নেত্রকোনা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গৌরীপুরে গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা

গৌরীপুর  উপজেলার অধিকাংশ রাস্তারই এখন বেহাল দশা। রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করাতে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। কিছু কিছু গ্রামীণ সড়ক পাকা করা হলেও অতিরিক্ত মাল বোঝাই ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে উপজেলার অভ্যন্তরীণ অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক যানবাহন চলাচলের সম্পূর্ণভাবে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে রাস্তার দু পাশে মাটি না থাকায় ভেঙ্গে যাচ্চে এমনকি বাস্তার মাঝ খানে ফাঠল ধরেছে রাস্তা নিচ দিকে দেবে যাচ্চে ।

এ রাস্তাগুলো বারবার সংস্কার করা হলেও সড়কগুলো দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। রাস্তাগুলোতে খানা-খন্দক থাকায় যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গ্রামীণ সড়কে ৫ টনের বেশি মালামাল বহন করার বিধি-নিষেধ থাকলেও আইন মানার ও প্রয়োগের কোনো বালাই নেই স্থানীয় প্রশাসনের। ২৫/৩০ টনের মালবাহী ট্রাক অবাধে চলাচল করলেও এ ব্যাপারে কারো কোন  মাথাব্যথা নেই।

বিশেষ করে লংকাখোলা মোড়  হইতে কুমড়ী পর্যন্ত সংযোগ সড়কের অবস্থা বেশি খুব বেশী খারাপ, ভূটিয়ারকোনা বাজার সংলগ্ন  হাইওয়ের সাইট ক্যাম্প করে রাস্তার বালু, ইটের খোয়া পাথর সহ মিকচার মেশিন দিয়ে মিশিয়ে নেওয়া হচ্ছে নেত্রকোনা টু ঈশ্বরগঞ্জ হাইওয়ে রাস্তায় । এর ফলে এই গ্রামীন রাস্তায় ৫ টনের উপরে মালামাল না নেওয়ার নির্দেশ থাকলেও নিয়মনীতি তুয়াক্কা না করে ক্ষমতার দাপটে এই গ্রামীন (এলজিডি) সড়কে চলছে ১০ চাকার কার্গোগাড়ী।  এতে রাস্তার মাঝখানে ফাঠল ধরে নিচ দিকে ধেবে যাচ্চে  এমনকি সকল রাস্তার পাথর উঠে গেছে  প্রতিদিন মালবাহী ট্রাক-বাস ও অটোরিক্সা বিকল হয়ে যানজটের সৃষ্টি করছে।

গৌরীপুর টু রামপুর সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে ৫/৬টি  ইটভাটা। এই রাস্তায় প্রতিদিন ২৫/৩০ টন মালামাল নিয়ে চলছে শত শত ট্রাক। ভাটায় ও হাইওয়ে রাস্তা পরিবহনের নিষিদ্ধ ট্রাকট্রর  মিনি ট্রাক, ট্রলি,চলছে লাইন ধরে। গৌরীপুর  থেকে রামপুর  যাওয়ার পাকা সড়কটি দেখলে এখন আর মনে হবে না কয়েক বছর ধরে মেরামত করা হয়নি, এই সড়ক দিয়ে একবার  চলাচল করলে অন্যবার আর কেহ আসবেনা কারন দুলু বালি দিয়ে একেবারে সাদা হয়ে যেতে  হয়  এতে করে পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে যাছে খুজ নিয়ে জানাযায় স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের শর্দি, কাশ, জ্বর, সহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।অনেকের ধারনা এই ধুলা বালি পেটের বিতরে গেল শ্বাস কষ্টের সৃষ্টি হতে। এ ব্যাপারে গৌরীপুর উপজেলা প্রকৌশলী  বলেন হাইওয়ে রাস্তার মালামাল নেওয়া হচ্ছে এ বিষয়ে আমি কি বলব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

গৌরীপুরে গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা

আপডেট : ০৬:২৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

গৌরীপুর  উপজেলার অধিকাংশ রাস্তারই এখন বেহাল দশা। রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করাতে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। কিছু কিছু গ্রামীণ সড়ক পাকা করা হলেও অতিরিক্ত মাল বোঝাই ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে উপজেলার অভ্যন্তরীণ অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক যানবাহন চলাচলের সম্পূর্ণভাবে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে রাস্তার দু পাশে মাটি না থাকায় ভেঙ্গে যাচ্চে এমনকি বাস্তার মাঝ খানে ফাঠল ধরেছে রাস্তা নিচ দিকে দেবে যাচ্চে ।

এ রাস্তাগুলো বারবার সংস্কার করা হলেও সড়কগুলো দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। রাস্তাগুলোতে খানা-খন্দক থাকায় যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গ্রামীণ সড়কে ৫ টনের বেশি মালামাল বহন করার বিধি-নিষেধ থাকলেও আইন মানার ও প্রয়োগের কোনো বালাই নেই স্থানীয় প্রশাসনের। ২৫/৩০ টনের মালবাহী ট্রাক অবাধে চলাচল করলেও এ ব্যাপারে কারো কোন  মাথাব্যথা নেই।

বিশেষ করে লংকাখোলা মোড়  হইতে কুমড়ী পর্যন্ত সংযোগ সড়কের অবস্থা বেশি খুব বেশী খারাপ, ভূটিয়ারকোনা বাজার সংলগ্ন  হাইওয়ের সাইট ক্যাম্প করে রাস্তার বালু, ইটের খোয়া পাথর সহ মিকচার মেশিন দিয়ে মিশিয়ে নেওয়া হচ্ছে নেত্রকোনা টু ঈশ্বরগঞ্জ হাইওয়ে রাস্তায় । এর ফলে এই গ্রামীন রাস্তায় ৫ টনের উপরে মালামাল না নেওয়ার নির্দেশ থাকলেও নিয়মনীতি তুয়াক্কা না করে ক্ষমতার দাপটে এই গ্রামীন (এলজিডি) সড়কে চলছে ১০ চাকার কার্গোগাড়ী।  এতে রাস্তার মাঝখানে ফাঠল ধরে নিচ দিকে ধেবে যাচ্চে  এমনকি সকল রাস্তার পাথর উঠে গেছে  প্রতিদিন মালবাহী ট্রাক-বাস ও অটোরিক্সা বিকল হয়ে যানজটের সৃষ্টি করছে।

গৌরীপুর টু রামপুর সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে ৫/৬টি  ইটভাটা। এই রাস্তায় প্রতিদিন ২৫/৩০ টন মালামাল নিয়ে চলছে শত শত ট্রাক। ভাটায় ও হাইওয়ে রাস্তা পরিবহনের নিষিদ্ধ ট্রাকট্রর  মিনি ট্রাক, ট্রলি,চলছে লাইন ধরে। গৌরীপুর  থেকে রামপুর  যাওয়ার পাকা সড়কটি দেখলে এখন আর মনে হবে না কয়েক বছর ধরে মেরামত করা হয়নি, এই সড়ক দিয়ে একবার  চলাচল করলে অন্যবার আর কেহ আসবেনা কারন দুলু বালি দিয়ে একেবারে সাদা হয়ে যেতে  হয়  এতে করে পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে যাছে খুজ নিয়ে জানাযায় স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের শর্দি, কাশ, জ্বর, সহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।অনেকের ধারনা এই ধুলা বালি পেটের বিতরে গেল শ্বাস কষ্টের সৃষ্টি হতে। এ ব্যাপারে গৌরীপুর উপজেলা প্রকৌশলী  বলেন হাইওয়ে রাস্তার মালামাল নেওয়া হচ্ছে এ বিষয়ে আমি কি বলব।