকাকুড়া, গাঁন্ধিগাওসহ বিভিন্ন স্থানে ৫/৭ টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু লুটপাট চালিয়ে আসছে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।

অবাধে বালু উত্তোলন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে।বর্তমানে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা মূল্যের বালু উত্তোলন ও ট্রাক, ট্রলি যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। সরকারী নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বেপরোয়াভাবে বালু লুটপাট করায় নদীর দুপার ভেঙ্গে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে পড়েছে।প্রশাসনের নাকের ডগায় অবাধে এসব বালু লুটপাট করা হলেও তা দেখার যেন কেউ নেই। অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। অপরদিকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় থেকে।

কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিভিন্ন সময় আলোচনায় হয়েছে। কিন্তু অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। তিনি বলেন, এখন এ বিষয়ে কিছু বলতে ইচ্ছে করেনা। এটা প্রশাসনের ব্যাপার তারা দেখলে দেখুক, না দেখলে না দেখুক।১৯ ফেব্রæয়ারী বুধবার উত্তোলনকৃত বালু ভর্তি ৬টি ট্রলি আটক করে গজনী বিট কর্মকর্তা।

এসময় বালু দস্যুরা ওই বিট কর্মকর্তাকে জিম্মি করে ট্রলি ৬টি ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে জানান শেরপুরের সহকারী বন সংরক্ষক ডঃপ্রাণতোষ রায়।অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদের সাথে কথা হলে তিনি বালু উত্তোলন বন্ধের ব্যাপারে অভিযান করবেন বলে জানান।