নেত্রকোনা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দুর্গাপুর পুলিশের প্রথম নারী সার্কেল অফিসার নেলী

  • সৌমিন খেলন :
  • আপডেট : ০৭:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২০
  • ৬৯৬

নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর উপজেলায় সার্কেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমীন নেলী। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে জেলা পুলিশ প্রধান মো. আকবর আলী মুুনসী পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (প্রশাসন) দায়িত্বে থাকা পদন্নোতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার (এসপি) এস.এম আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শাহজাহান মিয়া, মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল (সদর সার্কেল), মো. আল-আমিন (সদর) প্রমুখ।

পরে পুলিশ কর্মকর্তা নেলী নতুন কর্মস্থল দুর্গাপুর সার্কেল অফিসে যোগ দেন। তার এরই যোগদানের সাথে সূচনা হলো জেলা পুলিশে উপজেলা পর্যায়ে কোনো নারী পুলিশ কর্মকর্তার কর্মময় জীবন। সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমীন নেলী এরআগে ২০১৮ সালের জানুয়ারির ১৭ তারিখ থেকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজির কার্যালয়ে স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্বপালন করছিলেন। নতুন কর্মস্থলে যোগদান নিয়ে নেলী বলেন, দুর্গাপুর সার্কেলর আওতাধীন কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর থানা দু’টিই ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ থানাগুলোর দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করতে চাই। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে আমার সহকর্মী থেকে শুরু করে আপামর জনতার।

আশা করছি অপরাধমূলক সকল ধরণের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি সমাজ রাষ্ট্র রক্ষায় স্থানীয়রা আমাকে সহযোগিতা করবেন। খুব শীঘ্রই সব শ্রেণি পেশার মানুষকে নিয়ে বসে পরিচিতি পর্বে খোলামেলা কথা বলবো। অপরাধীদের হুশিয়ারি দিয়ে এই নারী পুলিশ কর্মকর্তা বলেন- মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার’।

জনগণের পুলিশ হয়েই কাজ করে যেতে চাই। যেন যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও জনগণ ভাবতে পারে পুলিশ সহযোগিতা করার জন্য তাদের পাশে আছে। সেবা নিতে এসেও যেন কেউ কোনো ভয়ভীতি নিয়ে ফিরে না যায় সেইদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবো সবসময়। এটাই হবে মুজিব বর্ষের জনতার উপহার।

নারী ও শিশুদের ব্যপারে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান নেলী। ব্যক্তি স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরো বলেন- যতদিন সার্কেল অফিসার হিসেবে এ চেয়ারে থাকবো কোনো থানায় কোনো ইউনিয়ন বা গ্রামে অপরাধ করে কেউ পাড় পাবে না ; সে যেই হোক। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জুয়া ও ইভটিজিং কোনো অপরাধের সাথে আপস চলবে না।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি।

পূর্বধলায় উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন চেয়ারম্যান প্রার্থী

দুর্গাপুর পুলিশের প্রথম নারী সার্কেল অফিসার নেলী

আপডেট : ০৭:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২০

নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর উপজেলায় সার্কেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমীন নেলী। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে জেলা পুলিশ প্রধান মো. আকবর আলী মুুনসী পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (প্রশাসন) দায়িত্বে থাকা পদন্নোতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার (এসপি) এস.এম আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শাহজাহান মিয়া, মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল (সদর সার্কেল), মো. আল-আমিন (সদর) প্রমুখ।

পরে পুলিশ কর্মকর্তা নেলী নতুন কর্মস্থল দুর্গাপুর সার্কেল অফিসে যোগ দেন। তার এরই যোগদানের সাথে সূচনা হলো জেলা পুলিশে উপজেলা পর্যায়ে কোনো নারী পুলিশ কর্মকর্তার কর্মময় জীবন। সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমীন নেলী এরআগে ২০১৮ সালের জানুয়ারির ১৭ তারিখ থেকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজির কার্যালয়ে স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্বপালন করছিলেন। নতুন কর্মস্থলে যোগদান নিয়ে নেলী বলেন, দুর্গাপুর সার্কেলর আওতাধীন কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর থানা দু’টিই ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ থানাগুলোর দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করতে চাই। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে আমার সহকর্মী থেকে শুরু করে আপামর জনতার।

আশা করছি অপরাধমূলক সকল ধরণের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি সমাজ রাষ্ট্র রক্ষায় স্থানীয়রা আমাকে সহযোগিতা করবেন। খুব শীঘ্রই সব শ্রেণি পেশার মানুষকে নিয়ে বসে পরিচিতি পর্বে খোলামেলা কথা বলবো। অপরাধীদের হুশিয়ারি দিয়ে এই নারী পুলিশ কর্মকর্তা বলেন- মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার’।

জনগণের পুলিশ হয়েই কাজ করে যেতে চাই। যেন যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও জনগণ ভাবতে পারে পুলিশ সহযোগিতা করার জন্য তাদের পাশে আছে। সেবা নিতে এসেও যেন কেউ কোনো ভয়ভীতি নিয়ে ফিরে না যায় সেইদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবো সবসময়। এটাই হবে মুজিব বর্ষের জনতার উপহার।

নারী ও শিশুদের ব্যপারে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান নেলী। ব্যক্তি স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরো বলেন- যতদিন সার্কেল অফিসার হিসেবে এ চেয়ারে থাকবো কোনো থানায় কোনো ইউনিয়ন বা গ্রামে অপরাধ করে কেউ পাড় পাবে না ; সে যেই হোক। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জুয়া ও ইভটিজিং কোনো অপরাধের সাথে আপস চলবে না।