নেত্রকোনা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় ২১তম কাজী আরেফ আহমেদ হত্যা দিবস পালিত

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও স্বাধীন বাংলার পতাকা রূপকার নিউক্লিয়াস সদস্য সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী আরেফসহ ৫জাসদ নেতাকে হত্যা দায়ে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামীদের গ্রেফতার ও রায় কার্যকরের দাবিতে নৃশংস এই হত্যাকান্ডের ২১তম দিবস পালিত হয়েছে।

রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রæয়ারী সংগঠিত নৃশংস এই হত্যা দিবস স্মরণে কাজী আরেফ স্মৃতি সংসদের আয়োজনে এবং সংসদের সাধারণ সম্পাদক কারশেদ আলমের সভাপতিত্বে কুষ্টিয়া পৌরসভা বিজয় উল্লাস চত্বরে শিশু কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, কাজী আরেফ’র রণাঙ্গনের সহযোদ্ধা বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আব্দুল জলিল, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপন, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, জেলা জাসদ সভাপতি গোলাম মহসিন, সিপিবি কুষ্টিয়ার সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ফজলুল হক বুলবুল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কনক চৌধুরী ও শাহীন সরকার, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, কেন্দীয় নেতা শরিফুল কবীর স্বপন, জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, লেখক ও কবি ডা. তাজ উদ্দিন, লেখক আব্দুল আজিজ, মিরপুর জাাসদ নেতা আহাম্মদ আলী, সদর উপজেলা জাসদ সভাপতি আমিরুল ইসলাম মকলু, সাবেক ছাত্রনেতা রাশিব রহমান, খোসকা উপজেলা জাসদ নেতা সাইফুজ্জামান রুবেল যুব নেতা সাইফুল ইসলাম পিন্টু। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন মাহবুব হাসান।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৯৯ সালে ১৬ ফেব্রæয়ারী তৎকালীন সন্ত্রাস কবলিত রক্তাক্ত জনপদ খ্যাত কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের কালিদাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ চলাকালে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসীরা মহান মুক্তিযুদ্ধের এই সংগঠক জাতীয় নেতা কাজী আরেফ আহামেদসহ জেলা জাসদের সভাপতি বীরমুক্তিযুদ্ধা লোকমান হোসেন,সাধারন সম্পাদক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা এ্যাডঃ ইয়াকুব আলী,স্থানীয় নেতা ইসরাইল হোসেন তফসের ও শমসের মন্ডল ৫জাসদ নেতাকে ব্রাশফায়ার করে হত্যাকরে।

নৃশংস এই হত্যাকান্ড এঘটনায় তৎকালীন দৌলতপুর থানার ওসি ইসাহক আলী বাদী হয়ে করা হত্যা মামলাটি নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তদন্ত শেষে জড়িত অভিযোগে ২৯ আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন এবং বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হয় আদালতে। ২০০৪ সালের ৩০ আগষ্ট আদালত ১০ জনের মৃত্যুদন্ড এবং ১২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেন। রায় পরবর্তীতে নি¤œ ও উচ্চ আদালতে সকল বিচারিক বিধি সম্পন্ন করে ২০০৮ সালে শুধুমাত্র ৯জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখে বাকীদের খালাস দেন উচ্চ আদালত। এই ৯ জনের মধ্যে জামিনে থেকে অদ্যবধি ৫জন পলাতক থাকলেও ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারীতে কারান্তরীন ৩আসামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয় এবং এরপূর্বে অসুস্থ্য হয়ে কারাগারেই ১আসামীর মৃত্যু হয়। দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামীরা হলেন- মান্নাস মোল্লা, জালাল উদ্দিন ওরফে বাসার, বাকের, রওশন এবং জীবন।

দন্ডপ্রাপ্ত এসব পলাতক আসমীরা পাশর্^বর্তী ভারতে অবস্থান করেন এবং মাঝে মধ্যেই সীমান্ত পার হয়ে এসে পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং নানা অপরাধ সংগঠনের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে আবার ভারতে ফিরে যান বলে অভিযোগ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী ও আরেফ স্মৃতি সংসদের সভাপতি কারশেদ আলমসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও নিহত নেতৃবৃন্দের রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের। অবিলম্বে এসব আসামীদের গ্রেফতার ও রায় কর্যকরের দাবি তাদের।

কাজী আরেফ’র রণাঙ্গনের সহযোদ্ধা বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আব্দুল জলিল বলেন,মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধা হিসেবে একজন বজ্রমুষ্ঠি আদর্শের প্রতীক হিসেবে সাথে পেয়ে কুষ্টিয়ার সকল বীরযোদ্ধা গর্ববোধ করতেন। এমন এক সহযোদ্ধাকে হারিয়ে সারা দেশবাসীর ন্যায় কুষ্টিয়াবাসীও ব্যথিত হয়েছেন। জেলাবাসী এই নির্মম হত্যাযজ্ঞের একটা ন্যায় বিচার কামনা করেছিল যা ইতোমধ্যে তিনজন আসামীর দন্ডকার্যকরের মধ্যদিয়ে জেলাবাসীকে আশান্বিত করেছে। সেই সাথে কিছু অপূর্ণতার বেদনাও রয়েছে এই হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারীরা আজও পর্যন্ত ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে এবং দন্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামী এখনও গ্রেফতার এড়িয়ে চলছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

কুষ্টিয়ায় ২১তম কাজী আরেফ আহমেদ হত্যা দিবস পালিত

আপডেট : ০৯:০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও স্বাধীন বাংলার পতাকা রূপকার নিউক্লিয়াস সদস্য সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী আরেফসহ ৫জাসদ নেতাকে হত্যা দায়ে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামীদের গ্রেফতার ও রায় কার্যকরের দাবিতে নৃশংস এই হত্যাকান্ডের ২১তম দিবস পালিত হয়েছে।

রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রæয়ারী সংগঠিত নৃশংস এই হত্যা দিবস স্মরণে কাজী আরেফ স্মৃতি সংসদের আয়োজনে এবং সংসদের সাধারণ সম্পাদক কারশেদ আলমের সভাপতিত্বে কুষ্টিয়া পৌরসভা বিজয় উল্লাস চত্বরে শিশু কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, কাজী আরেফ’র রণাঙ্গনের সহযোদ্ধা বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আব্দুল জলিল, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপন, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, জেলা জাসদ সভাপতি গোলাম মহসিন, সিপিবি কুষ্টিয়ার সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ফজলুল হক বুলবুল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কনক চৌধুরী ও শাহীন সরকার, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, কেন্দীয় নেতা শরিফুল কবীর স্বপন, জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, লেখক ও কবি ডা. তাজ উদ্দিন, লেখক আব্দুল আজিজ, মিরপুর জাাসদ নেতা আহাম্মদ আলী, সদর উপজেলা জাসদ সভাপতি আমিরুল ইসলাম মকলু, সাবেক ছাত্রনেতা রাশিব রহমান, খোসকা উপজেলা জাসদ নেতা সাইফুজ্জামান রুবেল যুব নেতা সাইফুল ইসলাম পিন্টু। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন মাহবুব হাসান।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৯৯ সালে ১৬ ফেব্রæয়ারী তৎকালীন সন্ত্রাস কবলিত রক্তাক্ত জনপদ খ্যাত কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের কালিদাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ চলাকালে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসীরা মহান মুক্তিযুদ্ধের এই সংগঠক জাতীয় নেতা কাজী আরেফ আহামেদসহ জেলা জাসদের সভাপতি বীরমুক্তিযুদ্ধা লোকমান হোসেন,সাধারন সম্পাদক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা এ্যাডঃ ইয়াকুব আলী,স্থানীয় নেতা ইসরাইল হোসেন তফসের ও শমসের মন্ডল ৫জাসদ নেতাকে ব্রাশফায়ার করে হত্যাকরে।

নৃশংস এই হত্যাকান্ড এঘটনায় তৎকালীন দৌলতপুর থানার ওসি ইসাহক আলী বাদী হয়ে করা হত্যা মামলাটি নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তদন্ত শেষে জড়িত অভিযোগে ২৯ আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন এবং বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হয় আদালতে। ২০০৪ সালের ৩০ আগষ্ট আদালত ১০ জনের মৃত্যুদন্ড এবং ১২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেন। রায় পরবর্তীতে নি¤œ ও উচ্চ আদালতে সকল বিচারিক বিধি সম্পন্ন করে ২০০৮ সালে শুধুমাত্র ৯জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখে বাকীদের খালাস দেন উচ্চ আদালত। এই ৯ জনের মধ্যে জামিনে থেকে অদ্যবধি ৫জন পলাতক থাকলেও ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারীতে কারান্তরীন ৩আসামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয় এবং এরপূর্বে অসুস্থ্য হয়ে কারাগারেই ১আসামীর মৃত্যু হয়। দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামীরা হলেন- মান্নাস মোল্লা, জালাল উদ্দিন ওরফে বাসার, বাকের, রওশন এবং জীবন।

দন্ডপ্রাপ্ত এসব পলাতক আসমীরা পাশর্^বর্তী ভারতে অবস্থান করেন এবং মাঝে মধ্যেই সীমান্ত পার হয়ে এসে পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং নানা অপরাধ সংগঠনের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে আবার ভারতে ফিরে যান বলে অভিযোগ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী ও আরেফ স্মৃতি সংসদের সভাপতি কারশেদ আলমসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও নিহত নেতৃবৃন্দের রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের। অবিলম্বে এসব আসামীদের গ্রেফতার ও রায় কর্যকরের দাবি তাদের।

কাজী আরেফ’র রণাঙ্গনের সহযোদ্ধা বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আব্দুল জলিল বলেন,মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধা হিসেবে একজন বজ্রমুষ্ঠি আদর্শের প্রতীক হিসেবে সাথে পেয়ে কুষ্টিয়ার সকল বীরযোদ্ধা গর্ববোধ করতেন। এমন এক সহযোদ্ধাকে হারিয়ে সারা দেশবাসীর ন্যায় কুষ্টিয়াবাসীও ব্যথিত হয়েছেন। জেলাবাসী এই নির্মম হত্যাযজ্ঞের একটা ন্যায় বিচার কামনা করেছিল যা ইতোমধ্যে তিনজন আসামীর দন্ডকার্যকরের মধ্যদিয়ে জেলাবাসীকে আশান্বিত করেছে। সেই সাথে কিছু অপূর্ণতার বেদনাও রয়েছে এই হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারীরা আজও পর্যন্ত ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে এবং দন্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামী এখনও গ্রেফতার এড়িয়ে চলছেন।