নেত্রকোনা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘কৃষিতে জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার’

  • আপডেট : ১০:০৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অক্টোবর ২০২২
  • ৪০

ঢাকা: কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করার জন্য কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। জলবায়ু রক্ষায় উন্নত দেশ থেকে ফান্ড পাওয়া যাবে না ও তারা প্রতিশ্রুতি রাখবে না, সেটি জেনেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সফলভাবে মোকাবিলা করে যাচ্ছেন।,

শনিবার (১ অক্টোবর) গাজীপুরের শ্রীপুরের তেলিহাতিতে সিসিডিবি ক্লাইমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। খ্রিশ্চিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।,


কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে ক্ষতি হচ্ছে তা মোকাবেলা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী অকাতরে কৃষিতে এবং কৃষিসংক্রান্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বরাদ্দ দিচ্ছেন এবং তা অব্যাহত থাকবে। আমরা সারের জন্য যদি বছরে ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে পারি, তাহলে ক্লাইমেট চেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও বরাদ্দ অব্যাহত রাখতে পারব। বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে যেকোনো মূল্যে দেশের সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের কৃষি সেক্টর। আর কৃষিখাতে যে ক্ষতি হবে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হুমকির মধ্যে রয়েছে দেশের গ্রামের কৃষকেরা। কারণ দেশের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই কৃষিকে সর্বপ্রথম প্রটেক্ট করতে হবে। এটাই প্রথম চ্যালেঞ্জ। সেইসঙ্গে অন্যান্য সেক্টরকেও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করতে হবে।’

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ২ মিলিয়ন হেক্টর জমি লবণাক্ত উল্লেখ করে ড. রাজ্জাক বলেন, ‘এসব এলাকায় ইতোমধ্যে লবণাক্তসহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের চাষ শুরু হয়েছে। যা কৃষকদের মাঝে প্রচুর সাড়া ফেলেছে।’

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ, সিসিডিবির অ্যাডভাইজরি বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত, বোর্ডের সদস্য জলবায়ু বিজ্ঞানী সালিমুল হক, ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড-জার্মানির পরিচালক পেট্রা বারনার, সিসিডিবি কমিশনের চেয়ারম্যান ডেভিড এ হালদার, সিসিডিবির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়েট কেয়া মালাকার প্রমুখ বক্তব্য দেন।,

from Sarabangla https://ift.tt/ktmGFUh

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি।

‘কৃষিতে জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার’

আপডেট : ১০:০৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অক্টোবর ২০২২

ঢাকা: কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করার জন্য কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। জলবায়ু রক্ষায় উন্নত দেশ থেকে ফান্ড পাওয়া যাবে না ও তারা প্রতিশ্রুতি রাখবে না, সেটি জেনেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সফলভাবে মোকাবিলা করে যাচ্ছেন।,

শনিবার (১ অক্টোবর) গাজীপুরের শ্রীপুরের তেলিহাতিতে সিসিডিবি ক্লাইমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। খ্রিশ্চিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।,


কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে ক্ষতি হচ্ছে তা মোকাবেলা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী অকাতরে কৃষিতে এবং কৃষিসংক্রান্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বরাদ্দ দিচ্ছেন এবং তা অব্যাহত থাকবে। আমরা সারের জন্য যদি বছরে ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে পারি, তাহলে ক্লাইমেট চেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও বরাদ্দ অব্যাহত রাখতে পারব। বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে যেকোনো মূল্যে দেশের সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের কৃষি সেক্টর। আর কৃষিখাতে যে ক্ষতি হবে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হুমকির মধ্যে রয়েছে দেশের গ্রামের কৃষকেরা। কারণ দেশের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই কৃষিকে সর্বপ্রথম প্রটেক্ট করতে হবে। এটাই প্রথম চ্যালেঞ্জ। সেইসঙ্গে অন্যান্য সেক্টরকেও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করতে হবে।’

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ২ মিলিয়ন হেক্টর জমি লবণাক্ত উল্লেখ করে ড. রাজ্জাক বলেন, ‘এসব এলাকায় ইতোমধ্যে লবণাক্তসহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের চাষ শুরু হয়েছে। যা কৃষকদের মাঝে প্রচুর সাড়া ফেলেছে।’

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ, সিসিডিবির অ্যাডভাইজরি বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত, বোর্ডের সদস্য জলবায়ু বিজ্ঞানী সালিমুল হক, ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড-জার্মানির পরিচালক পেট্রা বারনার, সিসিডিবি কমিশনের চেয়ারম্যান ডেভিড এ হালদার, সিসিডিবির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়েট কেয়া মালাকার প্রমুখ বক্তব্য দেন।,

from Sarabangla https://ift.tt/ktmGFUh