নেত্রকোনা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

জীবন বাঁচাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র মোসাদ্দেকের প্রয়োজন ৮ লাখ টাকা

  • আপডেট : ০৭:৩৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১২০১ বার পঠিত

সামসুল হক জুৃয়েল, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গ্রামের অসহায় এক পরিবারের ছেলে মোসাদ্দেক(২২)। সত্তরের কোটায় বাবার বয়স। বাবা- মা, ছোট একভাইসহ চার সদস্যের পরিবারের একমাত্র ভরসা মোসাদ্দেক।

সরকারি খাস জমিতে বসবাস করেও উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার।

অর্থের যোগান নেই, লেখাপড়ার খরচ নেই, তবুও অধম্য ইচ্ছায় নিজের ভাগ্যকে পরিবর্তনের যুদ্ধে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয় টিউশনী করে পরিবারের খরচ যোগানের পাশাপাশি নিজের লেখাপড়া চালিয়ে নেয়ার চেষ্টা ছিল আপ্রান।

জীবন সংগ্রামে নিজের মেধায় প্রাশ্চের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষ পর্যন্ত এসে চিকিৎসার অভাবে অকালে ঝরে যাওয়ার আশংকায় গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার লোহাগাছ গ্রামের কৃষক ফাইজুদ্দিনের ছেলে মোসাদ্দেকের।

১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে কথা হয় তার সাথে।

অসুস্থ্য মোসাদ্দেক জানান, আমার খুবই কষ্ট হয়। মাঝে মাঝে মনে হয় সুন্দর পৃথিবী আমাকে মেনে নেয়নি। আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন এবং আমাকে আর্থিক সহায়তা করবেন। বর্তমানে আমার নাক,মুখ ও কান দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। আমি বাঁচতে চাই।

সে জানান, শিক্ষা জীবনে ২০০৭ সালে প্রাইমারীতে বৃত্তি, ২০১০ সালে জেএসসিতে টেলেন্টপুলে বৃত্তি , ২০১৩ সালে এস.এস সি তে গোল্ডেন এ প্লাস ও ২০১৫ সালে এইচ.এস সিতে ঢাকা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগে মেধা তালিকায় অষ্টম স্থান অর্জন করে সে। এরপর ২০১৫-১৬ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়।

মোসাদ্দেক জানান, তার লান্সে ক্রিটিক্যাল সমস্যা হয়েছে। যার দরুন তার লান্স (ফুসফুস) প্রায় পচাত্তর ভাগ ড্যামেজ হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে তার শারীরিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ব্রংকিও এম্বোলাইজেশন চিকিৎসা করা হলে হয়তো বাঁচার সম্ভাবনা রয়েছে।

সে চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ৩/৪ বছর ঘুরে এদেশের ডাক্তারের পরামর্শে যান পার্শবর্তী দেশ ভারতে।

সেখানে ‘নারায়না সুপার শ্পেশালিটি হাসপাতাল’ এর ৩ জন বিশেষজ্ঞের বোর্ড বসে দ্রুত অপারেশনের জন্য টাকা যোগার করতে বলে তাকে।

মোসাদ্দেকের অসহায় বাবা-মা জানান, সহায়-সম্বল যা ছিলো সবই শেষ। নিজের চোখে এমন সূর্য সন্তানের শারীর ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাবে এটা কি কোন বাবা-মা মেনে নিতে পারবে।

আমরা তো হতদরিদ্র তাই অর্থের অভাবে নিজের মৃত্যুপথযাত্রী সন্তানের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান, সমাজহিতৈষী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্ধ, পরোপোকারী, সেবামুলক প্রতিষ্ঠান, সরকারী সাহায্য, সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের সহযোগীতা কামনা করছি।

মোসাদ্দেকের অপারেশন করাতে আনুমানিক ৮ লক্ষ টাকার প্রয়োজন।

সাহায্য পাঠাতে মোসাদ্দেকের ঠিকানা শ্রীপুর পৌরসভা, গ্রাম-লোহাগাছ, ওয়ার্ড-৩। সরাসরি তার কাছে যোগাযবা বিকাশে সাহায্য পাঠানোর মোবাইল নাম্বার- ০১৭৬২৩৮২৫৬

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

জীবন বাঁচাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র মোসাদ্দেকের প্রয়োজন ৮ লাখ টাকা

আপডেট : ০৭:৩৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সামসুল হক জুৃয়েল, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গ্রামের অসহায় এক পরিবারের ছেলে মোসাদ্দেক(২২)। সত্তরের কোটায় বাবার বয়স। বাবা- মা, ছোট একভাইসহ চার সদস্যের পরিবারের একমাত্র ভরসা মোসাদ্দেক।

সরকারি খাস জমিতে বসবাস করেও উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার।

অর্থের যোগান নেই, লেখাপড়ার খরচ নেই, তবুও অধম্য ইচ্ছায় নিজের ভাগ্যকে পরিবর্তনের যুদ্ধে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয় টিউশনী করে পরিবারের খরচ যোগানের পাশাপাশি নিজের লেখাপড়া চালিয়ে নেয়ার চেষ্টা ছিল আপ্রান।

জীবন সংগ্রামে নিজের মেধায় প্রাশ্চের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষ পর্যন্ত এসে চিকিৎসার অভাবে অকালে ঝরে যাওয়ার আশংকায় গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার লোহাগাছ গ্রামের কৃষক ফাইজুদ্দিনের ছেলে মোসাদ্দেকের।

১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে কথা হয় তার সাথে।

অসুস্থ্য মোসাদ্দেক জানান, আমার খুবই কষ্ট হয়। মাঝে মাঝে মনে হয় সুন্দর পৃথিবী আমাকে মেনে নেয়নি। আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন এবং আমাকে আর্থিক সহায়তা করবেন। বর্তমানে আমার নাক,মুখ ও কান দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। আমি বাঁচতে চাই।

সে জানান, শিক্ষা জীবনে ২০০৭ সালে প্রাইমারীতে বৃত্তি, ২০১০ সালে জেএসসিতে টেলেন্টপুলে বৃত্তি , ২০১৩ সালে এস.এস সি তে গোল্ডেন এ প্লাস ও ২০১৫ সালে এইচ.এস সিতে ঢাকা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগে মেধা তালিকায় অষ্টম স্থান অর্জন করে সে। এরপর ২০১৫-১৬ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়।

মোসাদ্দেক জানান, তার লান্সে ক্রিটিক্যাল সমস্যা হয়েছে। যার দরুন তার লান্স (ফুসফুস) প্রায় পচাত্তর ভাগ ড্যামেজ হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে তার শারীরিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ব্রংকিও এম্বোলাইজেশন চিকিৎসা করা হলে হয়তো বাঁচার সম্ভাবনা রয়েছে।

সে চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ৩/৪ বছর ঘুরে এদেশের ডাক্তারের পরামর্শে যান পার্শবর্তী দেশ ভারতে।

সেখানে ‘নারায়না সুপার শ্পেশালিটি হাসপাতাল’ এর ৩ জন বিশেষজ্ঞের বোর্ড বসে দ্রুত অপারেশনের জন্য টাকা যোগার করতে বলে তাকে।

মোসাদ্দেকের অসহায় বাবা-মা জানান, সহায়-সম্বল যা ছিলো সবই শেষ। নিজের চোখে এমন সূর্য সন্তানের শারীর ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাবে এটা কি কোন বাবা-মা মেনে নিতে পারবে।

আমরা তো হতদরিদ্র তাই অর্থের অভাবে নিজের মৃত্যুপথযাত্রী সন্তানের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান, সমাজহিতৈষী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্ধ, পরোপোকারী, সেবামুলক প্রতিষ্ঠান, সরকারী সাহায্য, সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের সহযোগীতা কামনা করছি।

মোসাদ্দেকের অপারেশন করাতে আনুমানিক ৮ লক্ষ টাকার প্রয়োজন।

সাহায্য পাঠাতে মোসাদ্দেকের ঠিকানা শ্রীপুর পৌরসভা, গ্রাম-লোহাগাছ, ওয়ার্ড-৩। সরাসরি তার কাছে যোগাযবা বিকাশে সাহায্য পাঠানোর মোবাইল নাম্বার- ০১৭৬২৩৮২৫৬