নেত্রকোনা ০২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

  • আপডেট : ০৪:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯
  • ৩৮৮

কে. এম. সাখাওয়াত হোসেন, নেত্রকোনা :

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় উপজেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২ অক্টোবর) সকালে কেন্দুয়া পৌর এলাকার সাবিরুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে স্বাবলম্বীর সহযোগিতায় উপজেলা কমিটি সম্মেলনের আয়োজন করে।

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আহবায়ক কমিটির আহবায়ক ওয়াহিদুজ্জামান খান পাঠান।

বক্তব্য রাখেন, কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলাম, পৌর মেয়র আসাদুল হক ভূঁইয়া, ওসি মো. রাশেদুজ্জামান, স্বাবলম্বীর প্রকল্প পরিচালক স্বপন পাল, জেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক আলপনা বেগম, সহকারী প্রকল্প পরিচালক মোরশেদ ইকবাল রিমু, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুখলেছুর রহমান বাঙ্গালী, সাবেক সভাপতি রইস উদ্দিন, সাংবাদিক রাখাল বিশ্বাস, সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা ও আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাজাহারুল ইসলাম মাজু প্রমুখ।

পরে জেলা কমিটির সম্পাদক আলপনা বেগমের সভাপতিত্বে দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি নির্বাচিত হয়। সাবেক প্রধান শিক্ষক রইস উদ্দিনকে সভাপতি ও কল্যাণী হাসানকে সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, যে কোন অপরাধী যেনো সমাজে ছাড় না পায় এবং কেউ বিনা অপরাধে যাতে শাস্তি না পায় এটাই হচ্ছে এই সংগঠনের উদ্দ্যেশ্যে। পাশাপাশি নারীদেরকে এগিয়ে নিতে এবং ঘরে বাইরে যাতে হয়রানির শিকার না হতে হয় সেটিই মূল লক্ষ্য।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমাদের প্রকাশনা “পূর্বকন্ঠ” স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব।

ইরাকে সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, হতাহত ৯

কেন্দুয়ায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেট : ০৪:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯

কে. এম. সাখাওয়াত হোসেন, নেত্রকোনা :

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় উপজেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২ অক্টোবর) সকালে কেন্দুয়া পৌর এলাকার সাবিরুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে স্বাবলম্বীর সহযোগিতায় উপজেলা কমিটি সম্মেলনের আয়োজন করে।

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আহবায়ক কমিটির আহবায়ক ওয়াহিদুজ্জামান খান পাঠান।

বক্তব্য রাখেন, কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলাম, পৌর মেয়র আসাদুল হক ভূঁইয়া, ওসি মো. রাশেদুজ্জামান, স্বাবলম্বীর প্রকল্প পরিচালক স্বপন পাল, জেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক আলপনা বেগম, সহকারী প্রকল্প পরিচালক মোরশেদ ইকবাল রিমু, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুখলেছুর রহমান বাঙ্গালী, সাবেক সভাপতি রইস উদ্দিন, সাংবাদিক রাখাল বিশ্বাস, সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা ও আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাজাহারুল ইসলাম মাজু প্রমুখ।

পরে জেলা কমিটির সম্পাদক আলপনা বেগমের সভাপতিত্বে দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি নির্বাচিত হয়। সাবেক প্রধান শিক্ষক রইস উদ্দিনকে সভাপতি ও কল্যাণী হাসানকে সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, যে কোন অপরাধী যেনো সমাজে ছাড় না পায় এবং কেউ বিনা অপরাধে যাতে শাস্তি না পায় এটাই হচ্ছে এই সংগঠনের উদ্দ্যেশ্যে। পাশাপাশি নারীদেরকে এগিয়ে নিতে এবং ঘরে বাইরে যাতে হয়রানির শিকার না হতে হয় সেটিই মূল লক্ষ্য।