নেত্রকোনা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মানববন্ধন

  • আপডেট : ০২:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯
  • ১৭৬

নজরুল ইসলাম মুকুল, কুষ্টিয়া :

এ পৃথিবীতে যা চিরকল্যাণ কর, অর্ধেক তার সাজিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর। কন্যাশিশুকে যেন অবহেলা অবজ্ঞা না করা হয় সেইজন্য জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক ভাবে কন্যাশিশুর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে পালন করা হয় জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক কন্যাশিশু দিবস।আজ বৃহস্পতিবার দিবসটি পালন উপলক্ষে সাফ‘র আয়োজনে কুষ্টিয়ার পোড়াদহ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

“কন্যাশিশুর অগ্রযাত্রা, দেশের জন্য নতুন মাত্রা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুবক্কর সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে সাফ‘র নির্বাহী পরিচালক মীর আব্দুর রাজ্জাক এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা পোড়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি মো: মোশাররফ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাবেক মিরপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার নাসরিন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোছা: জলি খাতুন, মো: টিটু মাষ্টার ও শিক্ষিকা উৎপলা রাণী। বক্তাগণ বলেন, বর্তমান সময়ে সরকার যে প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছেন তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কন্যাশিশুরা এখন আর পিছিয়ে নেই। তার এখন তাদের ভালোমন্দ বুঝতে শিখেছে, তারা নিজেদের বাল্যবিবাহ নিজেরা বন্ধ করছে এমনকি সমবয়সী বান্ধবীদেরও বাল্যবিবাহ বন্ধ করছে।

নিজের ভাল নিজে বুঝতে শেখার কারনে ও সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় নারী এখন অনেক ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে যেন কোন প্রতিবন্ধতা সৃষ্টি না হয় সেইজন্য সরকারের পাশাপাশি সামাজিক ভাবে ভূমিকা রাখবো। আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সহজেই অর্জন করতে সক্ষম হবো। আলোচনা শেষে বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

আমি মো. শফিকুল আলম শাহীন। আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক । আমি পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, অনলাইন রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমাদের প্রকাশনা “পূর্বকন্ঠ” স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব।

কুষ্টিয়ায় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মানববন্ধন

আপডেট : ০২:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯

নজরুল ইসলাম মুকুল, কুষ্টিয়া :

এ পৃথিবীতে যা চিরকল্যাণ কর, অর্ধেক তার সাজিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর। কন্যাশিশুকে যেন অবহেলা অবজ্ঞা না করা হয় সেইজন্য জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক ভাবে কন্যাশিশুর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে পালন করা হয় জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক কন্যাশিশু দিবস।আজ বৃহস্পতিবার দিবসটি পালন উপলক্ষে সাফ‘র আয়োজনে কুষ্টিয়ার পোড়াদহ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

“কন্যাশিশুর অগ্রযাত্রা, দেশের জন্য নতুন মাত্রা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুবক্কর সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে সাফ‘র নির্বাহী পরিচালক মীর আব্দুর রাজ্জাক এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা পোড়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি মো: মোশাররফ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাবেক মিরপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার নাসরিন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোছা: জলি খাতুন, মো: টিটু মাষ্টার ও শিক্ষিকা উৎপলা রাণী। বক্তাগণ বলেন, বর্তমান সময়ে সরকার যে প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছেন তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কন্যাশিশুরা এখন আর পিছিয়ে নেই। তার এখন তাদের ভালোমন্দ বুঝতে শিখেছে, তারা নিজেদের বাল্যবিবাহ নিজেরা বন্ধ করছে এমনকি সমবয়সী বান্ধবীদেরও বাল্যবিবাহ বন্ধ করছে।

নিজের ভাল নিজে বুঝতে শেখার কারনে ও সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় নারী এখন অনেক ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে যেন কোন প্রতিবন্ধতা সৃষ্টি না হয় সেইজন্য সরকারের পাশাপাশি সামাজিক ভাবে ভূমিকা রাখবো। আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সহজেই অর্জন করতে সক্ষম হবো। আলোচনা শেষে বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।