শনিবার ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ার উডল্যান্ডে অগ্নিদগ্ধে ৪শ্রমিকের মৃত্যু প্রায় ৩ সপ্তাহেও উদঘাটন হয়নি অগ্নিকান্ডের কারণ 

নজরুল ইসলাম মুকুল, কুষ্টিয়া:  |  আপডেট ৫:৫৩ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ | প্রিন্ট  | 248

কুষ্টিয়ার উডল্যান্ডে অগ্নিদগ্ধে ৪শ্রমিকের মৃত্যু প্রায় ৩ সপ্তাহেও উদঘাটন হয়নি অগ্নিকান্ডের কারণ 

অগ্নিদগ্ধ চার কারখানা শ্রমিকের মৃত্যুর পরে নড়েচড়ে বসলেন সংশ্লিষ্টরা। এক সদস্যের তদন্ত কমিটি জেলা প্রশাসনের। বিচ্ছিন্ন ভাবে জানার চেষ্টা করছেন ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদ্প্তর। ঘটনার দুই সপ্তাহ পার হলেও অগ্নিকান্ডের সঠিক কারন জানাতে পারেননি কেউ।

তদন্ত শেষ করে প্রতিদেন দেয়া হবে জানালেন তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট লুৎফুন নাহার। প্রকৃত তথ্যদিতে অনিহা কারখানা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ কলখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার ডিআইজি হাসিবুজ্জামানের। জেলার কোন শিল্প প্রতিষ্ঠানই নিরাপদ অগ্নি নির্বাপনী ব্যবস্থাপনায় আন্তরিক নন অভিমত ফায়ার সার্ভিস কুষ্টিয়ার ষ্টেশন ইনচার্জ আলী সাজ্জাদের। কারখানায় নির্ধারিত কোন সেপটিজোন না থাকায় যত্রতত্র ধুমপানের পরিনতি এই অগ্নিকান্ড অভিযোগ নিহত শ্রমিক পরিবারের। থানায় কেউ অভিযোগ করেননি দাবি পুলিশের।


ফায়ার সার্ভিস কুষ্টিয়ার ষ্টেশন ইনচার্জ আলী সাজ্জাদ বলেন,‘২২ নভেম্বর রাত সোয়া ৩টায় উডল্যান্ড নামের প্লাইউড কারখানায় অগ্নিকান্ডের সাংবাদ পায়। ঘটনাস্থলে পৌছে দেখি, ভয়াবহ আগুন। সেখানে যা কিছু ছিলো সবই অধিক দাহ্যবাহী। সেকারণে অগ্নিকান্ডের ঘটনাটিও বেশ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিলো। তিনি কারখানা কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যের সূত্র ধরে,‘প্রাথমিক ভাবে সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে’। ‘যে ৪জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়েছিলো তাদের ফায়ার সার্ভিস যাওয়ার আগেই হাসপাতালে নিয়ে যান কারখানা কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে গিয়েও আহতদের দেখতে পায়নি, তার আগেই ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের। তবে হাসপাতালের চিকিৎসক জানান চার রোগীরই দেহ ৭০-৮০ভাগ ঝলসে আশঙ্কাজনক হওয়ায় রোগীদের ঢাকায় পাঠানো হয়।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, দাহ্যসংকুল এই কারখানাটিতে অগ্নি নির্বাপনে নিজস্ব যে ব্যবস্থা ছিলো সেটাও সঠিক মাত্রাযুক্ত নয় যা ফায়ার সার্ভিস থেকে প্রাপ্ত লাইসেন্সের শর্ত পালনে ব্যত্যয়’। এসব ক্ষে্েরত্র কুষ্টিয়ার সবগুলি শিল্প-কারখানার মালিক শ্রমিকদের অবহেলা ও অনিহা ঘোচাতে আমাদের পক্ষ থেকে নানা কর্মসুচী গ্রহন করলেও সন্তোষ জনক সাড়া পাওয়া যায়না। অগ্নিদগ্ধে চার শ্রমিক নিহতের ঘটনায় কোন তদন্ত কমিটি হয়েছে কি না সেটা বলতে পারবনা। আমরা আমাদের মতো রিপোর্ট করে সদর দপ্তরে প্রেরণ করব। এসময় তিনি গত তিন বছরে (২০১৭-১৯) জেলায় সংঘটিত দেড় সহ¯্রাধিক অগ্নিকান্ডে ১০জন নিহত, ৬১জন আহত এবং প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার উপমহাপরিদর্শক হাসিবুজ্জামান বলেন, ঘটনার একদিন পর আমরা জানতে পেয়ে সেখানে যায়। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৪ শ্রমিক দগ্ধ হওয়ার ঘটনাস্থলে কোন চিহ্নই আমরা খুঁজে পায়নি। সেকারণে সেখানকার শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানার চেষ্টা করছি। কি কারণে বা কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, শ্রমিকদের গায়ে আগুন ধরলো কিভাবে, সেসব জানার ”েষ্টা করছি।

এখনও আমাদের কাছে এক কথায় বলার মতো সঠিক কারণ জানতে পারিনি। সব বিষয়েই আমরা জানার চেষ্টা করছি, কারখানা কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি বা অবহেলা ছিলো কি না; যন্ত্রপাতি, মেশিনপত্র ঠিক ছিলো কি না; শ্রমিকরাই বা কতটুকু দায়ি, সব বিষয়েই খতিয়ে দেখতে আমরা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও করেছি। কমিটি প্রধান হিসেবে অপর দুই সদস্য সহকারী মহাপরিদর্শক মোর্তজা মোর্শেদ ও শ্রম পরিদর্শক মনিরুজ্জামানকে দায়িত্ব দিয়েছি প্রতিবেদন তৈরী কারার। তবে শুরু থেকে কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সমর্থন ও নির্ভরযোগ্য কোন তথ্য আমরা পায়নি। এখন আমরা দেখবো, নিহত চার শ্রমিকের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার যাতে পূনর্বাসনসহ যথাযথ ক্ষতি পূরণ পায় সেটা নিশ্চিত করতে চাই।

কুষ্টিয়া অতিরক্তি জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট লুৎফুন নাহার বলেন, অগ্নিদগ্ধ হয়ে শ্রমিক নিহতের ঘটনা প্রথমে আমরা জানতেই পারিনি। পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসন জানতে পারে। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে গত ২৭ নভেম্বর আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। সেখানে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে ঘটনা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। ঘটনার ৫দিন পর সেখানে আপাতদৃষ্টে বোঝার কোন উপায় নেই ঘটনা সম্পর্কে। কারখানায় স্বাভাবিক ভাবে উৎপাদন কার্যক্রম চলছিলো। পরে কারখানায় লাগানো ক্লজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ দেখে বোঝার চেষ্টা করি। সিসি ফুটেজ: ২২ নভেম্বর, রাত ৩টা ৮মিনিটে শুরু হওয়া ঘটনা। আগুনের শিখা, স্পার্ক করলো বৈদ্যুতিক তার, তারপর পুরোটা জোনে আগুনের কুন্ডলী, শ্রমিকের গায়ে আগুন, দৌড়াচ্ছে, একজন দৌড়ে এস পড়ে যায়।

ফুটেজ দেখার পর সেখানে গিয়ে দেখি সবকিছুই অধিকতর দাহ্য, একদিকে কাঠের শুকনো গুড়া তার সাথে প্যারাফিনাল কেমিক্যাল ও গøুসহ বিভিন্ন কেমিকেলের উপস্থিতি যা খুব সামান্যতম অসর্তকতার কারণে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের কারণ হতে পারে। এজাতীয় শ্রমঘন জোনে কারখানা কর্তৃপক্ষের অধিক সতর্কতা ও কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নসহ শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার কথা। যা সেখানে ছিলো না বলেই প্রাথমিক ভাবে ধারণা পেয়েছি।

ঘটনাস্থলেই টয়লেট আছে, সেখানে শ্রমিকরা খাওয়া দাওয়াও সারেন, খুব স্বাভাবিক যে, কোন শ্রমিক হয়ত খাওয়ার পর বিড়ি/সিগারেটের আগুন ফেলে থাকতে পারে। এতে সেখানে প্যারাফিনাল কেমিকেল ও ভাসমান দাহ্য গ্যাসের সংস্পর্শে ধপ করে আগুন জ¦লে উঠতে পারে। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত যে, সর্টসার্কিট থেকে বৈদ্যুতিক তারের আগুনে নয়; বরং ্আগুন এসে বৈদ্যুতিক তারে ধরেছে। এছাড়া কোন মেশিনের বিস্ফোরনে আগুন লাগলে সেই মেশিনটাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা, তাতে উৎপাদন কন্টিনিউ করার কথা নয়। আগুনের ঘটনাস্থল থেকে বয়লার অনেক দুরে, সেখানে অগ্নিকান্ডের কোন ঘটনা ঘটেনি।

এঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন তদন্ত কমিটি হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বলেন, বিষয়টি জানার পর ডিসি স্যার আমার উপরই দায়িত্ব দিয়েছেন। দাপ্তরিক অন্যান্য কাজের পাশাপাশি এই বিষয়টি নিয়েও কাজ করতে হচ্ছে। যত দ্রæত সম্ভব প্রতিবেদন শেষ করে জমা দেয়া হবে।
এসময় তিনি প্রতিবেদককে বলেন, এসব বিষয়ে আপনাদের কাছ থেকেই অনেক বেশী তথ্য আমাদের পাওয়ার কথা। অথচ আপনি আমার কাছে খুটিনাটি জানতে চাচ্ছেন। আপনারা কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেন। উত্তরে প্রতিবেদক বলেন, উনারা কোনভাবেই সংবাদ মাধ্যমের সাথে কোন কথা বলতে রজি নন বা কোন তথ্যও দিতে রাজি নন। একথা শুনে তিনি কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে ফোনে কথা বলেন এবং তথ্য উপাত্তসহ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেয়ার নির্দেশ দেন।

কিছুক্ষন পর উডল্যান্ড প্লাইউড কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুব জোয়ার্দার তুহিন মুঠোফোনে কল করে প্রতিবেদকের সাথে দেখা করে ফুটেজ দিতে চান। যথারীতি তিনি কুষ্টিয়া থানা মোড়স্থ স্বাধীনতা চত্বরে দেখা করে নিউজটি না করার অনুরোধ করেন এবং ঘটনা সম্পর্কে কোন তথ্য বা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দিতে অস্বীকৃতি জানান।

নিহত শ্রমিক মেহেদী হাসানের পিতা আব্বাস উদ্দিনের অভিযোগ, ‘এতোবড় ইলাকাজুড়ে এই কারখানা, রাইত দিন ধইরি কাজ চলে, অথচ ভিতরে শ্রমিকদের জন্যি একটা নিরাপদ জায়গা রাখিনি, যেকেনে শ্রমিকরা খাওয়া-দাওয়া বা এককাপ চা/বিড়ি খাতি পারে; যেকেনে কাম সেকেনেই, খাওয়া, পেসাব-পায়াখানা, সব এক জাগায়। সেদিন যেদি(যদি), ওকেনে সিগারেট জ¦ালানির লাইটার নিয়ে চান্নু রায়াহানের কাড়াকাড়ি না হইতি তালি(তাহলে) তো এই সব্বনাশটা হইতি না।

প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিক নিহত সাজেদুলের মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দীর বিবরন দিয়ে ভাই মাজেদুল বলেন, সাজেদুল এবং মেহেদী খাওয়া দাওয়া করে পাশেই বসে রেস্ট নিচ্ছিল। এসময় অন্য সেশনে কাজ করা শ্রমিক চান্নু আসে বস্তা নিতে। সেখানে চান্নু সিগারেট ও লাইটার বের করে রায়হানকেও সিগারেট খাওয়ার অফার করে, সেখানে সিগারেট জ¦ালানো নিষেধ উল্লেখ করে রায়হান চান্নুর কাছ থেকে লাইটার কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করে, এনিয়ে দু’জনের মধ্যে কাড়াকারিড়র এক পর্যায়ে লাইটার জ¦লে উঠে। এতেই প্রথমে প্লাষ্টিকের বস্তায় আগুন লেগে যায়। ওরা বস্তার আগুন দ্রæত নেভানোর চেষ্টা করতে থাকে। পাশ থেকে মেহেদী ও সাজেদুলও ছুটে আসে আগুন নেভাতে। ওরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করার সময়ই হঠাৎ মেশিনের কম্প্রেসার থেকে গ্যাস মিশ্রিত হাওয়া এসে লাগার সাথে সাথে আগুন বড় আকার ধারণ করে। তখনই এক সঙ্গে চারজনের গায়ে আগুন লেগে যায়। এই অবস্থায় ওরা প্রাণে বাঁচতে দৌড়াতে শুরু করে।

কারখানায় শ্রমিকদের অনিরাপদ কর্ম পরিবেশের অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুব জোয়ার্দার তুহিন।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, উডল্যান্ডের অগ্নিকান্ডে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় কেউ কোন অভিযেগ নিয়ে আসে নাই। কেউ অভিযোগ করলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিবে। তবে এঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষ ঘটনার দিনেই থানায় একটা জিডি করেছেন।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন বলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। উনি তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ওই কারখানায় শ্রমিকদের অনিরাপদ কর্মপরিবেশ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ক্ষতিগ্র্স ওইসব শ্রমিক পরিবারগুলি যাতে পূনর্বাসিত হয় সেবিষয়ে উদ্যোগ নেবে জেলা প্রশাসন।

উল্লেখ্য, গত ২২নভেম্বর রাত সোয়া ৩টায় কুষ্টিয়ায় উডল্যান্ড নামক প্লাইউড কারখানায় অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ৪ শ্রমিক ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসারত অবস্থায় একে একে ৭দিনের মধ্যে সবাই মৃত্যুবরণ করেন। নিহতরা হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল গ্রামের খবির উদ্দিনের ছেলে রায়হান(২৪), জুগিয়া বারখাদা গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে সাজেদুল(২২), অমল কুমার দাসের ছেলে চান্নু কুমার(১৭) এবং আব্বাস উদ্দিনের ছেলে মেহিদী হাসান(১৮)।

এসব পরিবারের সাথে কথা বল্লে তারা জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা খরচ বাদে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে দেড় লাখ টাকা দিয়েছেন। তবে মৃত্যুজনিত বীমা দাবির বিষয়ে তাদের কোন ধারণা নেই বলে জানান মেহেদীর পিতা আব্বাস উদ্দিন।

শেয়ার করুন..

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
এক ক্লিকে বিভাগের খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
ঘোষনা : আমাদের পূর্বকন্ঠ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া খবরা খবর জানাতে আমাদের ফোন করুন-০১৭১৩৫৭৩৫০২ এই নাম্বারে ☎ গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সমূহ : ☎ জরুরী সেবা : ৯৯৯ ☎ নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন: ০১৭৮৯৭৪৪২১২☎ জেলা প্রশাসক ,নেত্রকোনা:০১৩১৮-২৫১৪০১ ☎ পুলিশ সুপার,নেত্রকোনা: ০১৩২০১০৪১০০☎ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল : ০১৩২০১০৪১৪৫ ☎ ইউএনও,পূর্বধলা : ০১৭৯৩৭৬২১০৮☎ ওসি পূর্বধলা : ০১৩২০১০৪৩১৫ ☎ শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র : ০১৩২০১০৪৩৩৩ ☎ ওসি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা : ০১৩২০১৮২৮২৬ ☎ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, পূর্বধলা: ০১৭০০৭১৭২১২/০৯৫৩২৫৬১০৬ ☎ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮৩৮৭৫৮৭/০১৭০৮৪১৫০২২ ☎ উপজেলা মৎস্য অফিসার, পূর্বধলা : ০১৫১৫-৬১৪৯২১ ☎ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পূর্বধলা : ০১৯৯০-৭০৩০২০ ☎ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৮-৭২৮২৯৪ ☎ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) পূর্বধলা :০১৭০৮-১৬১৪৫৭ ☎ উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৯১৪-৯১৯৯৩৮ ☎ উপ-সহকারি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, পূর্বধলা : ০১৯১৬-৮২৬৬৬৮ ☎ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১১-৭৮৯৭৯৮ ☎ উপজেলা কৃষি অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৬-৭৯৮৯৪৬ ☎ উপজেলা শিক্ষা অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৫-৪৭৪২৯৬ ☎ উপজেলা সমবায় অফিসার, পূর্বধলা : ০১৭১৭-০৪৩৬৩৯ ☎ সম্পাদক পূর্বকন্ঠ ☎ ০১৭১৩৫৭৩৫০২ ☎
মোঃ শফিকুল আলম শাহীন সম্পাদক ও প্রকাশক
পূর্বকণ্ঠ ২০১৬ সালে তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা।

হেল্প লাইনঃ +৮৮০৯৬৯৬৭৭৩৫০২

E-mail: info@purbakantho.com