শুক্রবার ২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

‘টেনশন করিস না বলে চাপে ফেলে দেয় আমায়’

পূর্বকন্ঠ ডেস্ক:  |  আপডেট ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১৭ মে ২০২০ | প্রিন্ট  | 209

‘টেনশন করিস না বলে চাপে ফেলে দেয় আমায়’

[ad_1]

শ্রীলঙ্কার মাটিতে ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফি ছিল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নতুন এক বাংলাদেশকে চেনানোর মঞ্চ। পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ খেলা বাংলাদেশ দিনেশ কার্তিকের অতিমানবীয় ইনিংসের কাছে শিরোপা খোয়ায়। সেই ফাইনালের শেষ ওভারে ভারতের জিততে প্রয়োজন ছিল ১২ রান। এই সময় টাইগার অধিনায়ক সাকিব বোলিংয়ে নিয়ে আসেন সৌম্য সরকারকে।


আর ম্যাচ প্রায় জিতিয়েই দিয়েছিলেন সৌম্য। কিন্তু শেষ বলের প্লেসমেন্টে একটু ওলট পালট হওয়ায় নায়ক হতে গিয়েও হয়ে ওঠা হয়নি তাঁর। সেদিনের সেই শেষ ওভার করার সময় কী চলছিলো সৌম্যের ভেতর, কেমন ছিল পরিবেশ, সেসবই জানার চেষ্টা করেছেন তামিম ইকবাল। নিজের অনলাইন আড্ডার প্লাটফর্ম ‘লাইভ উইথ তামিম ইকবাল’ অনুষ্ঠানে সৌম্যের সাথে শেষদিন ছিলেন লিটন ও মুমিনুলও।

আড্ডায় তামিম সৌম্যকে বলেন, ‘নিদাহাস ট্রফির শেষ ওভার বোলিং করার সময় মাথায় কী চলছিলো? আর কে এসে কী উপদেশ দিয়েছিলো? আর শেষ বল নিয়ে যদি বলিস।’

এসময় মুমিনুল যোগ করেন, নতুন বোলারদের জন্য সৌম্যের এই অভিজ্ঞতাটা শিক্ষা হিসেবে কাজ করবে। তাঁর ভাষ্যে, ‘তাঁর এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে নতুন যারা বোলার হিসেবে আসছে। তাঁরা যদি জানে, তবে নতুন কিছু শিখতে পারবে। জানতে পারবে, ওই কঠিন অবস্থায় কিভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবে।’

সৌম্য তখন জানালেন, শুরু থেকে কোনো চাপ নিয়ে বোলিং করেননি তিনি। তাঁর ভাষ্যে, ‘ওই ওভারে সাকিব ভাই যখন আমাকে বল হাতে দিছে, তখন আমার মাথায় ওই রকম কিছু ছিলো না যে, আমাকে এত রানের মধ্যে আটকাতে হবে।’

মাথায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের একটা কথা ঘুরছিলো জানিয়ে বলেন, ‘আমার মাথায় তখন রিয়াদ ভাইয়ের একটা কথাই কাজ করছিল। প্রিমিয়ার লিগে রিয়াদ ভাই আমাকে এরকম কঠিন অবস্থায় বল দিয়ে বলতো ৮ রানের বেশি দেওয়া যাবে না। তো আমিও এই কথা মাথায় নিয়ে বোলিং করে যাই। প্রথম ৩ বল আমি নরমালি করে যাই। এসময় আমার মধ্যে কোনো চাপই কাজ করেনি। হারবো কি জিতবো সেটা মাথায়ই ছিলো না।’

কিন্তু এরপরে সবার উৎসাহতে যেন চাপ অনুভব করতে থাকেন সৌম্য। সে কথা জানিয়ে আরও যোগ করেন, ‘চতুর্থ বল যখন আমি করতে যাবো, তখন সবাই বলতে শুরু করলো যে, তুই পারবি। তখন প্রথম আমি এসব নিয়ে ভাবতে থাকি।’

আর এরপরে সৌম্যকে টেনশন করতে নিষেধ করতে গিয়ে চাপে ফেলে দেন সতীর্থরা। সেটা জানিয়ে সৌম্য আরও যোগ করেন, ‘এরপরে আমার চোখে কী একটা যেন পড়লো, তো আমি বাইরের দিকে চেয়ে বলি, আমার জন্য জল (পানি) নিয়ে এসো। তো মুখ ধোওয়ার সময় আমাকে অনেকে ঘিরে ছিল। তখন তারা আমাকে বলতে লাগলো, সৌম্য তুই পারবি, টেনশন করিস না। আর তখনই আমার মধ্যে টেনশনটা কাজ করা শুরু করছে।’

‘আমার তখন মনে হতে লাগলো, আসলে কী হতে যাচ্ছে। তো ওই ওভারের চতুর্থ বল সম্ভবত আমি সবচেয়ে ভালো করি। কিন্তু বিজয় শঙ্করের ব্যাটের কানায় লেগে তা ৪ হয়ে যায়।’

যদিও অধিনায়ক ও বড় ভাই সাকিব তখনও সাহস জুগিয়ে যাচ্ছিলো সৌম্যকে। আর সেটা জানিয়ে সৌম্য আরও বলেন, ‘তখন সাকিব ভাই দৌড় দিয়ে কাছে এসে বললো, আরে এটা কিছুই না। তুই নিজের উপর বিশ্বাস রাখ। জেনে রাখিস, এই ম্যাচ যদি তুই জেতাতে পারিস, তবে তুই কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের কাছে নায়ক হয়ে যাবি। তবে না জেতাতে পারলেও কোনো সমস্যা নেই। তোর হারানোর কিছু নেই। কারণ তুই দলের প্রধান বোলার না।’

‘পরের বলে বিজয় শঙ্কর আউট হয়ে যায়। যদিও আমার মনে হইছে আউট না হলেই বরং বেশি ভালো হইতো। আর ওই সময় নিজের ভেতরে বেশি চিন্তা কাজ করা শুরু করছে। কারণ ১ বলে লাগতো ৫ রান।’

নিজের করা শেষ বল নিয়ে সৌম্য বলেন, ‘এই সময়ে হঠাৎ মুশফিক ভাই বলে ওঠেন, ওয়াইড ইয়র্কার কর। আমিও ভাবলাম, যদি ওয়াইড ইয়র্কার করি, তাহলে থার্ডম্যান হোক বা কাভারের উপর দিয়ে ৪ হবে। তাও আমি ম্যাচ ড্র করতে পারবো। কিন্তু আসলে আমার বলটা অত ভালো হয়নি।’

বলটা ভালো না হওয়াতে দিনেশ কার্তিকও কাভারের উপর দিয়ে ছয় হাঁকিয়ে বসেন। ফলে বাংলাদেশ জিততে জিততেও হেরে যায় ভাগ্যের কাছে।

ঢাকা/কামরুল

[ad_2]

Source link

শেয়ার করুন..

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
এক ক্লিকে বিভাগের খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
ঘোষনা : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া খবরা খবর জানাতে আমাদের ফোন করুন-০১৭১৩৫৭৩৫০২ এই নাম্বারে ☎ গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সমূহ : ☎ জরুরী সেবা : ৯৯৯ ☎ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২☎ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ☎ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০☎ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ☎ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮☎ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ☎ শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র : ০১৩২০১০৪৩৩৩ ☎ ওসি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা : ০১৩২০১৮২৮২৬ ☎ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, পূর্বধলা: ০১৭০০৭১৭২১২/০৯৫৩২৫৬১০৬ ☎ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮৩৮৭৫৮৭/০১৭০৮৪১৫০২২ ☎ উপজেলা মৎস্য অফিসার, পূর্বধলা : ০১৫১৫-৬১৪৯২১ ☎ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পূর্বধলা : ০১৯৯০-৭০৩০২০ ☎ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮-৭২৮২৯৪ ☎ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্বধলা :০১৭০৮-১৬১৪৫৭ ☎ উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৯১৪-৯১৯৯৩৮ ☎ উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, পূর্বধলা : ০১৯১৬-৮২৬৬৬৮ ☎ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১১-৭৮৯৭৯৮ ☎ উপজেলা কৃষি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৬-৭৯৮৯৪৬ ☎ উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৫-৪৭৪২৯৬ ☎ উপজেলা সমবায় অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৭-০৪৩৬৩৯ ☎ সম্পাদক পূর্বকন্ঠ ☎ ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ☎
মোঃ শফিকুল আলম শাহীন সম্পাদক ও প্রকাশক
পূর্বকণ্ঠ ২০১৬ সালে তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা।

হেল্প লাইনঃ +৮৮০৯৬৯৬৭৭৩৫০২

E-mail: info@purbakantho.com