নেত্রকোনা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দুর্গাপুরে ভারতীয় পণ্য সহ আটকের পরপরই মুক্তি

  • আপডেট : ০৩:২২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০১৯
  • ২২০

কে. এম. সাখাওয়াত হোসেন :

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ভারতীয় পণ্য সহ একজনকে আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে দূর্গাপুর থানার পুলিশ। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে পৌর শহরের উৎরাইল বাজারে থেকে পুলিশ ভারতীয় ২৮৮ ডজন কোলগেট সহ ময়মনসিংহের সুমন নামের এক ব্যাবসায়ীকে আটক করে।

পরবর্তীতে কয়েকঘন্টার মধ্যে তাকে ছেড়েও দেয়। দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করে একটি সিএনজি থেকে কোলগেটগুলো উদ্ধার করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে বিজয়পুর, ভবানীপুর, ফান্দা, বারমারী সহ কিছু এলাকা দিয়ে চোরাই পথে বাংলাদেশে আসে এসকল পণ্য। যা থেকে কোন রাজস্ব পায়না সরকার। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা চলমান রাখার জন্য এভাবেই সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত পণ্য এনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার এক ব্যবসায়ী এই চোরাই পণ্য ময়মনসিংহ নিয়ে যাওয়ার পথে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উৎরাইল বাজার থেকে পুলিশ তাদের আটক করেন।

এ সময় মালামাল জব্দ ও আসামি আটকের ঘটনাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট করেন অনেকে । কিন্তু তাদেরকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর কোন মামলা ছাড়াই পুলিশ মালামাল সহ আটকদের ছেড়ে দেয়।

এ ব্যাপারে পুলিশের উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম মালামাল ও আসামিদের ছেড়ে দেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই সব মালামাল দুর্গাপুর বাজারে প্রায় দোকানে পাওয়া যায়। তাই এই পণ্য গুলো অবৈধ না। আমরা আটকের কিছুক্ষণ পর তাই ছেড়ে দিয়েছি। আটক ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও পণ্যের কাগজপত্রাদি বিষয়ে জিঞ্জেস করলে তিনি জানান এগুলো রাখা হয়নি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে অবগত করেন।

পরে দূর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি (ওসি তদন্ত) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, ১৮৮ পিচ পণ্য বলে আমাকে জানানো হয়েছে। কোলগেট টুথপেস্ট পণ্যটি যেহেতু দূর্গাপুরে সর্বত্র রয়েছে তাই আটককে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমাদের প্রকাশনা “পূর্বকন্ঠ” স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব।

ইরাকে সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, হতাহত ৯

দুর্গাপুরে ভারতীয় পণ্য সহ আটকের পরপরই মুক্তি

আপডেট : ০৩:২২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০১৯

কে. এম. সাখাওয়াত হোসেন :

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ভারতীয় পণ্য সহ একজনকে আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে দূর্গাপুর থানার পুলিশ। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে পৌর শহরের উৎরাইল বাজারে থেকে পুলিশ ভারতীয় ২৮৮ ডজন কোলগেট সহ ময়মনসিংহের সুমন নামের এক ব্যাবসায়ীকে আটক করে।

পরবর্তীতে কয়েকঘন্টার মধ্যে তাকে ছেড়েও দেয়। দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করে একটি সিএনজি থেকে কোলগেটগুলো উদ্ধার করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে বিজয়পুর, ভবানীপুর, ফান্দা, বারমারী সহ কিছু এলাকা দিয়ে চোরাই পথে বাংলাদেশে আসে এসকল পণ্য। যা থেকে কোন রাজস্ব পায়না সরকার। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা চলমান রাখার জন্য এভাবেই সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত পণ্য এনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার এক ব্যবসায়ী এই চোরাই পণ্য ময়মনসিংহ নিয়ে যাওয়ার পথে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উৎরাইল বাজার থেকে পুলিশ তাদের আটক করেন।

এ সময় মালামাল জব্দ ও আসামি আটকের ঘটনাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট করেন অনেকে । কিন্তু তাদেরকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর কোন মামলা ছাড়াই পুলিশ মালামাল সহ আটকদের ছেড়ে দেয়।

এ ব্যাপারে পুলিশের উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম মালামাল ও আসামিদের ছেড়ে দেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই সব মালামাল দুর্গাপুর বাজারে প্রায় দোকানে পাওয়া যায়। তাই এই পণ্য গুলো অবৈধ না। আমরা আটকের কিছুক্ষণ পর তাই ছেড়ে দিয়েছি। আটক ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও পণ্যের কাগজপত্রাদি বিষয়ে জিঞ্জেস করলে তিনি জানান এগুলো রাখা হয়নি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে অবগত করেন।

পরে দূর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি (ওসি তদন্ত) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, ১৮৮ পিচ পণ্য বলে আমাকে জানানো হয়েছে। কোলগেট টুথপেস্ট পণ্যটি যেহেতু দূর্গাপুরে সর্বত্র রয়েছে তাই আটককে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।