বুধবার ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় দুধ বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে খামারিরা

নজরুল ইসলাম মুকুল, কুষ্টিয়া:  |  আপডেট ২:৩৮ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০ | প্রিন্ট  | 176

দুধ বিক্রি করতে না পেরে ফেলে দিচ্ছেন কুষ্টিয়ার খামারিরা । করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিপাকে পড়েছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার দুগ্ধ খামারিরা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, মিষ্টির দোকান, হোটেল, দোকানপাট বন্ধসহ হাটবাজারে লোকজনের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় গরুর দুধ বিক্রি করতে পারছেন না তারা। একদিকে দুধ বিক্রি হচ্ছে না, তার উপরে আবার গো-খাদ্যের দাম কমেনি।

এতে আর্থিক সংকটে রয়েছেন দুগ্ধ খামারিরা। জানা গেছে, কুমারখালী উপজেলায় ৫টি ইউনিয়নে ৪৫৮টি দুগ্ধ খামার রয়েছে। খামারগুলোতে ৩৫ হাজার গাভী রয়েছে। প্রতিদিন খামারগুলো থেকে ৩০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদিত হয়। প্রতিদিন ওই এলাকায় খামারের উৎপাদিত প্রায় ৮ হাজার লিটার দুধ থেকে তৈরি করা ছানা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া কুমারখালী শহরের বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে ১০ হাজার লিটার ও কুষ্টিয়া শহরে ১২ হাজার লিটার দুধ সরবরাহ করা হয়।


করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর প্রথমদিকে দুধ থেকে ছানা তৈরি করে সংরক্ষণ করলেও এখন আর স্থান সংকুলান হচ্ছে না। যে কারণে কম দামে দুধ বিক্রি করছেন খামারিরা। অনেক সময় কম দামেও দুধ বিক্রি না হওয়ায় ফেলে দিচ্ছেন তারা। এছাড়া এলাকার অধিকাংশ খামারে ১০ থেকে ১৫টি করে গাভী রয়েছে। বর্তমানে গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে খামারিরা আরও বিপাকে পড়েছেন। কুমারখালী উপজেলা দয়রামপুর এলাকার খামারি সরোয়ার হোসেন জানান, ‘করোনাভাইরাসের কারণে বড় কোনো প্রতিষ্ঠান দুধ নিচ্ছে না। মিষ্টির দোকান ও হোটেলগুলোও বন্ধ। অল্পদামেও কেউ দুধ কিনছে না।

এখানে দুধ সংরক্ষণ করে রাখার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই প্রায়ই দুধ বিক্রি করতে না পেরে ফেলে দিতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আমরা খামারিরা পথে বসে যাব। এ বিষয়ে দ্রæত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। স্থানীয় বিন্দা আলী বলেন, আমার খামারে ১০টা গাভী রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় আমি দেড় মণ দুধ সংগ্রহ করি। কিন্তু এলাকায় দুধের চাহিদা একেবারেই নাই। তাই অনেকদিন দুধ বিক্রি করতে না পেরে ফেলে দিয়েছি।

জগন্নাথপুর এলাকার ডেইরি ফার্মের মহাব্যবস্থাপক আহমেদ ইমতিয়াজ জানান, খুচরা বিক্রেতারা আগে ৫০ টাকা লিটারে বাজারে দুধ বিক্রি করতেন। করোনার কারণে বর্তমানে তা ২৫ টাকায় বিক্রি করছেন। আর খামারিরা একেবারেই দুধ বিক্রি করতে পারছেন না। কুমারখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, খামারিদের টিকিয়ে রাখার জন্য ইতোমধ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রণোদনার আবেদন করা হয়েছে। খামারিদের মধ্যে যাদের ব্যাংক লোন রয়েছে, তাদের ঋণের সুদ মওকুফের চেষ্টা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন..

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
এক ক্লিকে বিভাগের খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
ঘোষনা : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া খবরা খবর জানাতে আমাদের ফোন করুন-০১৭১৩৫৭৩৫০২ এই নাম্বারে ☎ গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সমূহ : ☎ জরুরী সেবা : ৯৯৯ ☎ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২☎ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ☎ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০☎ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ☎ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮☎ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ☎ শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র : ০১৩২০১০৪৩৩৩ ☎ ওসি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা : ০১৩২০১৮২৮২৬ ☎ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, পূর্বধলা: ০১৭০০৭১৭২১২/০৯৫৩২৫৬১০৬ ☎ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮৩৮৭৫৮৭/০১৭০৮৪১৫০২২ ☎ উপজেলা মৎস্য অফিসার, পূর্বধলা : ০১৫১৫-৬১৪৯২১ ☎ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পূর্বধলা : ০১৯৯০-৭০৩০২০ ☎ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮-৭২৮২৯৪ ☎ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্বধলা :০১৭০৮-১৬১৪৫৭ ☎ উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৯১৪-৯১৯৯৩৮ ☎ উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, পূর্বধলা : ০১৯১৬-৮২৬৬৬৮ ☎ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১১-৭৮৯৭৯৮ ☎ উপজেলা কৃষি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৬-৭৯৮৯৪৬ ☎ উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৫-৪৭৪২৯৬ ☎ উপজেলা সমবায় অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৭-০৪৩৬৩৯ ☎ সম্পাদক পূর্বকন্ঠ ☎ ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ☎
মোঃ শফিকুল আলম শাহীন সম্পাদক ও প্রকাশক
পূর্বকণ্ঠ ২০১৬ সালে তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা।

হেল্প লাইনঃ +৮৮০৯৬৯৬৭৭৩৫০২

E-mail: info@purbakantho.com