নেত্রকোনা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় শিশু অপহরণ মামলায় নারীর যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার শিশু অপহরণ মামলায় প্রতিবেশী এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড ৫০হাজার টাকা জরিমানা আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সী মোঃ মশিয়ার রহমান জনাকীর্ণ আদালতে আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হলেন- দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি পূর্ব মন্ডলপাড়া গ্রামের চাঁদ আলীর কন্যা বেদেনা খাতুন ওরফে লিমা(৩৮)। এই মামলায় অপর ৩ আসামী ঠেকারী খাতুন, চাঁদ আলী ও আর্ব্দু রশিদদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাদের বে-কসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, সকাল ৯টায় দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি গ্রামের ছমির আলীর স্ত্রী বিনা খাতুন তার ৬মাস বয়সী শিশুপুত্র কর্ণকে ঘরের বারান্দায় শুইয়ে রেখে গৃহস্থালীর কাজে বাড়ির বাইরে ব্যস্ত ছিলেন, এসময় আসামী বেদেনা খাতুন লিমাসহ অপর তিন সহযোগীর যোগসাজসে শিশু কর্ণকে অপরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। এই ঘটনায় শিশুর পিতা ছমির আলী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইনের দ:বি: ৭ ধারায় অভিযোগ এনে বেদেনা খাতুনসহ ৪জনের নামোল্লেখসহ দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন পুলিশ।

কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ কৌশুলী আব্দুল হালিম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দৌলতপুর থানার শিশু মামলাটি আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে চার্জ গঠন পূর্বক দীর্ঘ স্বাক্ষ্য শুনানী শেষে আসামী বেদেনা খাতুন লিমার বিরুদ্ধে আনীত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইনের দ:বি: ৭ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডসহ ৫০হাজার টাকা জরিমানা আদেশ ও মামলার অপর ৩আসামীদের খালাস দিয়েছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২
জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় শিশু অপহরণ মামলায় নারীর যাবজ্জীবন

আপডেট : ০৩:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২০

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার শিশু অপহরণ মামলায় প্রতিবেশী এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড ৫০হাজার টাকা জরিমানা আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সী মোঃ মশিয়ার রহমান জনাকীর্ণ আদালতে আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হলেন- দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি পূর্ব মন্ডলপাড়া গ্রামের চাঁদ আলীর কন্যা বেদেনা খাতুন ওরফে লিমা(৩৮)। এই মামলায় অপর ৩ আসামী ঠেকারী খাতুন, চাঁদ আলী ও আর্ব্দু রশিদদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাদের বে-কসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, সকাল ৯টায় দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি গ্রামের ছমির আলীর স্ত্রী বিনা খাতুন তার ৬মাস বয়সী শিশুপুত্র কর্ণকে ঘরের বারান্দায় শুইয়ে রেখে গৃহস্থালীর কাজে বাড়ির বাইরে ব্যস্ত ছিলেন, এসময় আসামী বেদেনা খাতুন লিমাসহ অপর তিন সহযোগীর যোগসাজসে শিশু কর্ণকে অপরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। এই ঘটনায় শিশুর পিতা ছমির আলী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইনের দ:বি: ৭ ধারায় অভিযোগ এনে বেদেনা খাতুনসহ ৪জনের নামোল্লেখসহ দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন পুলিশ।

কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ কৌশুলী আব্দুল হালিম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দৌলতপুর থানার শিশু মামলাটি আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে চার্জ গঠন পূর্বক দীর্ঘ স্বাক্ষ্য শুনানী শেষে আসামী বেদেনা খাতুন লিমার বিরুদ্ধে আনীত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইনের দ:বি: ৭ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডসহ ৫০হাজার টাকা জরিমানা আদেশ ও মামলার অপর ৩আসামীদের খালাস দিয়েছেন।