নেত্রকোনা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইগাতীতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আদিবাসী পরিবারের জমি দখলের পাঁয়তারা

  • আপডেট : ০৬:১৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯
  • ১২৩৫ বার পঠিত

খোরশেদ আলম,শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আদিবাসী পরিবারের জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামে।

এ অভিযোগ সমিকা ¤্রংসহ তার পরিবারের লোকদের। সমিকা ¤্রং জানান, গারো সামাজিক আইনে মাতৃতান্ত্রিক নিয়ম অনুযায়ী ৩০একর জমির মালিক তারা ৪বোন। স্বাধিনতার পর থেকে ওই জমি ভোগ-দখল করে আসছিল তারা। কিন্তু একই গ্রামের উর্সুলা ¤্রং ও তার লোকজন প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করে প্রায় ২০একর জমি বেদখল দেয়।

তারা জোরপূর্বক ওই জমি ভোগ-দখল করে আসছেন। বাদবাকী জমির প্রতিও লোভ জাগে উর্সুলা ¤্রং ও তার লোকজনের। এ ব্যাপারে সমিকা ¤্রং বাদী হয়ে ২৮জুলাই শেরপুরের যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের করেন। আদালত তর্কিত জমি যাতে বেদখল না হয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে ঝিনাইগাতী থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

উক্ত নির্দেশ বলে থানা-পুলিশের পক্ষ থেকে বিবাদীদের ওই জমিতে প্রবেশ না করতে নোটিশ জারি করা হয়। কিন্তু আদালতের ওই নির্দেশ অমান্য করে বিবাদীরা উক্ত তর্কিত জমির উপর ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করে।

বিবাদীদের এ ধরনের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছে না সমিকা ¤্রং ও তার লোকজন। এ অবস্থায় রোববার বিকেলে সমিকা ¤্রং ও তার লোকজন প্রেসক্লাবে এসে বিবাদীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন। বর্তমানে তার পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জানান।

ওই নিষেধাজ্ঞা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই মাসরুক সিদ্দিকি’র সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিবাদীরা তর্কিত জমিতে ঘর উত্তোলন করতে গেলে খবর পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিবাদী উর্সুলা ¤্রং বলেন, সমিলা ¤্রং এর নানী আমাকে দত্তক এনেছিল। তাই আমিও উক্ত জমির মালিক।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

ঝিনাইগাতীতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আদিবাসী পরিবারের জমি দখলের পাঁয়তারা

আপডেট : ০৬:১৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯

খোরশেদ আলম,শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আদিবাসী পরিবারের জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামে।

এ অভিযোগ সমিকা ¤্রংসহ তার পরিবারের লোকদের। সমিকা ¤্রং জানান, গারো সামাজিক আইনে মাতৃতান্ত্রিক নিয়ম অনুযায়ী ৩০একর জমির মালিক তারা ৪বোন। স্বাধিনতার পর থেকে ওই জমি ভোগ-দখল করে আসছিল তারা। কিন্তু একই গ্রামের উর্সুলা ¤্রং ও তার লোকজন প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করে প্রায় ২০একর জমি বেদখল দেয়।

তারা জোরপূর্বক ওই জমি ভোগ-দখল করে আসছেন। বাদবাকী জমির প্রতিও লোভ জাগে উর্সুলা ¤্রং ও তার লোকজনের। এ ব্যাপারে সমিকা ¤্রং বাদী হয়ে ২৮জুলাই শেরপুরের যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের করেন। আদালত তর্কিত জমি যাতে বেদখল না হয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে ঝিনাইগাতী থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

উক্ত নির্দেশ বলে থানা-পুলিশের পক্ষ থেকে বিবাদীদের ওই জমিতে প্রবেশ না করতে নোটিশ জারি করা হয়। কিন্তু আদালতের ওই নির্দেশ অমান্য করে বিবাদীরা উক্ত তর্কিত জমির উপর ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করে।

বিবাদীদের এ ধরনের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছে না সমিকা ¤্রং ও তার লোকজন। এ অবস্থায় রোববার বিকেলে সমিকা ¤্রং ও তার লোকজন প্রেসক্লাবে এসে বিবাদীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন। বর্তমানে তার পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জানান।

ওই নিষেধাজ্ঞা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই মাসরুক সিদ্দিকি’র সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিবাদীরা তর্কিত জমিতে ঘর উত্তোলন করতে গেলে খবর পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিবাদী উর্সুলা ¤্রং বলেন, সমিলা ¤্রং এর নানী আমাকে দত্তক এনেছিল। তাই আমিও উক্ত জমির মালিক।