নেত্রকোনা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় সাবেক আ. লীগ নেতা ও ইউপি চেয়াম্যানের চেম্বার ভাঙচুর, দ্রুত বিচার আইনে মামলা

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা আ. লীগের এক সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত চেম্বার ও সাবেক আ.লীগের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন ওই চেম্বারের মালিক হুমায়ুন কবির চৌধুরী। ভাঙচুর ঘটনায় সিলিমপুর গ্রামের মৃত মিজবুর রহমান মজলুর ছেলে ও উপজেলা যুবলীগের আহব্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান বিপুলকে (৪০) প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আ. লীগের পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ আরো ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে দ্রুত বিচার আইনে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়ার থানা ওসি মো. রাশেদুজ্জামান।

মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন- কান্দিউড়া গ্রামের মৃত ইদু মহাজনের ছেলে আফরিদ জাহান খান স্বপন (২৫), আলীপুর গ্রামের মৃত আ. রহমানের ছেলে মাজহারুল ইসলাম জুয়েল (৪০), ওয়াসেরপুর গ্রামের মৃত আ. রশিদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪২), জফরপুর গ্রামর রহিছ উদ্দিনের ছেলে ইফতিকার (২৮) ও কেন্দুয়া বাজার এলাকার শ্রী বল্লভ পোদ্দারের ছেলে তাপন পোদ্দার (৪০)। বাদী সহ অভিযুক্তরা সকলে আওলামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতা-কর্মী।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ১ জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আসামিগণসহ আরো অনেকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করে মামলার বাদীর কেন্দুয়া পৌরসভাধীন উপজেলা রোডে সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন চেম্বারে ভাঙচুর চালায়। এ সময় বাদীর চেম্বারে টিভি ও বিভিন্ন ধরণের আসবাবপত্র এলাপাথারী কুপিয়ে ও ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। ওই দিন দুপুরে তার স্ত্রীর নামে এনআরসি ব্যাংক কেন্দুয়া শাখার হিসাব হতে ৪ লক্ষ উত্তোলন করে চেম্বারে সেক্রেটারী টেবিলের ড্রয়ার রাখা ছিল এবং ঘটনার সময় ড্রয়ারের তালা ভেঙে সমুদয় টাকা নিয়ে বীরদর্পে পালিয়ে যায়।

এব্যাপারে কেন্দুয়ার থানার ওসি মো. রাশেদুজ্জামান রবিবার সন্ধ্যায় মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার তিনদিন পর এজাহার দিয়েছে বাদী হুমায়ুন কবির চৌধুরী। আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০০ (সংশোধনী) ২০১৯ এর ৪/৫ ধারায় মামলাটি আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

কেন্দুয়ায় সাবেক আ. লীগ নেতা ও ইউপি চেয়াম্যানের চেম্বার ভাঙচুর, দ্রুত বিচার আইনে মামলা

আপডেট : ০৬:৪০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২০

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা আ. লীগের এক সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত চেম্বার ও সাবেক আ.লীগের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন ওই চেম্বারের মালিক হুমায়ুন কবির চৌধুরী। ভাঙচুর ঘটনায় সিলিমপুর গ্রামের মৃত মিজবুর রহমান মজলুর ছেলে ও উপজেলা যুবলীগের আহব্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান বিপুলকে (৪০) প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আ. লীগের পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ আরো ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে দ্রুত বিচার আইনে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়ার থানা ওসি মো. রাশেদুজ্জামান।

মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন- কান্দিউড়া গ্রামের মৃত ইদু মহাজনের ছেলে আফরিদ জাহান খান স্বপন (২৫), আলীপুর গ্রামের মৃত আ. রহমানের ছেলে মাজহারুল ইসলাম জুয়েল (৪০), ওয়াসেরপুর গ্রামের মৃত আ. রশিদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪২), জফরপুর গ্রামর রহিছ উদ্দিনের ছেলে ইফতিকার (২৮) ও কেন্দুয়া বাজার এলাকার শ্রী বল্লভ পোদ্দারের ছেলে তাপন পোদ্দার (৪০)। বাদী সহ অভিযুক্তরা সকলে আওলামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতা-কর্মী।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ১ জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আসামিগণসহ আরো অনেকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করে মামলার বাদীর কেন্দুয়া পৌরসভাধীন উপজেলা রোডে সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন চেম্বারে ভাঙচুর চালায়। এ সময় বাদীর চেম্বারে টিভি ও বিভিন্ন ধরণের আসবাবপত্র এলাপাথারী কুপিয়ে ও ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। ওই দিন দুপুরে তার স্ত্রীর নামে এনআরসি ব্যাংক কেন্দুয়া শাখার হিসাব হতে ৪ লক্ষ উত্তোলন করে চেম্বারে সেক্রেটারী টেবিলের ড্রয়ার রাখা ছিল এবং ঘটনার সময় ড্রয়ারের তালা ভেঙে সমুদয় টাকা নিয়ে বীরদর্পে পালিয়ে যায়।

এব্যাপারে কেন্দুয়ার থানার ওসি মো. রাশেদুজ্জামান রবিবার সন্ধ্যায় মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার তিনদিন পর এজাহার দিয়েছে বাদী হুমায়ুন কবির চৌধুরী। আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০০ (সংশোধনী) ২০১৯ এর ৪/৫ ধারায় মামলাটি আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।