নেত্রকোনা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ঘুরে আসুন নুহাশ পল্লী…

  • আপডেট : ১২:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩
  • ১০৫৩ বার পঠিত

এসো ঝর ঝর বৃষ্টিতে/জল ভরা দৃষ্টিতে/এসো কোমল শ্যামল ছায়ায়’ অনেক আগেই হুমায়ুন আহমেদ আহ্বান জানিয়েছিলেন তার নিড়ে।  ঝর ঝর বৃষ্টিতে তার কোমল স্নিগ্ধ শ্যামল ছায়ার তরে। তবে আমাদের যেতে একটু বিলম্ব হয়েছিলো বটে।  আহ্বানের কিছুটা ব্যতিক্রমও ঘটেছিলো।  

বর্ষাকে উপেক্ষা করে বসন্তেই হাজির হয়েছিলাম নুহাশপল্লীতে।   নির্জীব সেই পল্লী। নির্মল আকাশ। প্রখর সূর্য।  গাছের পাতা ভাবলেশহীন।  শান্ত সৌম্য পরিবেশ।  উপরে লিচু, জাম আর শান্তির প্রতীক জলপাই গাছ। নিচে সবুজ ঘাসের গালিচা। যেন এক টুকরো শান্তি নিকেতন।  এইখানে চির নিদ্রায় উত্তরাধুনিক বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তী লেখক হুমায়ূন আহমেদ।  ,

বলছিলাম নুহাশ পল্লীর কথা।  হুমায়ূন আহমেদের সমাধির কথা। কিংবদন্তির পল্লীর সৌন্দর্যের কথা। এসব কিছু খুব কাছ থেকে ছুয়ে দেখতে ছুটে যায় আমরা।  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের বার্ষিক বনভোজনে হিমুর সাজে হলুদ রঙে সজ্জিত হয়ে মিলিত হই সবাই।  খুব সকালে রাজধানী পুরান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রওনা দিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছে যায় রুপকথার স্বর্গরাজ্য নুহাশ পল্লীতে।  ,

যেখানে ঘন বন আর বিশাল গাছের কোমল ছায়া। নুহাশ পল্লীর পশ্চিম পাশের দেয়াল ঘেঁষেই কিংবদন্তীর সমাধি। চারদিকে কাঁচের দেয়াল। ভেতরে অনেকটা জায়গা নিয়ে শ্বেত পাথরের সমাধি। শিথানের পাশে কাঁচের উপর হুমায়ূন আহমেদের স্বাক্ষর করা ফলক। পুরো জায়গাজুড়ে সুনশান নীরবতা। ,

নুহাশ পল্লীতে যাওয়ার ইচ্ছে অনেক দিনের। কিন্তু হয়ে ওঠেনি এর আগে। তবে এবার তা সফল হয়েছে। বিভাগের শিক্ষক মিল্টন বিশ্বাস, আরিফুল আবেদ(আদিত্য), রাহেল রাজিব, সোনিয়া পারভীন ও সাবরিন নাহার ম্যামের কল্যানে তা সম্ভব হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাথে ছিলেন। আর তাদের সহযোগিতায় ছিলো বিভাগের শিক্ষার্থীরা। ,

সাদামাটা নুহাশপল্লী। ভেতরে প্রবেশের দেখলাম বড় চত্বর। উত্তর দক্ষিণে লম্বা পুরো জায়গাটা। ডান পাশে জল ফোয়ারা, সুইমিং পুল। মা-ছেলের স্ট্যাচু। আমার চোখ খুঁজছিলো সমাধিস্থল। কিছুটা এগিয়ে গিয়ে বা পাশে সমাধি। সবার আগে সেখানে যাওয়ার তাগিদ অনুভব করলাম। ,’

হুমায়ূন আহমেদের সমাধিস্থলে গিয়ে মনে হল এই চত্বরের প্রতিটি বালুকনায়, ঘাসে, জলে-স্থলে মিশে আছেন সবার প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ। এখানে যতটা অক্সিজেন আছে নিশ্বাস নেওয়ার সবটুকুতে মিশে আছেন ওই মানুষটি। এর কিছুটা পূবে দাবা ঘর। ,

কাঠের তৈরি দাবার গুটি এখনো আছে। তবে ভেঙ্গে যাচ্ছে অনেকগুলো। ঘরটাতে প্রচুর ধুলাবালি। বন্ধু ফাহিমসহ কয়েকজন খেলার চেষ্টাও করলো কিছুক্ষণ। বাকিরা স্মৃতি রাখতে ছবি উঠানোয় ব্যকুল। ,

এদিকে বৃষ্টি বিলাস শূন্য। কে আর অমন শৈল্পিক বাসনায় বৃষ্টি দেখবে? একটি ভাঙা মোড়া। কয়েকটা জীর্ণ সোফা। সবকিছুতেই অযত্নের ছাপ। বৃষ্টি বিলাস ভবনের ভেতরে পোড়ো বাড়ির মতো কয়েকটি খালি খাট। লোকজন নেই। সেখানে আমরাই রাজত্ব করলাম কিছুক্ষণ।  পশ্চিম পাশের বিশাল টিনের ঘরের দিকে গেলাম না। মনে হচ্ছে কিছুই নেই ওতে। বটতলায় বুড়ো দৈত্য যেন শীর্ণকায়। তার নিচে মৎস্যকুমারী বড় একা! কোথাও কেউ নেই। তারপরেই জলসিঁড়ি সমৃদ্ধ বিশাল পুকুর। ,

শহুরে যান্ত্রিকতার বাইরে এমন বিশাল পুকুর পাওয়া মানে অন্য উম্মাদনা। দলবেঁধে লাফ-ঝাপ-সাঁতার। হুমায়ূন আহমদের সবচেয়ে প্রিয় জায়গাগুলোর একটা এই পুকুর ঘাট। যার নাম দিঘী লীলাবতী। এখানে তিনি অনেক সময় কাটিয়েছেন। অনেক নাটক সিনেমার শুটিং করেছেন এখানে।  পুকুরের উত্তর পাড়ে মাঝারি সাইজের বটগাছ। দক্ষিণে একটি নতুন একতলা ছোট ঘর। বৃষ্টি দেখার জন্য বোধহয় এরচেয়ে ভালো জায়গা আর নেই। পুকুরের মাঝখানে একটি ছোট দ্বীপ। তাতে আছে গাছের ছায়া। সেখানে যাওয়ার জন্য একটি কাঠের সেতু। তবে তার অবস্থা এখন জীর্ণশীর্ণ।

এর পরে দলবেঁধে সুইমিং পুলে গোসল, খেলা ও খুনসুটি। তারপরেই দুপুরের খাবারের প্রস্তুতি। একে একে সকলের খাওয়া শেষ হলে শুরু হয় খেলাধুলা আর র্যাফেল ড্র।  সেই সাথে নামলো সন্ধ্যা। সুনশান নিরাবতায় আবার ছেয়ে গেল নুহাশপল্লী। কৃত্তিম কোলাহল থামিয়ে বিদায় নিতে হলো ক্ষণিকের হিমুদের।  এরপর বাসে উঠে সারাদিনের তৃপ্তি ও সৌন্দর্যের বর্ণনা সবার মুখে। হুমায়ূন আহমেদের সার্থকতা যেনো এখানেই। সবাই বলে উঠলো দিনটি ভালো কাটলো। জায়গা সুন্দর। হুমায়ূন আহমেদ এভাবেই বেঁচে আছেন বাংলায়। ,

বাংলার মানুষদের মনে, প্রকৃতির পাতায়। এ প্রজন্ম তাকে আজীবন স্মরণ করবে। হাজারো ভক্ত পাঠকের হৃদয়ে তিনি চির ভাস্কর হয়ে থাকবেন হিমুর চরিত্রে। বিচরণ করবে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রুপার খোঁজে। ,’ সূত্র: jagonews24.com

লেখক : ইমরান হুসাইন , শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

ঘুরে আসুন নুহাশ পল্লী…

আপডেট : ১২:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩

এসো ঝর ঝর বৃষ্টিতে/জল ভরা দৃষ্টিতে/এসো কোমল শ্যামল ছায়ায়’ অনেক আগেই হুমায়ুন আহমেদ আহ্বান জানিয়েছিলেন তার নিড়ে।  ঝর ঝর বৃষ্টিতে তার কোমল স্নিগ্ধ শ্যামল ছায়ার তরে। তবে আমাদের যেতে একটু বিলম্ব হয়েছিলো বটে।  আহ্বানের কিছুটা ব্যতিক্রমও ঘটেছিলো।  

বর্ষাকে উপেক্ষা করে বসন্তেই হাজির হয়েছিলাম নুহাশপল্লীতে।   নির্জীব সেই পল্লী। নির্মল আকাশ। প্রখর সূর্য।  গাছের পাতা ভাবলেশহীন।  শান্ত সৌম্য পরিবেশ।  উপরে লিচু, জাম আর শান্তির প্রতীক জলপাই গাছ। নিচে সবুজ ঘাসের গালিচা। যেন এক টুকরো শান্তি নিকেতন।  এইখানে চির নিদ্রায় উত্তরাধুনিক বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তী লেখক হুমায়ূন আহমেদ।  ,

বলছিলাম নুহাশ পল্লীর কথা।  হুমায়ূন আহমেদের সমাধির কথা। কিংবদন্তির পল্লীর সৌন্দর্যের কথা। এসব কিছু খুব কাছ থেকে ছুয়ে দেখতে ছুটে যায় আমরা।  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের বার্ষিক বনভোজনে হিমুর সাজে হলুদ রঙে সজ্জিত হয়ে মিলিত হই সবাই।  খুব সকালে রাজধানী পুরান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রওনা দিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছে যায় রুপকথার স্বর্গরাজ্য নুহাশ পল্লীতে।  ,

যেখানে ঘন বন আর বিশাল গাছের কোমল ছায়া। নুহাশ পল্লীর পশ্চিম পাশের দেয়াল ঘেঁষেই কিংবদন্তীর সমাধি। চারদিকে কাঁচের দেয়াল। ভেতরে অনেকটা জায়গা নিয়ে শ্বেত পাথরের সমাধি। শিথানের পাশে কাঁচের উপর হুমায়ূন আহমেদের স্বাক্ষর করা ফলক। পুরো জায়গাজুড়ে সুনশান নীরবতা। ,

নুহাশ পল্লীতে যাওয়ার ইচ্ছে অনেক দিনের। কিন্তু হয়ে ওঠেনি এর আগে। তবে এবার তা সফল হয়েছে। বিভাগের শিক্ষক মিল্টন বিশ্বাস, আরিফুল আবেদ(আদিত্য), রাহেল রাজিব, সোনিয়া পারভীন ও সাবরিন নাহার ম্যামের কল্যানে তা সম্ভব হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাথে ছিলেন। আর তাদের সহযোগিতায় ছিলো বিভাগের শিক্ষার্থীরা। ,

সাদামাটা নুহাশপল্লী। ভেতরে প্রবেশের দেখলাম বড় চত্বর। উত্তর দক্ষিণে লম্বা পুরো জায়গাটা। ডান পাশে জল ফোয়ারা, সুইমিং পুল। মা-ছেলের স্ট্যাচু। আমার চোখ খুঁজছিলো সমাধিস্থল। কিছুটা এগিয়ে গিয়ে বা পাশে সমাধি। সবার আগে সেখানে যাওয়ার তাগিদ অনুভব করলাম। ,’

হুমায়ূন আহমেদের সমাধিস্থলে গিয়ে মনে হল এই চত্বরের প্রতিটি বালুকনায়, ঘাসে, জলে-স্থলে মিশে আছেন সবার প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ। এখানে যতটা অক্সিজেন আছে নিশ্বাস নেওয়ার সবটুকুতে মিশে আছেন ওই মানুষটি। এর কিছুটা পূবে দাবা ঘর। ,

কাঠের তৈরি দাবার গুটি এখনো আছে। তবে ভেঙ্গে যাচ্ছে অনেকগুলো। ঘরটাতে প্রচুর ধুলাবালি। বন্ধু ফাহিমসহ কয়েকজন খেলার চেষ্টাও করলো কিছুক্ষণ। বাকিরা স্মৃতি রাখতে ছবি উঠানোয় ব্যকুল। ,

এদিকে বৃষ্টি বিলাস শূন্য। কে আর অমন শৈল্পিক বাসনায় বৃষ্টি দেখবে? একটি ভাঙা মোড়া। কয়েকটা জীর্ণ সোফা। সবকিছুতেই অযত্নের ছাপ। বৃষ্টি বিলাস ভবনের ভেতরে পোড়ো বাড়ির মতো কয়েকটি খালি খাট। লোকজন নেই। সেখানে আমরাই রাজত্ব করলাম কিছুক্ষণ।  পশ্চিম পাশের বিশাল টিনের ঘরের দিকে গেলাম না। মনে হচ্ছে কিছুই নেই ওতে। বটতলায় বুড়ো দৈত্য যেন শীর্ণকায়। তার নিচে মৎস্যকুমারী বড় একা! কোথাও কেউ নেই। তারপরেই জলসিঁড়ি সমৃদ্ধ বিশাল পুকুর। ,

শহুরে যান্ত্রিকতার বাইরে এমন বিশাল পুকুর পাওয়া মানে অন্য উম্মাদনা। দলবেঁধে লাফ-ঝাপ-সাঁতার। হুমায়ূন আহমদের সবচেয়ে প্রিয় জায়গাগুলোর একটা এই পুকুর ঘাট। যার নাম দিঘী লীলাবতী। এখানে তিনি অনেক সময় কাটিয়েছেন। অনেক নাটক সিনেমার শুটিং করেছেন এখানে।  পুকুরের উত্তর পাড়ে মাঝারি সাইজের বটগাছ। দক্ষিণে একটি নতুন একতলা ছোট ঘর। বৃষ্টি দেখার জন্য বোধহয় এরচেয়ে ভালো জায়গা আর নেই। পুকুরের মাঝখানে একটি ছোট দ্বীপ। তাতে আছে গাছের ছায়া। সেখানে যাওয়ার জন্য একটি কাঠের সেতু। তবে তার অবস্থা এখন জীর্ণশীর্ণ।

এর পরে দলবেঁধে সুইমিং পুলে গোসল, খেলা ও খুনসুটি। তারপরেই দুপুরের খাবারের প্রস্তুতি। একে একে সকলের খাওয়া শেষ হলে শুরু হয় খেলাধুলা আর র্যাফেল ড্র।  সেই সাথে নামলো সন্ধ্যা। সুনশান নিরাবতায় আবার ছেয়ে গেল নুহাশপল্লী। কৃত্তিম কোলাহল থামিয়ে বিদায় নিতে হলো ক্ষণিকের হিমুদের।  এরপর বাসে উঠে সারাদিনের তৃপ্তি ও সৌন্দর্যের বর্ণনা সবার মুখে। হুমায়ূন আহমেদের সার্থকতা যেনো এখানেই। সবাই বলে উঠলো দিনটি ভালো কাটলো। জায়গা সুন্দর। হুমায়ূন আহমেদ এভাবেই বেঁচে আছেন বাংলায়। ,

বাংলার মানুষদের মনে, প্রকৃতির পাতায়। এ প্রজন্ম তাকে আজীবন স্মরণ করবে। হাজারো ভক্ত পাঠকের হৃদয়ে তিনি চির ভাস্কর হয়ে থাকবেন হিমুর চরিত্রে। বিচরণ করবে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রুপার খোঁজে। ,’ সূত্র: jagonews24.com

লেখক : ইমরান হুসাইন , শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।