সোমবার ২৫শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

গুজবের দায় কার

মেহেদি রহমান নিকাশ:  |  আপডেট ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২০ | প্রিন্ট  | 149

গুজবের দায় কার

এখন তথ্য আদান-প্রদান যেমন সহজ হয়ে উঠেছে, গুজব রটনাও তেমনি দৃষ্টিগোচর হচ্ছে বেশি। তথ্য বিকৃতি বা ভুয়া তথ্য প্রচারে কাউকে বেগ পেতে হয় না। একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসই যথেষ্ট। গুজব সমস্যা যে শুধু আমাদের দেশেই তা কিন্তু নয়। উন্নত দেশও এ সমস্যা সমাধানে হিমশিম খাচ্ছে।

এসবের জন্য সবচেয়ে বড় দায় রয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেক উপকারে আসলেও নেতিবাচক দিক নেহাত কম নয়। এর পেছনে কারণ কী? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রয়েছে অবাধ প্রবেশ। এখানে যা ইচ্ছা বলতে পারা যায়, যা ইচ্ছা করতে পারা যায়। সেন্সরশিপের কোনো ঝামেলা নেই।


গালাগালের ভিডিও বানিয়ে ভাইরাল হয়ে গেছেন এমন নজির বেশি বৈ কম নয়। ফলে, দেখা যায় আজেবাজে কন্টেন্টের যতটা ভিউ, ভালো, কন্টেন্টের ভিউ তার ধারে কাছেও নেই। তাই এমন মাধ্যমে যখন গুজব ছড়ানো হয়, তখন খুব সহজে উচ্চবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্ত পর্যায়ের সকলের কাছে তা পৌঁছে যায়। অনেকে বিশ্বাস করে বিভ্রান্তও হয়। মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যায় মাত্র একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে।

ওমুক-তমুক তৈরিতে মানুষের মাথা-রক্ত লাগবে। অমুক পাতা খেলে করোনা সারবে, তমুক ব্যক্তি ধর্ম, কর্ম, জাতের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন ইত্যাদি নানা প্রকার গুজবের উপদ্রব দেখা যায়। একটি মূলধারার গণমাধ্যম চাইলেই যা-তা লিখতে বা প্রচার করতে পারে না। তাকে ঘটনার গভীরে যেতে হয়। সত্যতা যাচাই করতে হয়। কিন্তু ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্টদের এত কাজ নেই। তাদের দরকার ভাইরাল করা, গুজব সৃষ্টি করা। এভাবেই গুজবের ফলন খুব ভালোভাবে বাড়ছে।

যারা গুজব রটাচ্ছে শুধু তাদেরই দোষ? একতরফাভাবে তাদের কী আমরা দোষী বলতে পারি? যার কাজ গুজব রটানোর, সে গুজব রটাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ কেন গুজবে বিশ্বাস করছে? এর পেছেন রয়েছে বিভিন্ন সময়ে মূলধারার গণমাধ্যমের নীরবতা। তাদের প্রতি জনগণের অবিশ্বাস।

দেখা যায়, বিভিন্ন ইস্যুতে যখন গণমাধ্যম নীরব থাকে, তখন মানুষ নানাভাবে তথ্য খুঁজতে থাকে। কিন্তু তারা তথ্য পায় না। শেষে ক্লান্ত হয়ে তাদের বিশ্বাস ভর করে তথাকথিত গুজবের ওপর। তাই শুধু গুজব সৃষ্টিকারীদের ওপর দোষ না চাপিয়ে সবাইকে এর বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। সরকার ইতোমধ্যে গুজব রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আরও বেশি উদ্যোগ নিতে হবে। মূলধারার গণমাধ্যমের ওপর যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে হবে।

শিক্ষার্থী, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি।

চট্টগ্রাম/মাহফুজ/মাহি

Source link

শেয়ার করুন..

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
ঘোষনা : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া খবরা খবর জানাতে আমাদের ফোন করুন-০১৭১৩৫৭৩৫০২ এই নাম্বারে ☎ গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সমূহ : ☎ জরুরী সেবা : ৯৯৯ ☎ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২☎ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ☎ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০☎ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ☎ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮☎ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ☎ শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র : ০১৩২০১০৪৩৩৩ ☎ ওসি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা : ০১৩২০১৮২৮২৬ ☎ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, পূর্বধলা: ০১৭০০৭১৭২১২/০৯৫৩২৫৬১০৬ ☎ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮৩৮৭৫৮৭/০১৭০৮৪১৫০২২ ☎ উপজেলা মৎস্য অফিসার, পূর্বধলা : ০১৫১৫-৬১৪৯২১ ☎ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পূর্বধলা : ০১৯৯০-৭০৩০২০ ☎ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮-৭২৮২৯৪ ☎ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্বধলা :০১৭০৮-১৬১৪৫৭ ☎ উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৯১৪-৯১৯৯৩৮ ☎ উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, পূর্বধলা : ০১৯১৬-৮২৬৬৬৮ ☎ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১১-৭৮৯৭৯৮ ☎ উপজেলা কৃষি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৬-৭৯৮৯৪৬ ☎ উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৫-৪৭৪২৯৬ ☎ উপজেলা সমবায় অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৭-০৪৩৬৩৯ ☎ সম্পাদক পূর্বকন্ঠ ☎ ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ☎
মোঃ শফিকুল আলম শাহীন সম্পাদক ও প্রকাশক
পূর্বকণ্ঠ ২০১৬ সালে তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা।

হেল্প লাইনঃ +৮৮০৯৬৯৬৭৭৩৫০২

E-mail: info@purbakantho.com