নেত্রকোনা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে রাখাইন পল্লী উচ্ছেদের প্রতিবাদে রাঙ্গামাটিতে মানববন্ধন

  • আপডেট : ০৭:১৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২০
  • ১১৮৬ বার পঠিত

মহুয়া জান্নাত মনি,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:
কক্সবাজারে উপকুল সুরক্ষায় সুপার ডাইক নির্মাণের জন্য কক্সবাজার সদর উপজেলার ৬নং চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বসবাসরত অসহায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি রাখাইন সম্প্রদায়ের বসত-ঘর, বৌদ্ধ মন্দির ও শ্মশান পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বেআইনীভাবে অধিগ্রহন করে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবীতে রাঙ্গামাটিতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে রাখাইন সম্প্রদায়।

সোমবার সকালে রাঙ্গামাটিতে বসবাসরত রাখাইন সম্প্রদায়ের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

রাখাইন সম্প্রদায়ে উচিংছা রাখাইনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্যে রাখেন, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এ কে এম মকছুদ আহম্মেদ, বাংলাদেশ রাখাইন স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মংচোয়াং অভি, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি রাঙ্গামাটি জেলার সভাপতি টুকু তালুকদার, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও উইভ এর নির্বাহী পরিচালক নাই উ প্রু মারমা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়ন ও উপকূল সুরক্ষার জন্য ১০০ শত বছরের “ডেলটা প্ল্যান” এর আওতাধীন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় “সুপার ডাইক” নির্মাণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের এই মহৎ উদ্যোগকে আমরা সম্মানের সাথে স্বাগত জানাই। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধ ও সুপার ডাইক নির্মান করা হলে কক্সবাজার জেলার চৌফলদন্ডীতে ৪০০ বছর ধরে বসবাসরত রাখাইন সম্প্রদায়ের ১২০টি পরিবার, ৩টি শ্মশান ও ৩টি বৌদ্ধ বিহার উচ্ছেদ হয়ে যাবে। তাই সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবী জানাচ্ছি যে রাখাইন সম্প্রদায়ের যে স্থানে বেড়িবাঁধ ও সুপার ডাইক নির্মান করা হবে, সেখানে নির্মান না করে বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহন করা হোক। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

কক্সবাজারে রাখাইন পল্লী উচ্ছেদের প্রতিবাদে রাঙ্গামাটিতে মানববন্ধন

আপডেট : ০৭:১৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২০

মহুয়া জান্নাত মনি,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:
কক্সবাজারে উপকুল সুরক্ষায় সুপার ডাইক নির্মাণের জন্য কক্সবাজার সদর উপজেলার ৬নং চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বসবাসরত অসহায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি রাখাইন সম্প্রদায়ের বসত-ঘর, বৌদ্ধ মন্দির ও শ্মশান পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বেআইনীভাবে অধিগ্রহন করে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবীতে রাঙ্গামাটিতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে রাখাইন সম্প্রদায়।

সোমবার সকালে রাঙ্গামাটিতে বসবাসরত রাখাইন সম্প্রদায়ের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

রাখাইন সম্প্রদায়ে উচিংছা রাখাইনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্যে রাখেন, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এ কে এম মকছুদ আহম্মেদ, বাংলাদেশ রাখাইন স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মংচোয়াং অভি, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি রাঙ্গামাটি জেলার সভাপতি টুকু তালুকদার, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও উইভ এর নির্বাহী পরিচালক নাই উ প্রু মারমা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়ন ও উপকূল সুরক্ষার জন্য ১০০ শত বছরের “ডেলটা প্ল্যান” এর আওতাধীন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় “সুপার ডাইক” নির্মাণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের এই মহৎ উদ্যোগকে আমরা সম্মানের সাথে স্বাগত জানাই। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধ ও সুপার ডাইক নির্মান করা হলে কক্সবাজার জেলার চৌফলদন্ডীতে ৪০০ বছর ধরে বসবাসরত রাখাইন সম্প্রদায়ের ১২০টি পরিবার, ৩টি শ্মশান ও ৩টি বৌদ্ধ বিহার উচ্ছেদ হয়ে যাবে। তাই সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবী জানাচ্ছি যে রাখাইন সম্প্রদায়ের যে স্থানে বেড়িবাঁধ ও সুপার ডাইক নির্মান করা হবে, সেখানে নির্মান না করে বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহন করা হোক। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।