নেত্রকোনা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দুর্গাপুরে ৪ গুণীজনকে জলসিঁড়ি সম্মাননা

তুমি নির্মল করো মঙ্গল করে-মলিন মর্ম মুছায়ে। এ প্রতিপাদ্যে দুর্গাপুরে সংস্কৃতির ধারক, বাহক জলসিঁড়ি প্রাঙ্গণ ও ‘জলসিঁড়ি পাঠকেন্দ্র’র ০৭ বছর পূর্তি উপলক্ষে সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পেয়েছেন চার গুণীজন।

উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের গাভীনা গ্রামে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জলসিঁড়ি মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট মানেশ সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সচিব ড. অর্ধেন্দু শেখর রায়। উদ্ভোধন পরবর্তি চার গুণীজন, কথাশিল্পী ও অতিরিক্ত সচিব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ড. তরুণ কান্তি শিকদার, প্রাবন্ধিক অধ্যাপক বিধান মিত্র, প্রখ্যাত গল্পকার দীলতাজ রহমান, লেখক ও সাংবদিক ইশরাত জাহান উর্মী কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা খানম, সুসঙ্গ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমান, লেখক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মতিন্দ্র সরকার, লেখক ও গবেষক আলী আহাম্মদ খান আইয়োব, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ হক, এডভোকেট প্রবীর মজুমদার, জেলা পরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুবল রঞ্জন কর, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীরেশ^র চক্রবর্তী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পারভীন আক্তার, ‘জলসিঁড়ি পাঠকেন্দ্র’র প্রতিষ্ঠাতা দীপক সরকার সহ জেলা ও উপজেলার কবিতা প্রেমী গুণীজন উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে সকল অবক্ষয় রোধ করতে সাহিত্য র্চ্চার কোন বিকল্প নাই। একজন সাহিত্য প্রেমী কখনো রক্ত ঝড়াতে পারে না, একজন সাহিত্য প্রেমী কখনো বেদনা দায়ক হতে পারে না। সাহিত্য প্রেমীদের লেখনী সকল ধু¤্রজাল দুমরে-মুচরে এক মঞ্চে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এখন সময় এসেছে ঘরে দাঁড়ানোর। প্রতিটি বাড়ীতে শিশুদের হাতে অন্যান্য উপহার কিনে দেয়ার পাশাপশি একটি কবিতার বই তুলে দেয়ার আহবান জানানো হয়। আলোচনা শেষে আমন্ত্রীত কবিগন তাদের স্ব-রচিত কবিতা পাঠ ও ‘জলসিঁড়ি পাঠকেন্দ্র’র শিল্পীবৃন্দ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি।

পূর্বধলায় উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন চেয়ারম্যান প্রার্থী

দুর্গাপুরে ৪ গুণীজনকে জলসিঁড়ি সম্মাননা

আপডেট : ০৬:৫৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

তুমি নির্মল করো মঙ্গল করে-মলিন মর্ম মুছায়ে। এ প্রতিপাদ্যে দুর্গাপুরে সংস্কৃতির ধারক, বাহক জলসিঁড়ি প্রাঙ্গণ ও ‘জলসিঁড়ি পাঠকেন্দ্র’র ০৭ বছর পূর্তি উপলক্ষে সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পেয়েছেন চার গুণীজন।

উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের গাভীনা গ্রামে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জলসিঁড়ি মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট মানেশ সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সচিব ড. অর্ধেন্দু শেখর রায়। উদ্ভোধন পরবর্তি চার গুণীজন, কথাশিল্পী ও অতিরিক্ত সচিব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ড. তরুণ কান্তি শিকদার, প্রাবন্ধিক অধ্যাপক বিধান মিত্র, প্রখ্যাত গল্পকার দীলতাজ রহমান, লেখক ও সাংবদিক ইশরাত জাহান উর্মী কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা খানম, সুসঙ্গ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমান, লেখক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মতিন্দ্র সরকার, লেখক ও গবেষক আলী আহাম্মদ খান আইয়োব, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ হক, এডভোকেট প্রবীর মজুমদার, জেলা পরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুবল রঞ্জন কর, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীরেশ^র চক্রবর্তী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পারভীন আক্তার, ‘জলসিঁড়ি পাঠকেন্দ্র’র প্রতিষ্ঠাতা দীপক সরকার সহ জেলা ও উপজেলার কবিতা প্রেমী গুণীজন উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে সকল অবক্ষয় রোধ করতে সাহিত্য র্চ্চার কোন বিকল্প নাই। একজন সাহিত্য প্রেমী কখনো রক্ত ঝড়াতে পারে না, একজন সাহিত্য প্রেমী কখনো বেদনা দায়ক হতে পারে না। সাহিত্য প্রেমীদের লেখনী সকল ধু¤্রজাল দুমরে-মুচরে এক মঞ্চে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এখন সময় এসেছে ঘরে দাঁড়ানোর। প্রতিটি বাড়ীতে শিশুদের হাতে অন্যান্য উপহার কিনে দেয়ার পাশাপশি একটি কবিতার বই তুলে দেয়ার আহবান জানানো হয়। আলোচনা শেষে আমন্ত্রীত কবিগন তাদের স্ব-রচিত কবিতা পাঠ ও ‘জলসিঁড়ি পাঠকেন্দ্র’র শিল্পীবৃন্দ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।