নেত্রকোনা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

অপরিকল্পিত বেড়ি বাঁধ নির্মাণ ফসল ক্ষতির আশষ্কা

নেত্রকোনার মদনে ফসল রক্ষা বাঁধে ¯øুইচ গেটের অকেজো ঢালা মেরামত না করে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ করায় ফসল ক্ষতির আশষ্কায় ভুগছেন এলাকার কৃষকগণ।

তলার হাওরে বালালী পদমশ্রী উপপ্রকল্পে পুরাতন বেড়ি বাঁধ কেটে দায়সারাগোচের বাঁধ নির্মাণ করছে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প কমিটি।

স্থানীয় কৃষক আঙ্গুর মিয়া, হেলাল, হারেছ উদ্দিন তাংসহ ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, বালালী পদমশ্রী উপপ্রকল্পের ¯øুইচ গেটটি ৮/১০ বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে থাকলেও প্রতি বছরেই বেড়ি বাঁধ নিমার্ণে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করছে সরকার। ¯øুইচ গেটের ঢালা মেরামত না করায় প্রতি বছর চৈত্র মাসের সামান্য বৃষ্টিতে গেট দিয়ে বাঁধের ভিতর পানি প্রবেশ করে কৃষকের শতশত হেক্টর বোরো ধান নষ্ট হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙা ঢালায় মাটির বস্তা ফেলে প্রতিবার পানি আটকানোর নিষ্ফল চেষ্টা করে। এ বছরও নষ্ট ঢালা মেরামত না করে পুরাতন বেড়ি বাঁধ কেটে দায়সারাগোচের বাঁধ নির্মাণ করছে প্রকল্প কমিটি।

প্রকল্প সভাপতি আব্দুল হামিদ ও রিয়াজ আহম্মদ জানান, বেড়ি বাঁধে সুষ্ঠুভাবে মাটি কাটতে হলে এ প্রকল্পে ২৫/৩০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন। আমরা এ বছর দুটি প্রকল্পে ১৪লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি এর চেয়ে বেশি কাজ করেছি। পুরাতন বেড়ি বাঁধ কাটার বিষয়টি এড়িয়ে যান।

সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ফখর উদ্দিন ও রফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সুইচ গেটের ঢালাটি ৮/১০ বছর ধরে অকেজো। চৈত্রমাসে পাহাড়ি ঢলের পানি আসতেই বেড়ি বাঁধের ভিতরে পানি প্রবেশ করে কৃষকরে ফসল নষ্ট হয়। বারবার কর্তৃপক্ষকে অবগত করেও এর সুরাহা পাওয়া যাচ্ছে না।

ইউএনও মোঃ ওয়ালীউল হাসান, উক্ত ¯øুইচ গেটটি মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি অচিরেই এর মেরামত করা হবে।

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান জানান, সুইচ গেটটির খবর নিয়ে এ ব্যাপারে দ্রæত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রকাশক ও সম্পাদক সম্পর্কে-

শফিকুল আলম শাহীন

আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার ও সাংবাদিক। আমি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় পূর্বধলা উপজেলা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত । সেইসাথে পূর্বকণ্ঠ অনলাইন প্রকাশনার সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার বর্তমান ঠিকানা স্টেশন রোড, পূর্বধলা, নেত্রকোনা। আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক। আমার ধর্ম ইসলাম। আমি করতে, দেখতে এবং অভিজ্ঞতা করতে পছন্দ করি এমন অনেক কিছু আছে। আমি আইটি সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করতে পছন্দ করি। যেমন ওয়েব পেজ তৈরি করা, বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করা, রেডিও স্টেশন তৈরি করা, অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করা ইত্যাদি। আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত পূর্বকন্ঠ পত্রিকাটি স্বাধীনতার চেতনায় একটি নিরপেক্ষ জাতীয় অনলাইন । পাঠক আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরনা। পূর্বকণ্ঠ কথা বলে বাঙালির আত্মপ্রত্যয়ী আহ্বান ও ত্যাগে অর্জিত স্বাধীনতার। কথা বলে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে। ছড়িয়ে দিতে এ চেতনা দেশের প্রত্যেক কোণে কোণে। আমরা রাষ্ট্রের আইন কানুন, রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রীয় আইন বিরোধী এবং বাঙ্গালীর আবহমান কালের সামাজিক সহনশীলতার বিপক্ষে পূর্বকন্ঠ কখনো সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা সকল ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন ধর্মমত বা তাদের অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আমরা কিছু প্রকাশ করি না। আমাদের সকল প্রচেষ্টা পাঠকের সংবাদ চাহিদাকে কেন্দ্র করে। তাই পাঠকের যে কোনো মতামত আমরা সাদরে গ্রহন করব। প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২

অপরিকল্পিত বেড়ি বাঁধ নির্মাণ ফসল ক্ষতির আশষ্কা

আপডেট : ০৪:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

নেত্রকোনার মদনে ফসল রক্ষা বাঁধে ¯øুইচ গেটের অকেজো ঢালা মেরামত না করে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ করায় ফসল ক্ষতির আশষ্কায় ভুগছেন এলাকার কৃষকগণ।

তলার হাওরে বালালী পদমশ্রী উপপ্রকল্পে পুরাতন বেড়ি বাঁধ কেটে দায়সারাগোচের বাঁধ নির্মাণ করছে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প কমিটি।

স্থানীয় কৃষক আঙ্গুর মিয়া, হেলাল, হারেছ উদ্দিন তাংসহ ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, বালালী পদমশ্রী উপপ্রকল্পের ¯øুইচ গেটটি ৮/১০ বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে থাকলেও প্রতি বছরেই বেড়ি বাঁধ নিমার্ণে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করছে সরকার। ¯øুইচ গেটের ঢালা মেরামত না করায় প্রতি বছর চৈত্র মাসের সামান্য বৃষ্টিতে গেট দিয়ে বাঁধের ভিতর পানি প্রবেশ করে কৃষকের শতশত হেক্টর বোরো ধান নষ্ট হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙা ঢালায় মাটির বস্তা ফেলে প্রতিবার পানি আটকানোর নিষ্ফল চেষ্টা করে। এ বছরও নষ্ট ঢালা মেরামত না করে পুরাতন বেড়ি বাঁধ কেটে দায়সারাগোচের বাঁধ নির্মাণ করছে প্রকল্প কমিটি।

প্রকল্প সভাপতি আব্দুল হামিদ ও রিয়াজ আহম্মদ জানান, বেড়ি বাঁধে সুষ্ঠুভাবে মাটি কাটতে হলে এ প্রকল্পে ২৫/৩০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন। আমরা এ বছর দুটি প্রকল্পে ১৪লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি এর চেয়ে বেশি কাজ করেছি। পুরাতন বেড়ি বাঁধ কাটার বিষয়টি এড়িয়ে যান।

সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ফখর উদ্দিন ও রফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সুইচ গেটের ঢালাটি ৮/১০ বছর ধরে অকেজো। চৈত্রমাসে পাহাড়ি ঢলের পানি আসতেই বেড়ি বাঁধের ভিতরে পানি প্রবেশ করে কৃষকরে ফসল নষ্ট হয়। বারবার কর্তৃপক্ষকে অবগত করেও এর সুরাহা পাওয়া যাচ্ছে না।

ইউএনও মোঃ ওয়ালীউল হাসান, উক্ত ¯øুইচ গেটটি মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি অচিরেই এর মেরামত করা হবে।

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান জানান, সুইচ গেটটির খবর নিয়ে এ ব্যাপারে দ্রæত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।